রংপুরে আরও ১৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৬৭৬
jugantor
রংপুরে আরও ১৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৬৭৬

  রংপুর ব্যুরো  

০৫ জুলাই ২০২১, ২৩:০১:৪০  |  অনলাইন সংস্করণ

রংপুর বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিভাগে একদিনে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যুর ঘটনা। এই সময়ে বিভাগে নতুন করে ৬৭৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

মৃত ১৫ জনের মধ্যে দিনাজপুর জেলার চারজন, রংপুরের তিনজন, ঠাকুরগাঁওয়ের তিনজন, লালমনিরহাটের দুইজনসহ পঞ্চগড়, নীলফামারী, কুড়িগ্রামও গাইবান্ধার একজন করে রয়েছেন। এনিয়ে পাঁচদিনে বিভাগে করোনায় প্রাণ হারাল ৬৩ জন।

সোমবার বিকালে রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. আবু মো. জাকিরুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, দিনাজপুরের ২৬৭, ঠাকুরগাঁওয়ের ১৩০, রংপুরের ৮৫, কুড়িগ্রামের ৪৮, পঞ্চগড়ের ৪৭, গাইবান্ধার ৩৭ জনসহ নীলফামারী ও লালমনিরহাট জেলার ৩১ জন করে রয়েছে। বিভাগে করোনা শনাক্তের হার ৩৪ দশমিক ২৩। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৩৩৪জন।

এদিকে স্বাস্থ্য পরিচালকের কার‌্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার বিভাগের আট জেলার ১ হাজার ৯৭৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এতে ৬৭৬ জন করোনা সংক্রমিত রোগী শনাক্ত হয়। একই সময়ে বিভাগের হিলি ও বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে আরও চারজন দেশে ফিরেছেন।

করোনাভাইরাস শনাক্তের শুরু থেকে রোববার পর্যন্ত রংপুর বিভাগে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৮৬৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এতে ২৮ হাজার ৯২৪ জন শনাক্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ৫৮২ জন।

এর মধ্যে দিনাজপুর জেলায় করোনাভাইরাসে ৯ হাজার ৩৫৪ জন আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা ২০৬ জনে রয়েছে। রংপুরে ৬ হাজার ৫৩৭ জন আক্রান্ত ও মৃত্যু হয়েছে ১১৮ জনের। ঠাকুরগাঁওয়ে ৩ হাজার ৮৬৫ জন আক্রান্ত ও ১০৩ জনের মৃত্যু, গাইবান্ধায় ২ হাজার ৩২৯ জন আক্রান্ত ও ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এছাড়া নীলফামারীতে ২ হাজার ৯ জন আক্রান্ত ও মৃত্যু ৩৯ জনের, কুড়িগ্রামে ১ হাজার ৯৬৮ জন আক্রান্ত ও ২৯ জনের মৃত্যু, লালমনিরহাটে ১ হাজার ৬৩৫ জন আক্রান্ত ও ৩২ জনের মৃত্যু এবং পঞ্চগড় জেলায় ১ হাজার ২২৭ জন আক্রান্ত ও ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডা. আবু মো. জাকিরুল ইসলাম। বর্তমান পরিস্থিতিতে বাধ্যতামূলক মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধ ও স্বাস্থ্যবিভাগের নির্দেশনা মেনে চলার বিকল্প নেই। অন্যথায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

রংপুরে আরও ১৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৬৭৬

 রংপুর ব্যুরো 
০৫ জুলাই ২০২১, ১১:০১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রংপুর বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিভাগে একদিনে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যুর ঘটনা। এই সময়ে বিভাগে নতুন করে ৬৭৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

মৃত ১৫ জনের মধ্যে দিনাজপুর জেলার চারজন, রংপুরের তিনজন, ঠাকুরগাঁওয়ের তিনজন, লালমনিরহাটের দুইজনসহ পঞ্চগড়, নীলফামারী, কুড়িগ্রামও গাইবান্ধার একজন করে রয়েছেন। এনিয়ে পাঁচদিনে বিভাগে করোনায় প্রাণ হারাল ৬৩ জন।

সোমবার বিকালে রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. আবু মো. জাকিরুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, দিনাজপুরের ২৬৭, ঠাকুরগাঁওয়ের ১৩০, রংপুরের ৮৫, কুড়িগ্রামের ৪৮, পঞ্চগড়ের ৪৭, গাইবান্ধার ৩৭ জনসহ নীলফামারী ও লালমনিরহাট জেলার ৩১ জন করে রয়েছে। বিভাগে করোনা শনাক্তের হার ৩৪ দশমিক ২৩। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৩৩৪জন।

এদিকে স্বাস্থ্য পরিচালকের কার‌্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার বিভাগের আট জেলার ১ হাজার ৯৭৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এতে ৬৭৬ জন করোনা সংক্রমিত রোগী শনাক্ত হয়। একই সময়ে বিভাগের হিলি ও বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে আরও চারজন দেশে ফিরেছেন।

করোনাভাইরাস শনাক্তের শুরু থেকে রোববার পর্যন্ত রংপুর বিভাগে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৮৬৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এতে ২৮ হাজার ৯২৪ জন শনাক্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ৫৮২ জন।

এর মধ্যে দিনাজপুর জেলায় করোনাভাইরাসে ৯ হাজার ৩৫৪ জন আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা ২০৬ জনে রয়েছে। রংপুরে ৬ হাজার ৫৩৭ জন আক্রান্ত ও মৃত্যু হয়েছে ১১৮ জনের। ঠাকুরগাঁওয়ে ৩ হাজার ৮৬৫ জন আক্রান্ত ও ১০৩ জনের মৃত্যু, গাইবান্ধায় ২ হাজার ৩২৯ জন আক্রান্ত ও ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এছাড়া নীলফামারীতে ২ হাজার ৯ জন আক্রান্ত ও মৃত্যু ৩৯ জনের, কুড়িগ্রামে ১ হাজার ৯৬৮ জন আক্রান্ত ও ২৯ জনের মৃত্যু, লালমনিরহাটে ১ হাজার ৬৩৫ জন আক্রান্ত ও ৩২ জনের মৃত্যু এবং পঞ্চগড় জেলায় ১ হাজার ২২৭ জন আক্রান্ত ও ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডা. আবু মো. জাকিরুল ইসলাম। বর্তমান পরিস্থিতিতে বাধ্যতামূলক মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধ ও স্বাস্থ্যবিভাগের নির্দেশনা মেনে চলার বিকল্প নেই। অন্যথায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১