ঈদে গ্রামে ফেরাদের ১৪ দিন পর ঢাকায় আসার অনুরোধ
jugantor
ঈদে গ্রামে ফেরাদের ১৪ দিন পর ঢাকায় আসার অনুরোধ

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৬ মে ২০২১, ১৬:২০:৫৪  |  অনলাইন সংস্করণ

ঈদের ছুটিতে যারা ঢাকা ছেড়েছেন তাদের ১৪ দিন পরে ফেরার অনুরোধ জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

রোববার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র নাজমুল ইসলাম ভার্চুয়াল বিফ্রিংয়ে এ অনুরোধ জানান।

তিনি বলেন, সরকার পরামর্শ দিয়েছিল আমরা যেন এবারের ঈদে নিজ নিজ অবস্থান ছেড়ে বাইরে চলে না যাই। কিন্তু আমরা দেখেছি, বড় সংখ্যক মানুষ এই পরামর্শ উপেক্ষা করেও নানাভাবে ঘরে ফেরার চেষ্টা করেছেন। সেখানে কিছু মর্মান্তিক দৃশ্য দেখেছি। যারা বাড়িতে গেছেন, এখনো অফিস খোলেনি। স্কুল-কলেজে দেরি করে ফিরলেও কোনো ক্ষতি হচ্ছে না, তারা অন্তত সাত থেকে ১৪ দিন দেরি করে ফিরে আসবেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র বলেন, যাদের ইতোমধ্যে উপসর্গ দেখা গেছে, তারা নিকটস্থ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বা জেলা সদর হাসপাতালে আরটি-পিসিআর পরীক্ষা অবশ্যই করিয়ে নেবেন। ফিরে আসার সময় শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতেই হবে। ভারত থেকে যারা আসছেন তাদের কাউকে কাউকে আমরা দেখেছি আইন অমান্য করে পালিয়ে যেতে। তারা এই কাজটি যেন না করেন। অন্যের জীবনকে যেন ঝুঁকির মুখে না ফেলেন। জেনেশুনে আমরা যেন নিজের দেশের ক্ষতির কারণ না হই।

এক প্রশ্নের জবাবে নাজমুল ইসলাম বলেন, ভারত থেকে যারা এসেছেন তাদের আমরা প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রেখেছি। যাদের উপসর্গ আছে তাদের নিয়মিত পরীক্ষা করছি। গত মাসে শেষ সপ্তাহে যে পরীক্ষাগুলো করা হয়েছিল, তাদের মধ্যে যাদের পজিটিভ পাওয়া গিয়েছিল, সেখান থেকে জিনোম সিকোয়েন্সে মাধ্যমে আমরা জানলাম, ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টকে আমরা চিহ্নিত করতে পেরেছি।

এদিকে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ে ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ রোধে চলমান সর্বাত্মক লকডাউন আরও এক সপ্তাহ বাড়িয়েছে সরকার।

লকডাউনের বিধিনিষেধ ২৩ মে পর্যন্ত বাড়ানোর প্রজ্ঞাপন রোববার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা হয়েছে।

এর আগে শনিবার লকডাউন বাড়ানোর প্রস্তাব অনুমোদন দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সকালে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানিয়েছিলেন, লকডাউন ১৭ মে থেকে ২৩ মে পর্যন্ত করা হচ্ছে।

ঈদে গ্রামে ফেরাদের ১৪ দিন পর ঢাকায় আসার অনুরোধ

 যুগান্তর ডেস্ক 
১৬ মে ২০২১, ০৪:২০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ঈদের ছুটিতে যারা ঢাকা ছেড়েছেন তাদের ১৪ দিন পরে ফেরার অনুরোধ জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। 

রোববার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র নাজমুল ইসলাম ভার্চুয়াল বিফ্রিংয়ে এ অনুরোধ জানান।

তিনি বলেন, সরকার পরামর্শ দিয়েছিল আমরা যেন এবারের ঈদে নিজ নিজ অবস্থান ছেড়ে বাইরে চলে না যাই। কিন্তু আমরা দেখেছি, বড় সংখ্যক মানুষ এই পরামর্শ উপেক্ষা করেও নানাভাবে ঘরে ফেরার চেষ্টা করেছেন। সেখানে কিছু মর্মান্তিক দৃশ্য দেখেছি। যারা বাড়িতে গেছেন, এখনো অফিস খোলেনি। স্কুল-কলেজে দেরি করে ফিরলেও কোনো ক্ষতি হচ্ছে না, তারা অন্তত সাত থেকে ১৪ দিন দেরি করে ফিরে আসবেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র বলেন, যাদের ইতোমধ্যে উপসর্গ দেখা গেছে, তারা নিকটস্থ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বা জেলা সদর হাসপাতালে আরটি-পিসিআর পরীক্ষা অবশ্যই করিয়ে নেবেন। ফিরে আসার সময় শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতেই হবে। ভারত থেকে যারা আসছেন তাদের কাউকে কাউকে আমরা দেখেছি আইন অমান্য করে পালিয়ে যেতে। তারা এই কাজটি যেন না করেন। অন্যের জীবনকে যেন ঝুঁকির মুখে না ফেলেন। জেনেশুনে আমরা যেন নিজের দেশের ক্ষতির কারণ না হই।

এক প্রশ্নের জবাবে  নাজমুল ইসলাম বলেন, ভারত থেকে যারা এসেছেন তাদের আমরা প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রেখেছি। যাদের উপসর্গ আছে তাদের নিয়মিত পরীক্ষা করছি। গত মাসে শেষ সপ্তাহে যে পরীক্ষাগুলো করা হয়েছিল, তাদের মধ্যে যাদের পজিটিভ পাওয়া গিয়েছিল, সেখান থেকে জিনোম সিকোয়েন্সে মাধ্যমে আমরা জানলাম, ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টকে আমরা চিহ্নিত করতে পেরেছি।

এদিকে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ে ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ রোধে চলমান সর্বাত্মক লকডাউন আরও এক সপ্তাহ বাড়িয়েছে সরকার।

লকডাউনের বিধিনিষেধ ২৩ মে পর্যন্ত বাড়ানোর প্রজ্ঞাপন রোববার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা হয়েছে।

এর আগে শনিবার লকডাউন বাড়ানোর প্রস্তাব অনুমোদন দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  সকালে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানিয়েছিলেন, লকডাউন ১৭ মে থেকে ২৩ মে পর্যন্ত করা হচ্ছে।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস