ঠাকুরগাঁওয়ে কঠোর বিধিনিষেধ
jugantor
ঠাকুরগাঁওয়ে কঠোর বিধিনিষেধ

  ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি  

১৭ জুন ২০২১, ১৪:৫৫:০৫  |  অনলাইন সংস্করণ

লকডাউন

ঠাকুরগাঁওয়ে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় সব দোকানপাট বন্ধ রাখাসহ কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে করোনাভাইরাস প্রতিরোধসংক্রান্ত জেলা কমিটি। এ ছাড়া জেলার সাপ্তাহিক পশুর (গরু-ছাগল) হাট বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার থেকে আগামী ২৩ জুন পর্যন্ত এই আদেশ বলবত থাকবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক কেএম কামরুজ্জামান সেলিম।

বুধবার জেলা প্রশাসক সম্মেলনকক্ষে এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয় করোনাভাইরাস প্রতিরোধ সংক্রান্ত জেলা কমিটি।

এদিকে জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৪৭ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. নাদিরুল আজিজ চপল বলেন, জেলায় করোনাভাইরাস আক্রান্তের হার ৫০ দশমিক ৪ শতাংশ। জেলা সদর হাসপাতালে এখন ৬১ জন কোভিট-১৯ রোগী ভর্তি রয়েছেন।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানায়, প্রতিটি বাড়িতে দু’একজন করে সদস্য জ্বর, সর্দি ও কাশিতে আক্রান্ত হচ্ছেন। অনেকেই করোনা আক্রান্তের ভয়ে পল্লী চিকিৎসকদের পরামর্শে গোপনে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

হাসপাতালসহ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহির্বিভাগে, কমিউনিটি ক্লিনিকে রোগীর সংখ্যা অনেক বেড়েছে। যাদের অধিকাংশ জ্বর, সর্দি, কাশি ও নিউমোনিয়া। আক্রান্তদের মধ্যে শিশুদের সংখ্যা বেশি।

ঠাকুরগাঁও সিভিল সার্জন ডা. মাহফুজার রহমান সরকার বলেন, করোনাকালে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। সরকারি স্বাস্থ্যবিধি অবশ্যই মানতে হবে।

ঠাকুরগাঁওয়ে কঠোর বিধিনিষেধ

 ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি 
১৭ জুন ২০২১, ০২:৫৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
লকডাউন
ফাইল ছবি

ঠাকুরগাঁওয়ে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় সব দোকানপাট বন্ধ রাখাসহ কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে করোনাভাইরাস প্রতিরোধসংক্রান্ত জেলা কমিটি। এ ছাড়া জেলার সাপ্তাহিক পশুর (গরু-ছাগল) হাট বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার থেকে আগামী ২৩ জুন পর্যন্ত এই আদেশ বলবত থাকবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক কেএম কামরুজ্জামান সেলিম।

 বুধবার জেলা প্রশাসক সম্মেলনকক্ষে এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয় করোনাভাইরাস প্রতিরোধ সংক্রান্ত জেলা কমিটি।

এদিকে জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৪৭ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. নাদিরুল আজিজ চপল বলেন, জেলায় করোনাভাইরাস আক্রান্তের হার ৫০ দশমিক ৪ শতাংশ। জেলা সদর হাসপাতালে এখন ৬১ জন কোভিট-১৯  রোগী ভর্তি রয়েছেন।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানায়, প্রতিটি বাড়িতে দু’একজন করে সদস্য জ্বর, সর্দি ও কাশিতে আক্রান্ত হচ্ছেন। অনেকেই করোনা আক্রান্তের ভয়ে পল্লী চিকিৎসকদের পরামর্শে গোপনে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

হাসপাতালসহ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহির্বিভাগে, কমিউনিটি ক্লিনিকে রোগীর সংখ্যা অনেক বেড়েছে। যাদের অধিকাংশ জ্বর, সর্দি, কাশি ও নিউমোনিয়া। আক্রান্তদের মধ্যে শিশুদের সংখ্যা বেশি।

ঠাকুরগাঁও সিভিল সার্জন ডা. মাহফুজার রহমান সরকার বলেন, করোনাকালে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। সরকারি স্বাস্থ্যবিধি অবশ্যই মানতে হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন