অনুমোদিত টিকা নিলে কুয়েতে আসা-যাওয়ায় বাধা নেই প্রবাসীদের
jugantor
অনুমোদিত টিকা নিলে কুয়েতে আসা-যাওয়ায় বাধা নেই প্রবাসীদের

  সাদেক রিপন, কুয়েত থেকে  

০১ জুন ২০২১, ১১:৫৯:৫২  |  অনলাইন সংস্করণ

কুয়েতে করোনার বিস্তার ঠেকাতে সময় উপযোগী গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে দেশটির সরকার।

স্থানীয় নাগরিক ও বিভিন্ন দেশের প্রবাসীদের সুরক্ষায় চারটি টিকার অনুমোদন দিয়েছে কুয়েত সরকার।

যাদের বৈধ আকামা রয়েছে এবং যারা ফাইজার, অক্সফোর্ড, জনসন ও মডার্নার টিকা গ্রহণ করবেন, তাদের কুয়েত প্রবেশ ও বাইরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে।

বাংলাদেশে ছুটিতে থাকা কুয়েত প্রবাসীরা নিজ নিজ কর্মস্থলে আসতে হলে অগ্রাধিকারভিত্তিতে এই টিকা প্রদানের সুযোগ দিতে হবে।

টিকা না নিলে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর থেকে আকামা নবায়ন হবে না প্রবাসীদের। স্থানীয় নাগরিক ও প্রবাসীদের টিকার আওতায় আনতে দেশটি বিভিন্ন অঞ্চলে টিকা দান কেন্দ্র চালু করেছে।

এ ছাড়া করোনার কারণে অনেক প্রবাসী আয়-রোজগার কমে যাওয়ায় অনেকেই আবার মানসিকভাবে অসুস্থতায় ভোগছেন। জরুরি প্রয়োজনে ছুটিতে দেশে গেলে তাদের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনের খরচ যাতে বাংলাদেশ সরকার বহন করে— এ দাবি জানান কুয়েত প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

ফেনীর দাগনভূঁইয়া এলাকা থেকে কুয়েতে আসা প্রবাসী বেলাল হোসেন বলেন, করোনার কারণে আমাদের কর্মঘণ্টা কমে গেছে, তাই কমে গেছে বেতনও। আর্থিক কষ্টের মধ্যে কোনোভাবে দিন কাটছে করোনাকালে। আমরা আমাদের কষ্টে অর্জিত অর্থ দেশে পাঠিয়ে দেশের উন্নয়ন ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে যাচ্ছি।

প্রবাসীদের এ বিপদের সময়ে সরকারের সহযোগিতা জরুরিভাবে প্রয়োজন, দেশে যারা ছুটিতে আছে, তাদের অগ্রাধিকারভিত্তিতে আগে কুয়েত সরকার অনুমোদিত টিকা দিতে হবে।

জরুরিভাবে দেশে যেতে চাইলে হোটেল বুকিং ছাড়া টিকিট হচ্ছে না। বাংলাদেশ সরকার যাতে এই প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনের খরচ বহন করে— এ দাবি কুয়েত প্রবাসীদের।

অনুমোদিত টিকা নিলে কুয়েতে আসা-যাওয়ায় বাধা নেই প্রবাসীদের

 সাদেক রিপন, কুয়েত থেকে 
০১ জুন ২০২১, ১১:৫৯ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুয়েতে করোনার বিস্তার ঠেকাতে সময় উপযোগী গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে দেশটির সরকার।

স্থানীয় নাগরিক ও বিভিন্ন দেশের প্রবাসীদের সুরক্ষায় চারটি টিকার অনুমোদন দিয়েছে কুয়েত সরকার।

যাদের বৈধ আকামা রয়েছে এবং যারা ফাইজার, অক্সফোর্ড, জনসন ও মডার্নার টিকা গ্রহণ করবেন, তাদের কুয়েত প্রবেশ ও বাইরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে।

বাংলাদেশে ছুটিতে থাকা কুয়েত প্রবাসীরা নিজ নিজ কর্মস্থলে আসতে হলে অগ্রাধিকারভিত্তিতে এই টিকা প্রদানের সুযোগ দিতে হবে।

টিকা না নিলে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর থেকে আকামা নবায়ন হবে না প্রবাসীদের। স্থানীয় নাগরিক ও প্রবাসীদের টিকার আওতায় আনতে দেশটি বিভিন্ন অঞ্চলে টিকা দান কেন্দ্র চালু করেছে।

এ ছাড়া করোনার কারণে অনেক প্রবাসী আয়-রোজগার কমে যাওয়ায় অনেকেই আবার মানসিকভাবে অসুস্থতায় ভোগছেন। জরুরি প্রয়োজনে ছুটিতে দেশে গেলে তাদের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনের খরচ যাতে বাংলাদেশ সরকার বহন করে— এ দাবি জানান কুয়েত প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

ফেনীর দাগনভূঁইয়া এলাকা থেকে কুয়েতে আসা প্রবাসী বেলাল হোসেন বলেন, করোনার কারণে আমাদের কর্মঘণ্টা কমে গেছে, তাই কমে গেছে বেতনও। আর্থিক কষ্টের মধ্যে কোনোভাবে দিন কাটছে করোনাকালে। আমরা আমাদের কষ্টে অর্জিত অর্থ দেশে পাঠিয়ে দেশের উন্নয়ন ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে যাচ্ছি।

প্রবাসীদের এ বিপদের সময়ে সরকারের সহযোগিতা জরুরিভাবে প্রয়োজন, দেশে যারা ছুটিতে আছে, তাদের অগ্রাধিকারভিত্তিতে আগে কুয়েত সরকার অনুমোদিত টিকা দিতে হবে।

জরুরিভাবে দেশে যেতে চাইলে হোটেল বুকিং ছাড়া টিকিট হচ্ছে না। বাংলাদেশ সরকার যাতে এই প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনের খরচ বহন করে— এ দাবি কুয়েত প্রবাসীদের।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস