ইতালিতে টিকায় কমেছে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু
jugantor
ইতালিতে টিকায় কমেছে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু

  অনলাইন ডেস্ক  

১৬ মে ২০২১, ১৪:২৯:৪৫  |  অনলাইন সংস্করণ

ফাইজার, মডার্না ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনাভাইরাসের টিকার প্রথম ডোজ দেওয়ার পাঁচ সপ্তাহ পর প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার হার ৮০ শতাংশ কমে যাওয়ার তথ্য এসেছে ইতালির এক গবেষণা প্রতিবেদনে।

ইতালির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ (আইএসএস) পরিচালিত ওই গবেষণার ফল শনিবার এক প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়। খবর রয়টার্সের।

গবেষণাটি চালানো হয়েছে দেশটির টিকাপ্রাপ্ত এক কোটি ৩৭ লাখ মানুষের ওপর। টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবে কতটা সুফল দিচ্ছে, তা জানতে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত কোনো দেশের প্রথম গবেষণা এটি।

বিজ্ঞানীরা ইতালিতে টিকাদান কর্মসূচি শুরুর প্রথম দিন ২৭ ডিসেম্বর ২০২০ থেকে ৩ মে ২০২১ পর্যন্ত সময়ের তথ্য পর্যালোচনা করেছেন। তাদের বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রাথমিক টিকাদানের প্রথম দুই সপ্তাহ পর করোনাভাইরাসের সংক্রমণ, এর কারণে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা এবং মৃত্যুর ঘটনা ক্রমান্বয়ে কমেছে।

আইএসএস বলছে, ইতালিতে টিকার প্রথম ডোজ দেওয়ার ৩৫ দিন পর সংক্রমণের হার ৮০ শতাংশ, হাসপাতালে ভর্তির হার ৯০ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ৯৫ শতাংশ কমেছে।

প্রাপ্তবয়স্ক নারী ও পুরুষ- সবার ক্ষেত্রেই একই ফল দেখা গেছে বলে জানানো হয়েছে ওই গবেষণা প্রতিবেদনে।

আইএসএসের সভাপতি সিলভিও ব্রুসাফেরো এক বিবৃতিতে বলেন, এই উপাত্ত টিকাদান কর্মসূচির কার্যকারিতা এবং সংকটের সমাপ্তি টানতে জনগণের বড় অংশকে দ্রুত টিকাদানের আওতায় আনার প্রয়োজনীয়তা প্রমাণ করেছে।

ইতালির এই গবেষণার নমুনায় থাকা প্রায় এক কোটি ৪০ লাখ মানুষের মধ্যে ৯৫ শতাংশ ফাইজার ও মডার্নার টিকা পেয়েছে এবং দুই ডোজ টিকাই নিয়েছে। তবে অ্যাস্ট্রাজেনেকার প্রথম ডোজ গ্রহণকারীদের কেউ দ্বিতীয় ডোজ পাননি।

শনিবার সকাল পর্যন্ত ৮৩ লাখ ইতালীয়কে পুরোপুরি টিকা দেওয়া হয়েছে, যা মোট জনসংখ্যার ১৪ শতাংশ। শুধু প্রথম ডোজ গ্রহণকারীর সংখ্যা এক কোটি ছাড়িয়েছে।

ইতালিতে টিকায় কমেছে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু

 অনলাইন ডেস্ক 
১৬ মে ২০২১, ০২:২৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ফাইজার, মডার্না ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনাভাইরাসের টিকার প্রথম ডোজ দেওয়ার পাঁচ সপ্তাহ পর প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার হার ৮০ শতাংশ কমে যাওয়ার তথ্য এসেছে ইতালির এক গবেষণা প্রতিবেদনে।

ইতালির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ (আইএসএস) পরিচালিত ওই গবেষণার ফল শনিবার এক প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়। খবর রয়টার্সের।

গবেষণাটি চালানো হয়েছে দেশটির টিকাপ্রাপ্ত এক কোটি ৩৭ লাখ মানুষের ওপর। টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবে কতটা সুফল দিচ্ছে, তা জানতে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত কোনো দেশের প্রথম গবেষণা এটি।

বিজ্ঞানীরা ইতালিতে টিকাদান কর্মসূচি শুরুর প্রথম দিন ২৭ ডিসেম্বর ২০২০ থেকে ৩ মে ২০২১ পর্যন্ত সময়ের তথ্য পর্যালোচনা করেছেন। তাদের বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রাথমিক টিকাদানের প্রথম দুই সপ্তাহ পর করোনাভাইরাসের সংক্রমণ, এর কারণে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা এবং মৃত্যুর ঘটনা ক্রমান্বয়ে কমেছে।

আইএসএস বলছে, ইতালিতে টিকার প্রথম ডোজ দেওয়ার ৩৫ দিন পর সংক্রমণের হার ৮০ শতাংশ, হাসপাতালে ভর্তির হার ৯০ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ৯৫ শতাংশ কমেছে।

প্রাপ্তবয়স্ক নারী ও পুরুষ- সবার ক্ষেত্রেই একই ফল দেখা গেছে বলে জানানো হয়েছে ওই গবেষণা প্রতিবেদনে।

আইএসএসের সভাপতি সিলভিও ব্রুসাফেরো এক বিবৃতিতে বলেন, এই উপাত্ত টিকাদান কর্মসূচির কার্যকারিতা এবং সংকটের সমাপ্তি টানতে জনগণের বড় অংশকে দ্রুত টিকাদানের আওতায় আনার প্রয়োজনীয়তা প্রমাণ করেছে।

ইতালির এই গবেষণার নমুনায় থাকা প্রায় এক কোটি ৪০ লাখ মানুষের মধ্যে ৯৫ শতাংশ ফাইজার ও মডার্নার টিকা পেয়েছে এবং দুই ডোজ টিকাই নিয়েছে। তবে অ্যাস্ট্রাজেনেকার প্রথম ডোজ গ্রহণকারীদের কেউ দ্বিতীয় ডোজ পাননি।

শনিবার সকাল পর্যন্ত ৮৩ লাখ ইতালীয়কে পুরোপুরি টিকা দেওয়া হয়েছে, যা মোট জনসংখ্যার ১৪ শতাংশ। শুধু প্রথম ডোজ গ্রহণকারীর সংখ্যা এক কোটি ছাড়িয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস