করোনায় সিগারেটের চেয়ে ই-সিগারেট বেশি ক্ষতিকারক: গবেষণা
jugantor
করোনায় সিগারেটের চেয়ে ই-সিগারেট বেশি ক্ষতিকারক: গবেষণা

  লাইফস্টাইল ডেস্ক  

১৮ জুন ২০২১, ১১:৩১:৪৭  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনায় সিগারেটের চেয়ে ই-সিগারেট বেশি ক্ষতিকারক: গবেষণা

ধূমপায়ীদের করোনায় আক্রান্ত হলে মৃত্যুঝুঁকি বেশি। তাই বিশেষজ্ঞরা ধূমপান থেকে বিরত থাকতে বলেছেন।

ধূমপান বাদ দিয়ে অনেকেই নিচ্ছেন ই-সিগারেট। এটি ফুসফুসের জন্য কতটা ক্ষতিকারক?

গবেষণায় দেখা গেছে, ইউরোপ ও আমেরিকায় ১৮ বছরের বেশি বয়সের যারা নতুন ধূমপান করেন, তাদের মাঝে আসক্তির হার বেশি। অনেকের ধারণা, এটিতে থাকা নিকোটিন ফুসফুসে পৌঁছায় না বলে এটি স্বাস্থ্যের অতটাও ক্ষতি করে না। কিন্তু তাদের এ ধারণাটি ভুল। বরং কিছু ক্ষেত্রে এ ধরনের ই-সিগারেটে তামাকযুক্ত সিগারেটের তুলনায় বেশি ক্ষতি হয়ে থাকে বলে বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

‘জার্নাল অব অ্যাডোলেসেন্ট হেলথ’-এ ছাপা এক সমীক্ষায় বলা হয়েছে— ‘তামাকযুক্ত সিগারেট সেবনকারীদের তুলনায় ই-সিগারেট ব্যবহারকারীদের করোনা সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা বেশি এবং করোনাকালে সেটির মাত্রা বেশি হওযার আশঙ্কা অনেক’।

গবেষণা দলের সদস্য চিকিৎসক ফারিবা রেজায়ি জানান, ‘ই-সিগারেট ব্যবহারকারীদের পরবর্তী সময়ে ফুসফুসের সমস্যা আরও দীর্ঘস্থায়ী হয়’।

তিনি আরও বলেন, ‘সাধারণ সিগারেটে নিকোটিন থাকায় সেটি ফুসফুসে গিয়ে করোনার সমস্যা বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু ই-সিগারেট থেকে ভিটামিন ই'র বাষ্প তৈরি হয়। ভিটামিন 'ই' এমনিতে শরীরের উপকারে লাগলেও তার বাষ্প ফুসফুসের ক্ষতি করে। আর এটিই বিপদ ডেকে আনছে’।

এ ছাড়া সবার ধারণামতো ই-সিগারেটের ক্ষতি কম হওয়ায় সেটি যারা ব্যবহার করেন, তারা বেশি মাত্রাতে ব্যবহার করে থাকেন। এর কারণে ভেতরের ক্ষতি তো হচ্ছেই, তার পাশাপাশি বারবার মুখে হাত দেওয়ার ফলেও সংক্রমণও বাড়তে পারে। তাই ই-সিগারেট পরিহার করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার।

করোনায় সিগারেটের চেয়ে ই-সিগারেট বেশি ক্ষতিকারক: গবেষণা

 লাইফস্টাইল ডেস্ক 
১৮ জুন ২০২১, ১১:৩১ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
করোনায় সিগারেটের চেয়ে ই-সিগারেট বেশি ক্ষতিকারক: গবেষণা
ছবি: সংগৃহীত

ধূমপায়ীদের করোনায় আক্রান্ত হলে মৃত্যুঝুঁকি বেশি। তাই বিশেষজ্ঞরা ধূমপান থেকে বিরত থাকতে বলেছেন। 

ধূমপান বাদ দিয়ে অনেকেই নিচ্ছেন ই-সিগারেট। এটি ফুসফুসের জন্য কতটা ক্ষতিকারক?

গবেষণায় দেখা গেছে, ইউরোপ ও আমেরিকায় ১৮ বছরের বেশি বয়সের যারা নতুন ধূমপান করেন, তাদের মাঝে আসক্তির হার বেশি।  অনেকের ধারণা, এটিতে থাকা নিকোটিন ফুসফুসে পৌঁছায় না বলে এটি স্বাস্থ্যের অতটাও ক্ষতি করে না।  কিন্তু তাদের এ ধারণাটি ভুল।  বরং কিছু ক্ষেত্রে এ ধরনের ই-সিগারেটে তামাকযুক্ত সিগারেটের তুলনায় বেশি ক্ষতি হয়ে থাকে বলে বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

‘জার্নাল অব অ্যাডোলেসেন্ট হেলথ’-এ ছাপা এক সমীক্ষায় বলা হয়েছে— ‘তামাকযুক্ত সিগারেট সেবনকারীদের তুলনায় ই-সিগারেট ব্যবহারকারীদের করোনা সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা বেশি এবং করোনাকালে সেটির মাত্রা বেশি হওযার আশঙ্কা অনেক’। 

গবেষণা দলের সদস্য চিকিৎসক ফারিবা রেজায়ি জানান, ‘ই-সিগারেট ব্যবহারকারীদের পরবর্তী সময়ে ফুসফুসের সমস্যা আরও দীর্ঘস্থায়ী হয়’।

তিনি আরও বলেন, ‘সাধারণ সিগারেটে নিকোটিন থাকায় সেটি ফুসফুসে গিয়ে করোনার সমস্যা বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু ই-সিগারেট থেকে ভিটামিন ই'র বাষ্প তৈরি হয়। ভিটামিন 'ই' এমনিতে শরীরের উপকারে লাগলেও তার বাষ্প ফুসফুসের ক্ষতি করে। আর এটিই বিপদ ডেকে আনছে’।

এ ছাড়া সবার ধারণামতো ই-সিগারেটের ক্ষতি কম হওয়ায় সেটি যারা ব্যবহার করেন, তারা বেশি মাত্রাতে ব্যবহার করে থাকেন। এর কারণে ভেতরের ক্ষতি তো হচ্ছেই, তার পাশাপাশি বারবার মুখে হাত দেওয়ার ফলেও সংক্রমণও বাড়তে পারে। তাই ই-সিগারেট পরিহার করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন