ইন্দোনেশিয়ায় যে কারণে চীনের সিনোভ্যাক নিয়ে বিতর্ক
jugantor
ইন্দোনেশিয়ায় যে কারণে চীনের সিনোভ্যাক নিয়ে বিতর্ক

  অনলাইন ডেস্ক  

০৬ জুলাই ২০২১, ১৪:০৬:২২  |  অনলাইন সংস্করণ

ইন্দোনেশিয়ায় এ বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত কমপক্ষে ২০ চিকিৎসক এবং ১০ নার্স করোনায় মারা গেছেন।

ইন্দোনেশিয়ার ডাক্তার ও নার্স সমিতি বলছে, এদের সবাই চীনের তৈরি সিনোভ্যাক টিকা নিয়েছিলেন।খবর বিবিসির।

দুই ডোজ টিকা নিয়েও বেশ কয়েকজন স্বাস্থ্যকর্মীর মৃত্যুর পর সে দেশে দারুণ উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

করোনাভাইরাসের নতুন নতুন ভ্যারিয়েন্ট, বিশেষ করে ভারতে প্রথম শনাক্ত ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের বিপর্যস্ত ইন্দোনেশিয়ায় স্বাস্থ্যকর্মীদের এখন বুস্টার হিসেবে তৃতীয় ডোজ দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।


ইন্দোনেশিয়ায় এখন যেভাবে বিপজ্জনক মাত্রায় সংক্রমণ ও মৃত্যু বাড়ছে, তাতে অনেক বিশেষজ্ঞ পরামর্শ দিচ্ছেন দ্রুত যেন সব ডাক্তার, নার্স এবং অন্য স্বাস্থ্যকর্মীদের একটি বুস্টার ডোজ অর্থাৎ সিনোভ্যাকের তৃতীয় একটি ডোজ দেওয়া হয়।

ইন্দোনেশিয়ার ২৫ কোটি জনসংখ্যার মধ্যে আট শতাংশেরও কম লোক টিকা পেয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি নানা ধরনের করোনাভাইরাস বিশেষ করে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের প্রকোপে সংক্রমণের মাত্রা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে।

একই সঙ্গে সন্ত্রস্ত মানুষ টিকা নেওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে পড়েছেন। জাকার্তার এক শহরতলিতে একটি টিকা কেন্দ্রে শত শত মানুষ ভেতরে ঢোকার জন্য মরিয়া হয়ে ঠেলাঠেলি করতে দেখা গেছে। একজন রক্ষী তাদের ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করার অনুরোধ করছেন, কারণ ভেতরে কোনো জায়গা নেই।

কেন্দ্রের ভেতর স্থানীয় মেয়র আরিফ উইসমামসিয়া বলার চেষ্টা করলেন যে এখনও বহু মানুষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি রয়েছে। কারণ অনেকেই জানেন না যে, টিকা নিতে আসার আগে তাদের রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।

ডেণ্টার প্রকোপ বাড়ায় ইন্দোনেশিয়ায় অক্সিজেন সংকট বিপজ্জনক মাত্রায় পৌঁছেছে।

ইন্দোনেশিয়াতে বর্তমানে প্রতিদিন ২০ হাজারেরও বেশি নতুন কোভিড রোগী শনাক্ত হচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকারের এই হিসাবের চেয়ে প্রকৃত সংখ্যা অনেক বেশি। কারণ রাজধানী জাকার্তার বাইরে কোভিডের পরীক্ষার সুযোগ সীমিত।

তবে ভ্যাকসিন পেলেও চীনের তৈরি সিনোভ্যাক আসলে কতটা সুরক্ষা দিতে পারছে বা পারবে তা নিয়ে ইন্দোনেশিয়াতে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

দেশটিতে এ পর্যন্ত একমাত্র সিনোভ্যাকের তৈরি ভ্যাকসিনই দেওয়া হচ্ছে। ইন্দোনেশিয়ায় ফেব্রুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত কোভিডে ভুগে ৯৪৯ জন স্বাস্থ্যকর্মী মারা গেছেন। তাদের মধ্যে কমপক্ষে ২০ ডাক্তার এবং ১০ নার্সের সিনোভ্যাক ভ্যাকসিন নেওয়া ছিল।

ডাক্তাররা এ নিয়ে খোলাখুলি কথা বলতে চান না, কিন্তু তারা স্বীকার করেন— তারা নিরাপদ বোধ করছেন না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ফুসফুস বিশেষজ্ঞ জানান, সিনোভ্যাকের দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার এক মাস পর তিনি অ্যান্টিবডি পরীক্ষা করে দেখেন কোভিডের বিরুদ্ধে লড়াই করার কোনো সুরক্ষাই দেহে তৈরি হয়নি।

ইন্দোনেশিয়ায় যে কারণে চীনের সিনোভ্যাক নিয়ে বিতর্ক

 অনলাইন ডেস্ক 
০৬ জুলাই ২০২১, ০২:০৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ইন্দোনেশিয়ায় এ বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত কমপক্ষে ২০ চিকিৎসক এবং ১০ নার্স করোনায় মারা গেছেন।

ইন্দোনেশিয়ার ডাক্তার ও নার্স সমিতি বলছে, এদের সবাই চীনের তৈরি সিনোভ্যাক টিকা নিয়েছিলেন।খবর বিবিসির।

দুই ডোজ টিকা নিয়েও বেশ কয়েকজন স্বাস্থ্যকর্মীর মৃত্যুর পর সে দেশে দারুণ উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

করোনাভাইরাসের নতুন নতুন ভ্যারিয়েন্ট, বিশেষ করে ভারতে প্রথম শনাক্ত ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের বিপর্যস্ত ইন্দোনেশিয়ায় স্বাস্থ্যকর্মীদের এখন বুস্টার হিসেবে তৃতীয় ডোজ দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।


ইন্দোনেশিয়ায় এখন যেভাবে বিপজ্জনক মাত্রায় সংক্রমণ ও মৃত্যু বাড়ছে, তাতে অনেক বিশেষজ্ঞ পরামর্শ দিচ্ছেন দ্রুত যেন সব ডাক্তার, নার্স এবং অন্য স্বাস্থ্যকর্মীদের একটি বুস্টার ডোজ অর্থাৎ সিনোভ্যাকের তৃতীয় একটি ডোজ দেওয়া হয়।

ইন্দোনেশিয়ার ২৫ কোটি জনসংখ্যার মধ্যে আট শতাংশেরও কম লোক টিকা পেয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি নানা ধরনের করোনাভাইরাস বিশেষ করে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের প্রকোপে সংক্রমণের মাত্রা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে।

একই সঙ্গে সন্ত্রস্ত মানুষ টিকা নেওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে পড়েছেন। জাকার্তার এক শহরতলিতে একটি টিকা কেন্দ্রে শত শত মানুষ ভেতরে ঢোকার জন্য মরিয়া হয়ে ঠেলাঠেলি করতে দেখা গেছে। একজন রক্ষী তাদের ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করার অনুরোধ করছেন, কারণ ভেতরে কোনো জায়গা নেই।

কেন্দ্রের ভেতর স্থানীয় মেয়র আরিফ উইসমামসিয়া বলার চেষ্টা করলেন যে এখনও বহু মানুষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি রয়েছে। কারণ অনেকেই জানেন না যে, টিকা নিতে আসার আগে তাদের রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।

ডেণ্টার প্রকোপ বাড়ায় ইন্দোনেশিয়ায় অক্সিজেন সংকট বিপজ্জনক মাত্রায় পৌঁছেছে।

ইন্দোনেশিয়াতে বর্তমানে প্রতিদিন ২০ হাজারেরও বেশি নতুন কোভিড রোগী শনাক্ত হচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকারের এই হিসাবের চেয়ে প্রকৃত সংখ্যা অনেক বেশি। কারণ রাজধানী জাকার্তার বাইরে কোভিডের পরীক্ষার সুযোগ সীমিত।

তবে ভ্যাকসিন পেলেও চীনের তৈরি সিনোভ্যাক আসলে কতটা সুরক্ষা দিতে পারছে বা পারবে তা নিয়ে ইন্দোনেশিয়াতে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

দেশটিতে এ পর্যন্ত একমাত্র সিনোভ্যাকের তৈরি ভ্যাকসিনই দেওয়া হচ্ছে। ইন্দোনেশিয়ায় ফেব্রুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত কোভিডে ভুগে ৯৪৯ জন স্বাস্থ্যকর্মী মারা গেছেন। তাদের মধ্যে কমপক্ষে ২০ ডাক্তার এবং ১০ নার্সের সিনোভ্যাক ভ্যাকসিন নেওয়া ছিল।

ডাক্তাররা এ নিয়ে খোলাখুলি কথা বলতে চান না, কিন্তু তারা স্বীকার করেন— তারা নিরাপদ বোধ করছেন না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ফুসফুস বিশেষজ্ঞ জানান, সিনোভ্যাকের দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার এক মাস পর তিনি অ্যান্টিবডি পরীক্ষা করে দেখেন কোভিডের বিরুদ্ধে লড়াই করার কোনো সুরক্ষাই দেহে তৈরি হয়নি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন