ঈদে ঢাকা ছেড়েছেন কোটি মানুষ, শনিবারেই ফিরলেন ৪ লাখ
jugantor
ঈদে ঢাকা ছেড়েছেন কোটি মানুষ, শনিবারেই ফিরলেন ৪ লাখ

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৭ মে ২০২১, ০০:৫৭:৪৩  |  অনলাইন সংস্করণ

ঈদ মানেই আনন্দ। আর পরিবার পরিজনদের নিয়ে ঈদ পালন করা সে আনন্দকে আরও বাড়িয়ে দেয় বহুগুণে। আর তাই ঈদের আগে পরিবারের সঙ্গে ঈদ পালন করতে ঢাকা ছাড়েন অনেকে। কিন্তু করোনার মৃত্যু ঝুঁকিতে লকডাউন ও দূরপাল্লার যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞার মধ্যে দলে দলে ঢাকা ত্যাগে ঝুকিটা আরও বেড়েছে।

এদিকে ঈদের আগে ১২ দিনে (গত ৪ মে থেকে ১৫ মে পর্যন্ত) ঢাকা ছেড়েছেন কোটি মানুষ। আর ঈদ শেষে শনিবার একদিনেই ঢাকায় ফিরেছেন ৪ লাখ মানুষ।

ঢাকা ছেড়ে যাওয়া এবং ফেরত আসা মানুষজনের মোবাইল সিমের হিসেবের ভিত্তিতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এ তথ্য জানিয়েছেন। গত ৪ থেকে ১৫ মে ঢাকা থেকে চলে যাওয়া এবং শুধু ১৫ মে ঢাকায় চলে আসার একটি পরিসংখ্যান ফেসবুকে তুলে ধরেছেন তিনি। এ হিসেবে একজন সিম ব্যবহারকারীকে ইউনিক ব্যবহারকারী হিসেবে ধরা হয়েছে।

মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার ফেসবুকে লিখেছেন, ‘৪ থেকে ১৫ মে অবধি ঢাকা ছেড়েছে তার পরিমাণ কোটি অতিক্রম করেছে। একই সঙ্গে ১৫ মে কতটা সিম ঢাকাফেরত তার পরিমাণও দিলাম। আগেও বলেছিলাম এখনও বলছি ঈদের নামে কতজন কী নিয়ে বাড়ি গেছেন আর কতজন কী নিয়ে ফেরত আসছেন তা ভবিষ্যতই বলতে পারবে। আল্লাহ রহম কর।’

মন্ত্রীর দেওয়া তথ্যানুযায়ী, ৪ থেকে ১৩ মে পর্যন্ত ৯ লাখ ২১ হাজার ৬৩৫ জন, ১৪ মে সাত লাখ ৯৯ হাজার ৩৮০ জন এবং ১৫ মে ঢাকা ছেড়েছেন আট লাখ ২৪ হাজার ৬৮২ জন সিমের মালিক। মোট ১২ দিনে ঢাকা ছেড়েছেন এক কোটি ছয় লাখ ৪৫ হাজার ৬৯৭ জন। আর শুধু ১৫ মে অর্থাৎ ঈদের ছুটি শেষে অফিস খোলার আগের দিন শনিবার ঢাকায় ফিরেছেন চার লাখ ১২ হাজার ৭৬৩ সিমের মালিক।

রোববার স্বাস্থ্য বুলেটিনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের (সিডিসি) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, যারা বাড়িতে গেছেন, এখনও অফিস খোলেনি, স্কুল-কলেজে দেরি করে ফিরলেও কোনো ক্ষতি হচ্ছে না, তারা অন্তত ৭ থেকে ১৪ দিন দেরি করে ঢাকায় ফিরবেন।

তিনি বলেন, সরকারের পরামর্শ ছিল আমরা যেন এবারের ঈদে নিজ নিজ অবস্থান ছেড়ে বাইরে না যাই। কিন্তু আমরা দেখেছি, বড় সংখ্যক মানুষ এ পরামর্শ উপেক্ষা করেও নানাভাবে ঘরে ফেরার চেষ্টা করেছেন। সেখানে কিছু মর্মান্তিক দৃশ্যও দেখেছি।

এদিকে যাদের এরই মধ্যে উপসর্গ দেখা গেছে, তারা কাছের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বা জেলা সদর হাসপাতালে আরটি-পিসিআর পরীক্ষা অবশ্যই করাতে হবে। ফিরে আসার সময় শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে বলেও জানান ডা. নাজমুল ইসলাম।

ঈদে ঢাকা ছেড়েছেন কোটি মানুষ, শনিবারেই ফিরলেন ৪ লাখ

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৭ মে ২০২১, ১২:৫৭ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ঈদ মানেই আনন্দ। আর পরিবার পরিজনদের নিয়ে ঈদ পালন করা সে আনন্দকে আরও বাড়িয়ে দেয় বহুগুণে। আর তাই ঈদের আগে পরিবারের সঙ্গে ঈদ পালন করতে ঢাকা ছাড়েন অনেকে। কিন্তু করোনার মৃত্যু ঝুঁকিতে লকডাউন ও দূরপাল্লার যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞার মধ্যে দলে দলে ঢাকা ত্যাগে ঝুকিটা আরও বেড়েছে।

এদিকে ঈদের আগে ১২ দিনে (গত ৪ মে থেকে ১৫ মে পর্যন্ত) ঢাকা ছেড়েছেন কোটি মানুষ। আর ঈদ শেষে শনিবার একদিনেই ঢাকায় ফিরেছেন ৪ লাখ মানুষ।

ঢাকা ছেড়ে যাওয়া এবং ফেরত আসা মানুষজনের মোবাইল সিমের হিসেবের ভিত্তিতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এ তথ্য জানিয়েছেন। গত ৪ থেকে ১৫ মে ঢাকা থেকে চলে যাওয়া এবং শুধু ১৫ মে ঢাকায় চলে আসার একটি পরিসংখ্যান ফেসবুকে তুলে ধরেছেন তিনি। এ হিসেবে একজন সিম ব্যবহারকারীকে ইউনিক ব্যবহারকারী হিসেবে ধরা হয়েছে।

মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার ফেসবুকে লিখেছেন, ‘৪ থেকে ১৫ মে অবধি ঢাকা ছেড়েছে তার পরিমাণ কোটি অতিক্রম করেছে। একই সঙ্গে ১৫ মে কতটা সিম ঢাকাফেরত তার পরিমাণও দিলাম। আগেও বলেছিলাম এখনও বলছি ঈদের নামে কতজন কী নিয়ে বাড়ি গেছেন আর কতজন কী নিয়ে ফেরত আসছেন তা ভবিষ্যতই বলতে পারবে। আল্লাহ রহম কর।’

মন্ত্রীর দেওয়া তথ্যানুযায়ী, ৪ থেকে ১৩ মে পর্যন্ত ৯ লাখ ২১ হাজার ৬৩৫ জন, ১৪ মে সাত লাখ ৯৯ হাজার ৩৮০ জন এবং ১৫ মে ঢাকা ছেড়েছেন আট লাখ ২৪ হাজার ৬৮২ জন সিমের মালিক। মোট ১২ দিনে ঢাকা ছেড়েছেন এক কোটি ছয় লাখ ৪৫ হাজার ৬৯৭ জন। আর শুধু ১৫ মে অর্থাৎ ঈদের ছুটি শেষে অফিস খোলার আগের দিন শনিবার ঢাকায় ফিরেছেন চার লাখ ১২ হাজার ৭৬৩ সিমের মালিক।

রোববার স্বাস্থ্য বুলেটিনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের (সিডিসি) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, যারা বাড়িতে গেছেন, এখনও অফিস খোলেনি, স্কুল-কলেজে দেরি করে ফিরলেও কোনো ক্ষতি হচ্ছে না, তারা অন্তত ৭ থেকে ১৪ দিন দেরি করে ঢাকায় ফিরবেন।

তিনি বলেন, সরকারের পরামর্শ ছিল আমরা যেন এবারের ঈদে নিজ নিজ অবস্থান ছেড়ে বাইরে না যাই। কিন্তু আমরা দেখেছি, বড় সংখ্যক মানুষ এ পরামর্শ উপেক্ষা করেও নানাভাবে ঘরে ফেরার চেষ্টা করেছেন। সেখানে কিছু মর্মান্তিক দৃশ্যও দেখেছি।

এদিকে যাদের এরই মধ্যে উপসর্গ দেখা গেছে, তারা কাছের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বা জেলা সদর হাসপাতালে আরটি-পিসিআর পরীক্ষা অবশ্যই করাতে হবে। ফিরে আসার সময় শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে বলেও জানান ডা. নাজমুল ইসলাম।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস