করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে টিকার কার্যকরিতা নিশ্চিত নয়
jugantor
করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে টিকার কার্যকরিতা নিশ্চিত নয়

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৫ মে ২০২১, ১১:১৫:৩৯  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনাভাইরাসের বেশ কয়েকটি ধরন ইতিমধ্যে ধরা পড়েছে। ব্রাজিলিয় ও আফ্রিকান ধরনের পর আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ভারতীয় ধরন।

এই ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে উদ্বেগটা একটু বেশি। কারণ এটি বেশি প্রাণঘাতী এবং অধিক সংক্রামক। এটি প্রতিরোধে করোনার টিকা কতটা কার্যকর, সেই প্রশ্ন এখন জনে জনে।

করোনার ভারতীয় ধরনের বিরুদ্ধে টিকার কার্যকারিতার বিষয়ে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

ভারতের নির্ভরযোগ্য গণমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, ভারতে আক্রান্তদের প্রায় শূন্য দশমিক ১ শতাংশের নমুনার জিনোম সিকোয়েন্স করা হয়েছে।

করোনার বি.১.৬১৭ ধরনটি গত অক্টোবরে ভারতে প্রথম শনাক্ত হয়। এরপর এরই মধ্যে ৪৪টি দেশে তা পাওয়া গেছে। করোনার এই ধরনে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে ভারত। গত তিন সপ্তাহ ধরে দেশটিতে প্রতিদিন তিন লাখের বেশি করোনা রোগী শনাক্ত হচ্ছে। শুক্রবারও ৩ লাখ ৪৩ হাজার মানুষের দেহে করোনা শনাক্ত হওয়ার খবর দিয়েছে ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশতিতে ৪ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। নতুন এই ধরন ছড়িয়ে পড়ায় মৃত্যু ও সংক্রমণ বেড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যানুযায়ী, যুক্তরাজ্যে শনাক্ত হওয়া করোনার বি.১.১৭ ধরন এবং ভারতীয় ধরন বি.১.৬১৭ সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ‘কমতে শুরু করেছে’। তবে উদ্বেগজনকভাবে ভারতীয় ধরনের আরও বিপজ্জনক রূপান্তর ঘটেছে- বি.১.৬১৭.১ এবং বি.১.৬১৭.২।

করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সপ্তাহিক হালনাগাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে করোনার বি.১.৬১৭.১ এবং বি ১.৬১৭.২ ধরনের উচ্চ বৃদ্ধির হার এর অধিক সংক্রমণের বিষয়টিকে বোঝায়।

অনেক দেশেই এর দ্রুত বৃদ্ধি দেখা গেছে। বাংলাদেশে এই ধরনের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এই ধরনের ওপর টিকার কার্যকারিতার বিষয়ে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে কিছু গবেষণায় মডার্না ও ফাইজারের টিকার কিছুটা কার্যকারিতা দেখা গেছে।

করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে টিকার কার্যকরিতা নিশ্চিত নয়

 যুগান্তর ডেস্ক 
১৫ মে ২০২১, ১১:১৫ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনাভাইরাসের বেশ কয়েকটি ধরন ইতিমধ্যে ধরা পড়েছে।  ব্রাজিলিয় ও আফ্রিকান ধরনের পর আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ভারতীয় ধরন।   

এই ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে উদ্বেগটা একটু বেশি। কারণ এটি বেশি প্রাণঘাতী এবং অধিক সংক্রামক। এটি প্রতিরোধে করোনার টিকা কতটা কার্যকর, সেই প্রশ্ন এখন জনে জনে।

করোনার ভারতীয় ধরনের বিরুদ্ধে টিকার কার্যকারিতার বিষয়ে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। 

ভারতের নির্ভরযোগ্য গণমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, ভারতে আক্রান্তদের প্রায় শূন্য দশমিক ১ শতাংশের নমুনার জিনোম সিকোয়েন্স করা হয়েছে।

করোনার বি.১.৬১৭ ধরনটি গত অক্টোবরে ভারতে প্রথম শনাক্ত হয়। এরপর এরই মধ্যে ৪৪টি দেশে তা পাওয়া গেছে। করোনার এই ধরনে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে ভারত। গত তিন সপ্তাহ ধরে দেশটিতে প্রতিদিন তিন লাখের বেশি করোনা রোগী শনাক্ত হচ্ছে। শুক্রবারও ৩ লাখ ৪৩ হাজার মানুষের দেহে করোনা শনাক্ত হওয়ার খবর দিয়েছে ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশতিতে ৪ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। নতুন এই ধরন ছড়িয়ে পড়ায় মৃত্যু ও সংক্রমণ বেড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যানুযায়ী, যুক্তরাজ্যে শনাক্ত হওয়া করোনার বি.১.১৭ ধরন এবং ভারতীয় ধরন বি.১.৬১৭ সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ‘কমতে শুরু করেছে’। তবে উদ্বেগজনকভাবে ভারতীয় ধরনের আরও বিপজ্জনক রূপান্তর ঘটেছে- বি.১.৬১৭.১ এবং বি.১.৬১৭.২।

করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সপ্তাহিক হালনাগাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে করোনার বি.১.৬১৭.১ এবং বি ১.৬১৭.২ ধরনের উচ্চ বৃদ্ধির হার এর অধিক সংক্রমণের বিষয়টিকে বোঝায়। 

অনেক দেশেই এর দ্রুত বৃদ্ধি দেখা গেছে। বাংলাদেশে এই ধরনের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এই ধরনের ওপর টিকার কার্যকারিতার বিষয়ে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে কিছু গবেষণায় মডার্না ও ফাইজারের টিকার কিছুটা কার্যকারিতা দেখা গেছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস