দুর্গাপুরে একই পরিবারের ৮ সদস্যসহ ১৪ জনের করোনা শনাক্ত
jugantor
দুর্গাপুরে একই পরিবারের ৮ সদস্যসহ ১৪ জনের করোনা শনাক্ত
গণবিজ্ঞপ্তি জারি

  দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি  

২১ জুন ২০২১, ১৪:৫৯:০০  |  অনলাইন সংস্করণ

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় একই পরিবারের আটজনসহ আরও ছয়জন করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এই ১৪ জনের মধ্যে শিশুসহ একই পরিবারের আটজন দুর্গাপুর উপজেলার চণ্ডিগড় ইউনিয়নের আলমপুর এলাকার।

অন্যরা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা। সোমবার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. তানজিরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, গত ১৬ জুন ওই পরিবারের মা ও মেয়ের নমুনা পরীক্ষায় কোভিড-১৯ ধরা পড়ে। পরে ২০ জুন ওই পরিবারের ৯ জনের নমুনা পরীক্ষাগারে পাঠানো হলে ছয় বছরের এক শিশুসহ আটজনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এ নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৩১ জনে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ রাজীব-উল-আহসান রাতেই কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেন।

এতে বলা হয়েছে— ওষুধের দোকান ব্যতীত সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সন্ধ্যা ৬টা ও অন্য এলাকায় সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে সব দোকানপাট বন্ধ করতে হবে।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাঁচাবাজার উন্মুক্ত স্থানে স্থানান্তর করে ক্রয়-বিক্রয় নিশ্চিত করতে হবে। এ বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে একাধিক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।

এ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাজীব-উল-আহসান বলেন, এ উপজেলায় নতুন করে করোনার প্রকোপ দেখা দেওয়ায় উপজেলার সব স্থানে সচেতনতামূলক মাইকিং ও মাস্ক বিতরণ অব্যাহত রেখেছি।

ইতোমধ্যে শহরের সব দোকানপাট সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত এবং সীমান্তবর্তী সব দোকানপাট সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আতঙ্কিত না হয়ে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি।

দুর্গাপুরে একই পরিবারের ৮ সদস্যসহ ১৪ জনের করোনা শনাক্ত

গণবিজ্ঞপ্তি জারি
 দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি 
২১ জুন ২০২১, ০২:৫৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় একই পরিবারের আটজনসহ আরও ছয়জন করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এই ১৪ জনের মধ্যে শিশুসহ একই পরিবারের আটজন দুর্গাপুর উপজেলার চণ্ডিগড় ইউনিয়নের আলমপুর এলাকার।

অন্যরা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা। সোমবার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. তানজিরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, গত ১৬ জুন ওই পরিবারের মা ও মেয়ের নমুনা পরীক্ষায় কোভিড-১৯ ধরা পড়ে। পরে ২০ জুন ওই পরিবারের ৯ জনের নমুনা পরীক্ষাগারে পাঠানো হলে ছয় বছরের এক শিশুসহ আটজনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এ নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৩১ জনে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ রাজীব-উল-আহসান রাতেই কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেন।

এতে বলা হয়েছে— ওষুধের দোকান ব্যতীত সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সন্ধ্যা ৬টা ও অন্য এলাকায় সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে সব দোকানপাট বন্ধ করতে হবে।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাঁচাবাজার উন্মুক্ত স্থানে স্থানান্তর করে ক্রয়-বিক্রয় নিশ্চিত করতে হবে। এ বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে একাধিক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।

এ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাজীব-উল-আহসান বলেন, এ উপজেলায় নতুন করে করোনার প্রকোপ দেখা দেওয়ায় উপজেলার সব স্থানে সচেতনতামূলক মাইকিং ও মাস্ক বিতরণ অব্যাহত রেখেছি।

ইতোমধ্যে শহরের সব দোকানপাট সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত এবং সীমান্তবর্তী সব দোকানপাট সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আতঙ্কিত না হয়ে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি।  

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন