ফাইজারের পঞ্চাশ কোটি ডোজ টিকা পাচ্ছে ভারত
jugantor
ফাইজারের পঞ্চাশ কোটি ডোজ টিকা পাচ্ছে ভারত

  অনলাইন ডেস্ক  

১৯ জুন ২০২১, ১৩:৪২:২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

আমেরিকার প্রথম দফার টিকা বণ্টনে ভারতের ভাগে পড়েছিল সামান্যই। কিন্তু এবার বছর শেষে ভারত পাচ্ছে ফাইজারের ৫০ কোটি ডোজ।

আমেরিকায় নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত তরণজিৎ সিংহ সান্ধু সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন।

করোনাভাইরাসের ভারতীয় নতুন ভ্যারিয়েন্ট ডেলটার (বি.১.৬১৭) বিরুদ্ধে ফাইজারের তৈরি কোভিড টিকা বেশ কার্যকর আমেরিকার ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থাটি সম্প্রতি এই দাবি করেছে ভারত সরকারের কাছে।

করোনাভাইরাসের এই নতুন প্রজাতিই ভারতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের জন্য দায়ী বলে মত বিশেষজ্ঞদের একটা বড় অংশের।

আমেরিকান ওই সংস্থা কেন্দ্রকে জানিয়েছে, ১২ বছরের ঊর্ধ্বে সবাইকে দেওয়ার জন্য তাদের তৈরি প্রতিষেধক উপযুক্ত। এটি ২ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় প্রায় এক মাস সংরক্ষণ করা যাবে বলেও জানানো হয়েছে।

এবার সেই প্রতিষেধক সুলভে ভারতে পাঠানোর জন্য সব রকম ব্যবস্থা করতে চলেছে বাইডেন প্রশাসন। ভারতীয় রাষ্ট্রদূত জানান, ফাইজারের ৫০ কোটি ডোজ ভারতের জন্য আসছে। চলতি বছরের শেষের দিকে ২০ কোটি এবং আগামী বছরের শুরুর দিকে ৩০ কোটি ডোজ ভারত পাবে।

তার দাবি, আগামী বছরের প্রথম দিকে শুধুমাত্র ফাইজারের প্রতিষেধকেই ভারতের ২৫ কোটি মানুষের টিকাদান সম্ভব।

এই বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে ভারতের জন্য আনুমানিক ২১৬ কোটি প্রতিষেধকের ডোজ তৈরি হওয়ার কথা। তার মধ্যে ৫৫ কোটি কোভ্যাক্সিন এবং ৭৫ কোটি কোভিশিল্ড থাকবে বলেই জানানো হয়েছে।

সেই সঙ্গে ক্যাডিলার ৫ কোটি, বায়োলজিক্যাল ই-র ৩০ কোটি, স্পুটনিকের প্রায় ১৬ কোটি প্রতিষেধক উৎপাদনের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

ফাইজার, মডার্না এবং জনসন অ্যান্ড জনসনের প্রতিষেধক পেতে সংস্থাগুলির সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে ভারত।

ফাইজারের পঞ্চাশ কোটি ডোজ টিকা পাচ্ছে ভারত

 অনলাইন ডেস্ক 
১৯ জুন ২০২১, ০১:৪২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

আমেরিকার প্রথম দফার টিকা বণ্টনে ভারতের ভাগে পড়েছিল সামান্যই। কিন্তু এবার বছর শেষে ভারত পাচ্ছে ফাইজারের ৫০ কোটি ডোজ।

আমেরিকায় নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত তরণজিৎ সিংহ সান্ধু সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন।

করোনাভাইরাসের ভারতীয় নতুন ভ্যারিয়েন্ট ডেলটার (বি.১.৬১৭) বিরুদ্ধে ফাইজারের তৈরি কোভিড টিকা বেশ কার্যকর আমেরিকার ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থাটি সম্প্রতি এই দাবি করেছে ভারত সরকারের কাছে।

করোনাভাইরাসের এই নতুন প্রজাতিই ভারতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের জন্য দায়ী বলে মত বিশেষজ্ঞদের একটা বড় অংশের।

আমেরিকান ওই সংস্থা কেন্দ্রকে জানিয়েছে, ১২ বছরের ঊর্ধ্বে সবাইকে দেওয়ার জন্য তাদের তৈরি প্রতিষেধক উপযুক্ত। এটি ২ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় প্রায় এক মাস সংরক্ষণ করা যাবে বলেও জানানো হয়েছে।

এবার সেই প্রতিষেধক সুলভে ভারতে পাঠানোর জন্য সব রকম ব্যবস্থা করতে চলেছে বাইডেন প্রশাসন। ভারতীয় রাষ্ট্রদূত জানান, ফাইজারের ৫০ কোটি ডোজ ভারতের জন্য আসছে।  চলতি বছরের শেষের দিকে ২০ কোটি এবং আগামী বছরের শুরুর দিকে ৩০ কোটি ডোজ ভারত পাবে।

তার দাবি, আগামী বছরের প্রথম দিকে শুধুমাত্র ফাইজারের প্রতিষেধকেই ভারতের ২৫ কোটি মানুষের টিকাদান সম্ভব।

এই বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে ভারতের জন্য আনুমানিক ২১৬ কোটি প্রতিষেধকের ডোজ তৈরি হওয়ার কথা। তার মধ্যে ৫৫ কোটি কোভ্যাক্সিন এবং ৭৫ কোটি কোভিশিল্ড থাকবে বলেই জানানো হয়েছে।

সেই সঙ্গে ক্যাডিলার ৫ কোটি, বায়োলজিক্যাল ই-র ৩০ কোটি, স্পুটনিকের প্রায় ১৬ কোটি প্রতিষেধক উৎপাদনের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

ফাইজার, মডার্না এবং জনসন অ্যান্ড জনসনের প্রতিষেধক পেতে সংস্থাগুলির সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে ভারত।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস