আজ থেকে নতুন সময়সূচিতে ব্যাংক-শেয়ারবাজারের লেনদেন
jugantor
আজ থেকে নতুন সময়সূচিতে ব্যাংক-শেয়ারবাজারের লেনদেন

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৫ জুলাই ২০২১, ১০:৩০:০৪  |  অনলাইন সংস্করণ

কোভিড-১৯ ঊর্দ্বমুখী সংক্রমণের মধ্যেই চারদিন বন্ধ ছিল ব্যাংক-বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান। আজ থেকে নতুন সময়সূচিতে শুরু হচ্ছে লেনদেন।

মহামারির সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় গত বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে ৭ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার।

এই বিধিনিষেধের মধ্যে প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের না হওয়ার নির্দেশ দিয়ে গত বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। তবে ব্যাংক খোলা রাখার সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়।

এর প্রেক্ষিতে সপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবার ও শনিবারের সঙ্গে রোববার ব্যাংকের লেনদেন বন্ধ রেখে সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চার দিন ব্যাংক খোলার নির্দেশনা দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। আর ব্যাংকের লেনদেনের সময়সীমা কমিয়ে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত করা হয়।

সরকারের বিধিনিষেধের মধ্যে ব্যাংক খোলার এই নির্দেশনা আসলেও ব্যাংক হলিডের কারণে বৃহস্পতিবার ব্যাংকের লেনদেন বন্ধ ছিল। এতে টানা চারদিন বন্ধ থাকে ব্যাংক।

গত ৩০ জুন বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ব্যাংক খোলার নির্দেশনা দেওয়ার পরপরই পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) শেয়ারবাজারে লেনদেন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত জানায়।

ব্যাংকের লেনদেনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে সপ্তাহের চারদিন (সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার) শেয়ারবাজারের কার্যদিবস নির্ধারণ করা হয়। আর লেনদেনের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয় সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত।

শেয়ারবাজারে লেনদেন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও কোনো বিনিয়োগকারী সশরীরে কোনো প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হতে পারবে না বলে নির্দেশনা দিয়েছে বিএসইসি। নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শুধুমাত্র ডিজিটাল পদ্ধতিতে লেনদেন চালু থাকবে।

আজ থেকে নতুন সময়সূচিতে ব্যাংক-শেয়ারবাজারের লেনদেন

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৫ জুলাই ২০২১, ১০:৩০ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কোভিড-১৯ ঊর্দ্বমুখী সংক্রমণের মধ্যেই চারদিন বন্ধ ছিল ব্যাংক-বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান। আজ থেকে নতুন সময়সূচিতে শুরু হচ্ছে লেনদেন। 

মহামারির সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় গত বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে ৭ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার।

এই বিধিনিষেধের মধ্যে প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের না হওয়ার নির্দেশ দিয়ে গত বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। তবে ব্যাংক খোলা রাখার সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়।

এর প্রেক্ষিতে সপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবার ও শনিবারের সঙ্গে রোববার ব্যাংকের লেনদেন বন্ধ রেখে সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চার দিন ব্যাংক খোলার নির্দেশনা দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। আর ব্যাংকের লেনদেনের সময়সীমা কমিয়ে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত করা হয়।

সরকারের বিধিনিষেধের মধ্যে ব্যাংক খোলার এই নির্দেশনা আসলেও ব্যাংক হলিডের কারণে বৃহস্পতিবার ব্যাংকের লেনদেন বন্ধ ছিল। এতে টানা চারদিন বন্ধ থাকে ব্যাংক।

গত ৩০ জুন বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ব্যাংক খোলার নির্দেশনা দেওয়ার পরপরই পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) শেয়ারবাজারে লেনদেন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত জানায়।

ব্যাংকের লেনদেনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে সপ্তাহের চারদিন (সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার) শেয়ারবাজারের কার্যদিবস নির্ধারণ করা হয়। আর লেনদেনের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয় সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত।

শেয়ারবাজারে লেনদেন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও কোনো বিনিয়োগকারী সশরীরে কোনো প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হতে পারবে না বলে নির্দেশনা দিয়েছে বিএসইসি। নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শুধুমাত্র ডিজিটাল পদ্ধতিতে লেনদেন চালু থাকবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস

১৭ অক্টোবর, ২০২১