১৪ দিনের লকডাউনে শেরপুর পৌরসভা 
jugantor
১৪ দিনের লকডাউনে শেরপুর পৌরসভা 

  শেরপুর প্রতিনিধি  

১১ জুন ২০২১, ১০:০৭:২০  |  অনলাইন সংস্করণ

শেরপুর পৌরসভা

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়েই যাওয়ায় শেরপুর পৌর এলাকায় ১৪ দিনের কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

কোভিট-১৯ সংক্রমণ প্রতিরোধ কমিটির এক জরুরি সভা বৃহস্পতিবার রাতে জেলা প্রশাসকের বাসভবন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

ওই সভায় করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১১ জুন সকাল ৬টা থেকে ২৪ জুন রাত ১২টা পর্যন্ত ১৪ দিনের কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

পরে রাত পৌনে ১২ টার দিকে জেলা প্রশাসক আনার কলি মাহবুব জরুরি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেন।

বিধিনিষেধের মধ্যে রয়েছে- করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তির বাসস্থান লকডাউনের আওতাভুক্ত থাকবে। আক্রান্ত ব্যক্তি ও তার পরিবারের সদস্যরা বাড়ির বাইরে যেতে পারবেন না।

সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক, বিয়ে, ধর্মীয় অনুষ্ঠান, জন্মদিন, পিকনিক স্পট, পর্যটন ও পার্ক বন্ধ থাকবে।

সকাল ৭টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকানপাট ও শপিংমল খোলা রাখা যাবে। তবে স্বাস্থ্যবিধি না মানলে দোকানপাট ও শপিংমল বন্ধ করে দেওয়া হবে।

জরুরি পরিসেবা ও প্রয়োজন ছাড়া কেউ সন্ধ্যা ৭টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত বাড়ির বাইরে অবস্থান করতে পারবেন না।
হোটেল ও রেস্তোরাঁয় কেউ বসে খেতে পারবেন না। শুধুমাত্র পার্সেল দিতে পারবেন।

সিএনজি, অটোরিকশা, রিকশা স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুধু দুজন যাত্রী বহন করতে পারবে। গণপরিবহনগুলো নির্ধারিত আসন সংখ্যার অর্ধেক যাত্রী নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচল করতে পারবে। আর সবাইকে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরতে হবে।

১৪ দিনের লকডাউনে শেরপুর পৌরসভা 

 শেরপুর প্রতিনিধি 
১১ জুন ২০২১, ১০:০৭ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
শেরপুর পৌরসভা
ছবি-যুগান্তর

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়েই যাওয়ায় শেরপুর পৌর এলাকায় ১৪ দিনের কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। 

কোভিট-১৯ সংক্রমণ প্রতিরোধ কমিটির এক জরুরি সভা বৃহস্পতিবার রাতে জেলা প্রশাসকের বাসভবন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। 

ওই সভায় করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১১ জুন সকাল ৬টা থেকে ২৪ জুন রাত ১২টা পর্যন্ত ১৪ দিনের কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। 

পরে রাত পৌনে ১২ টার দিকে জেলা প্রশাসক আনার কলি মাহবুব জরুরি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেন। 

বিধিনিষেধের মধ্যে রয়েছে- করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তির বাসস্থান লকডাউনের আওতাভুক্ত থাকবে। আক্রান্ত ব্যক্তি ও তার পরিবারের সদস্যরা বাড়ির বাইরে যেতে পারবেন না। 

সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক, বিয়ে, ধর্মীয় অনুষ্ঠান, জন্মদিন, পিকনিক স্পট, পর্যটন ও পার্ক বন্ধ থাকবে। 

সকাল ৭টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকানপাট ও শপিংমল খোলা রাখা যাবে। তবে স্বাস্থ্যবিধি না মানলে দোকানপাট ও শপিংমল বন্ধ করে দেওয়া হবে। 

জরুরি পরিসেবা ও প্রয়োজন ছাড়া কেউ সন্ধ্যা ৭টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত বাড়ির বাইরে অবস্থান করতে পারবেন না। 
হোটেল ও রেস্তোরাঁয় কেউ বসে খেতে পারবেন না। শুধুমাত্র পার্সেল দিতে পারবেন। 

সিএনজি, অটোরিকশা, রিকশা স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুধু দুজন যাত্রী বহন করতে পারবে।  গণপরিবহনগুলো নির্ধারিত আসন সংখ্যার অর্ধেক যাত্রী নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচল করতে পারবে। আর সবাইকে  বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরতে হবে। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস