টিকা সহজলভ্য করতে জাতিসংঘের প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আহ্বান
jugantor
টিকা সহজলভ্য করতে জাতিসংঘের প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আহ্বান

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৮ জুন ২০২১, ১৬:০৭:২২  |  অনলাইন সংস্করণ

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন করোনাভাইরাসের টিকা সবার জন্য সহজলভ্য করার উদ্যোগ নিতে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সংস্থার মহাসচিবের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এ আহ্বান জানান আবদুল মোমেন।

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, জি-সেভেন সম্মেলনে করোনাভাইরাসের টিকাকে ‘সবার জন্য’ ঘোষণা করায় জাতিসংঘ মহাসচিবকে ধন্যবাদ জানান মোমেন। জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিব সবার টিকাপ্রাপ্তির বিষয়ে জি-সেভেন সম্মেলনে তার নেওয়া উদ্যোগ এবং টিকা তৈরিতে বাংলাদেশের সক্ষমতার তথ্য উপস্থাপন করার কথা তুলে ধরেন।

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে জাতিসংঘ মহাসচিবের উদ্যোগ প্রয়োজন জানিয়ে মোমেন বলেন, মিয়ানমারের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমান্বয়ে খারাপ হচ্ছে। এ অবস্থায় মহাসচিবের ব্যক্তিগত উদ্যোগের বিশেষ প্রয়োজন।

মিয়ানমারের ১১ লাখের বেশি বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ায় জাতিসংঘ মহাসচিব বৈঠকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করেন।

তিনি বলেন, সবচেয়ে বড় শরণার্থী ক্যাম্প চালানোর যে উদারতা বাংলাদেশ দেখাচ্ছে তা কখনো বিশ্ব ভুলবে না।

মহাসচিবের সঙ্গে বৈঠকের পর জাতিসংঘের শান্তি রক্ষা ও রাজনৈতিক বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল রোজমেরি ডিকার্লোর সঙ্গেও বৈঠক করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। দুটি বৈঠকেই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা।

টিকা সহজলভ্য করতে জাতিসংঘের প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আহ্বান

 যুগান্তর ডেস্ক 
১৮ জুন ২০২১, ০৪:০৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন করোনাভাইরাসের টিকা সবার জন্য সহজলভ্য করার উদ্যোগ নিতে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সংস্থার মহাসচিবের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এ আহ্বান জানান আবদুল মোমেন।

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, জি-সেভেন সম্মেলনে করোনাভাইরাসের টিকাকে ‘সবার জন্য’ ঘোষণা করায় জাতিসংঘ মহাসচিবকে ধন্যবাদ জানান মোমেন। জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিব সবার টিকাপ্রাপ্তির বিষয়ে জি-সেভেন সম্মেলনে তার নেওয়া উদ্যোগ এবং টিকা তৈরিতে বাংলাদেশের সক্ষমতার তথ্য উপস্থাপন করার কথা তুলে ধরেন।

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে জাতিসংঘ মহাসচিবের উদ্যোগ প্রয়োজন জানিয়ে মোমেন বলেন, মিয়ানমারের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমান্বয়ে খারাপ হচ্ছে। এ অবস্থায় মহাসচিবের ব্যক্তিগত উদ্যোগের বিশেষ প্রয়োজন। 

মিয়ানমারের ১১ লাখের বেশি বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ায় জাতিসংঘ মহাসচিব বৈঠকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করেন।

তিনি বলেন, সবচেয়ে বড় শরণার্থী ক্যাম্প চালানোর যে উদারতা বাংলাদেশ দেখাচ্ছে তা কখনো বিশ্ব ভুলবে না।

মহাসচিবের সঙ্গে বৈঠকের পর জাতিসংঘের শান্তি রক্ষা ও রাজনৈতিক বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল রোজমেরি ডিকার্লোর সঙ্গেও বৈঠক করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। দুটি বৈঠকেই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন