‘করোনা অনেকটা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই’
jugantor
‘করোনা অনেকটা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই’

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৩ জুন ২০২১, ২১:৫৬:৩১  |  অনলাইন সংস্করণ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ)’র উপাচার্য ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেছেন, দেশের করোনাভাইরাস অনেকটা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও এ নিয়ে আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই। টিকা গ্রহণ, পরিষ্কার মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

তিনি বলেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে যারা সেরে উঠেছেন তাদের ফলোআপ চিকিৎসার আওতায় থাকা উচিত। বিশ্ববিদ্যালয়ে পোস্ট কোভিড ফলোআপ ক্লিনিক চালু রয়েছে। সেখানে তারা কোভিড ১৯ এ আক্রান্ত পরবর্তী জটিলতার চিকিৎসাসেবা নিতে পারেন।

রোববার বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের এ ব্লক মিলনায়তনে অনুুষ্ঠিত ‘কোভিড-১৯ কমপ্লিকেশনস ইনক্লুডিং ব্ল্যাক ফাঙ্গাস’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. একেএম মোশাররফ হোসেন। প্যানেল এক্সপার্ট ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, নিউরোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. আবু নাসের রিজভী, ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. তছলিম উদ্দিন, যুক্তরাজ্যের ইস্ট কেন্ট হসপিটালস ইউনিভার্সিটির নিউরো-রিহ্যাবিলিটেশন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সাকেল।

অচিরেই টিকা স্বল্পতা সমস্যার সমাধান হবে প্রত্যাশা করে বিএসএমএমইউ ভিসিবলেন, ভারতের ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট প্রতিরোধে লকডাউনের পাশাপাশি যারা ভারত থেকে আসছে তাদের অবশ্যই কোয়ারেন্টাইনে রাখতে হবে।

তিনি বলেন, করোনা আক্রান্ত রোগীদের নানা ধরণের জটিলতা দেখা যায়। বিশেষ করে যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, ক্যান্সারসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত এমন রোগীরা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তাদের জটিলতাও বেশি দেখা যাচ্ছে। কারো স্মৃতিশক্তি লোপ পায়, দৃষ্টি শক্তি হ্রাস পায়, কখনও নাক দিয়ে রক্ত পড়ে, দুই একজনের হলেও বর্তমানে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের সংক্রমণও পরিলক্ষিত হয়।

সেমিনারে জানানো হয়, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর যারা সেরে উঠছেন তাদের শরীরে নানা জটিলতা দেখা যাচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে নিউমোনিয়াসহ শ্বাসতন্ত্রের নানা জটিলতা, পালমোনারি এম্বলিজম, শরীর বা স্বাস্থ্য ভেঙ্গে যাওয়ার সাথে মানসিক অবসাদ, অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ, ডায়রিয়া, তীব্র মাত্রার মানসিক সমস্যা, ডায়াবেটিস জনিত সমস্যা, হার্ট এ্যাটাকসহ হৃদরোগ জনিত সমস্যা, কিডনি ফেলিউর, ব্রেন স্ট্রোকজনিত নানা জটিলতা, ব্ল্যাক ফাঙ্গাসসহ বিভিন্ন ধরণের ফাঙ্গাসের সংক্রমণজনিত জটিলতা ইত্যাদি। এছাড়া বিশ্বব্যাপী অনেক অজানা জটিলতাসমূহও ধরা পড়ছে। এ অবস্থায় রোগীদের জীবন বাঁচাতে দ্রুততার সাথে যথাযথ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা জরুরি।

এসিআই মটরস এর এম্বুলেন্স হস্তান্তর : এদিন বেলা দেড়টায় এসিআই মটরস বিশ্ববিদ্যালয়কে চীনের ফোটন এম্বুলেন্স হস্তান্তর করে। এসিআই মটরস্ এর পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী ড. ফা হ আনসারী এবং নির্বাহী পরিচালক সুব্রত রঞ্জন দাস এম্বুলেন্সটি উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদের কাছে হস্তান্তর করেন।

‘করোনা অনেকটা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই’

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৩ জুন ২০২১, ০৯:৫৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ)’র উপাচার্য ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেছেন, দেশের করোনাভাইরাস অনেকটা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও এ নিয়ে আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই। টিকা গ্রহণ, পরিষ্কার মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

তিনি বলেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে যারা সেরে উঠেছেন তাদের ফলোআপ চিকিৎসার আওতায় থাকা উচিত। বিশ্ববিদ্যালয়ে পোস্ট কোভিড ফলোআপ ক্লিনিক চালু রয়েছে। সেখানে তারা কোভিড ১৯ এ আক্রান্ত পরবর্তী জটিলতার চিকিৎসাসেবা নিতে পারেন। 

রোববার বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের এ ব্লক মিলনায়তনে অনুুষ্ঠিত ‘কোভিড-১৯ কমপ্লিকেশনস ইনক্লুডিং ব্ল্যাক ফাঙ্গাস’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। 

সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. একেএম মোশাররফ হোসেন। প্যানেল এক্সপার্ট ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, নিউরোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. আবু নাসের রিজভী, ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. তছলিম উদ্দিন, যুক্তরাজ্যের ইস্ট কেন্ট হসপিটালস ইউনিভার্সিটির নিউরো-রিহ্যাবিলিটেশন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সাকেল। 

অচিরেই টিকা স্বল্পতা সমস্যার সমাধান হবে প্রত্যাশা করে বিএসএমএমইউ ভিসি বলেন, ভারতের ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট প্রতিরোধে লকডাউনের পাশাপাশি যারা ভারত থেকে আসছে তাদের অবশ্যই কোয়ারেন্টাইনে রাখতে হবে।

তিনি বলেন, করোনা আক্রান্ত রোগীদের নানা ধরণের জটিলতা দেখা যায়। বিশেষ করে যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, ক্যান্সারসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত এমন রোগীরা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তাদের জটিলতাও বেশি দেখা যাচ্ছে। কারো স্মৃতিশক্তি লোপ পায়, দৃষ্টি শক্তি হ্রাস পায়, কখনও নাক দিয়ে রক্ত পড়ে, দুই একজনের হলেও বর্তমানে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের সংক্রমণও পরিলক্ষিত হয়। 

সেমিনারে জানানো হয়, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর যারা সেরে উঠছেন তাদের শরীরে নানা জটিলতা দেখা যাচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে নিউমোনিয়াসহ শ্বাসতন্ত্রের নানা জটিলতা, পালমোনারি এম্বলিজম, শরীর বা স্বাস্থ্য ভেঙ্গে যাওয়ার সাথে মানসিক অবসাদ, অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ, ডায়রিয়া, তীব্র মাত্রার মানসিক সমস্যা, ডায়াবেটিস জনিত সমস্যা, হার্ট এ্যাটাকসহ হৃদরোগ জনিত সমস্যা, কিডনি ফেলিউর, ব্রেন স্ট্রোকজনিত নানা জটিলতা, ব্ল্যাক ফাঙ্গাসসহ বিভিন্ন ধরণের ফাঙ্গাসের সংক্রমণজনিত জটিলতা ইত্যাদি। এছাড়া বিশ্বব্যাপী অনেক অজানা জটিলতাসমূহও ধরা পড়ছে। এ অবস্থায় রোগীদের জীবন বাঁচাতে দ্রুততার সাথে যথাযথ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা জরুরি।

এসিআই মটরস এর এম্বুলেন্স হস্তান্তর : এদিন বেলা দেড়টায় এসিআই মটরস বিশ্ববিদ্যালয়কে চীনের ফোটন এম্বুলেন্স হস্তান্তর করে। এসিআই মটরস্ এর পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী ড. ফা হ আনসারী এবং নির্বাহী পরিচালক সুব্রত রঞ্জন দাস এম্বুলেন্সটি উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদের কাছে হস্তান্তর করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন