করোনায় বরেণ্য চিত্রশিল্পী অরবিন্দ দাসগুপ্তের মৃত্যু
jugantor
করোনায় বরেণ্য চিত্রশিল্পী অরবিন্দ দাসগুপ্তের মৃত্যু

  সিলেট ব্যুরো  

১৮ জুলাই ২০২১, ১৮:২৭:৫৪  |  অনলাইন সংস্করণ

সিলেটের প্রবীণ চিত্রশিল্পী অরবিন্দ দাসগুপ্ত আর নেই। মহামারি করোনাভাইরাস প্রাণ নিল এই গুণী শিল্পীরও। রোববার সকাল ১০টা ২২ মিনিটে তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও এক ছেলেসহ অসংখ্য শিক্ষার্থী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। বিষয়টি যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছেন অরবিন্দ দাসের ছাত্র ও সিলেট আর্ট অ্যান্ড অটিস্টিক স্কুলের অধ্যক্ষ ইসমাইল গণি হিমন।

তিনি বলেন, স্যার আর আমাদের মাঝে নেই। সকাল ১০টা ২২ মিনিটে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। করোনার পাশাপাশি তিনি বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন। তাছাড়া স্যারের কিডনিতেও সমস্যা ছিল। রোববার বেলা ২টায় তার লাশ হাসপাতাল থেকে চালিবন্দর শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হবে জানিয়ে হিমন বলেন, সেখানে স্যারের শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।

এর আগে গত ২৫ জুন রাতে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ল্যাবে অরবিন্দ দাসগুপ্তের করোনা ধরা পড়ে। অক্সিজেনের মাত্রা হ্রাস ও ডায়াবেটিসের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় ২৭ জুন তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।

প্রচারবিমুখ অরবিন্দ দাসগুপ্ত ১৯৫৩ সালের মার্চ মাসে হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা স্বর্গীয় নরেন্দ্র চন্দ্র দাসগুপ্ত ও মাতা স্বর্গীয় কুমুদিনী দাসগুপ্ত। সিলেট শহরে বেড়ে ওঠা এই শিল্পী কিশোরীমোহন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে (তৎকালীন কিশোরীমোহন পাঠশালা) প্রাথমিক শিক্ষাজীবন শেষে দি এইডেড হাইস্কুল থেকে ১৯৬৮ সালে এসএসসি সমাপ্ত করেন।

পরে বাংলাদেশ চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয় (বর্তমান চারুকলা ইনস্টিটিউট) থেকে ফাইন আর্টসের ওপরে ব্যাচেলর ডিগ্রি নিয়ে মনযোগ দেন চিত্রকর্মে। অর্জন করেন জাতীয় পর্যায়সহ বেশ কিছু পুরস্কার। কিন্তু অরবিন্দ দাসগুপ্তের ভেতরে সুপ্ত রয়েছে একটি বাউলকবি মন। হঠাৎ করেই নিভৃতজীবন বেছে নেন তিনি। চলে আসেন সিলেটে। শিক্ষক হিসেবে শুরু করেন নতুন জীবন।

চিত্রশিল্পী অরবিন্দ দাসগুপ্ত মৃত্যুর আগপর্যন্ত নিরলসভাবে রুচির দুর্ভিক্ষ তাড়াতে আলোকবর্তিকার ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি সিলেট অঞ্চলে চিত্রকলায় কয়েকটি সফল প্রজন্মই দাঁড় করিয়েছিলেন।

করোনায় বরেণ্য চিত্রশিল্পী অরবিন্দ দাসগুপ্তের মৃত্যু

 সিলেট ব্যুরো 
১৮ জুলাই ২০২১, ০৬:২৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সিলেটের প্রবীণ চিত্রশিল্পী অরবিন্দ দাসগুপ্ত আর নেই। মহামারি করোনাভাইরাস প্রাণ নিল এই গুণী শিল্পীরও। রোববার সকাল ১০টা ২২ মিনিটে তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও এক ছেলেসহ অসংখ্য শিক্ষার্থী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। বিষয়টি যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছেন অরবিন্দ দাসের ছাত্র ও সিলেট আর্ট অ্যান্ড অটিস্টিক স্কুলের অধ্যক্ষ ইসমাইল গণি হিমন।

তিনি বলেন, স্যার আর আমাদের মাঝে নেই। সকাল ১০টা ২২ মিনিটে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। করোনার পাশাপাশি তিনি বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন। তাছাড়া স্যারের কিডনিতেও সমস্যা ছিল। রোববার বেলা ২টায় তার লাশ হাসপাতাল থেকে চালিবন্দর শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হবে জানিয়ে হিমন বলেন, সেখানে স্যারের শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।

এর আগে গত ২৫ জুন রাতে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ল্যাবে অরবিন্দ দাসগুপ্তের করোনা ধরা পড়ে। অক্সিজেনের মাত্রা হ্রাস ও ডায়াবেটিসের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় ২৭ জুন তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।

প্রচারবিমুখ অরবিন্দ দাসগুপ্ত ১৯৫৩ সালের মার্চ মাসে হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা স্বর্গীয় নরেন্দ্র চন্দ্র দাসগুপ্ত ও মাতা স্বর্গীয় কুমুদিনী দাসগুপ্ত। সিলেট শহরে বেড়ে ওঠা এই শিল্পী কিশোরীমোহন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে (তৎকালীন কিশোরীমোহন পাঠশালা) প্রাথমিক শিক্ষাজীবন শেষে দি এইডেড হাইস্কুল থেকে ১৯৬৮ সালে এসএসসি সমাপ্ত করেন।

পরে বাংলাদেশ চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয় (বর্তমান চারুকলা ইনস্টিটিউট) থেকে ফাইন আর্টসের ওপরে ব্যাচেলর ডিগ্রি নিয়ে মনযোগ দেন চিত্রকর্মে। অর্জন করেন জাতীয় পর্যায়সহ বেশ কিছু পুরস্কার। কিন্তু অরবিন্দ দাসগুপ্তের ভেতরে সুপ্ত রয়েছে একটি বাউলকবি মন। হঠাৎ করেই নিভৃতজীবন বেছে নেন তিনি। চলে আসেন সিলেটে। শিক্ষক হিসেবে শুরু করেন নতুন জীবন।

চিত্রশিল্পী অরবিন্দ দাসগুপ্ত মৃত্যুর আগপর্যন্ত নিরলসভাবে রুচির দুর্ভিক্ষ তাড়াতে আলোকবর্তিকার ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি সিলেট অঞ্চলে চিত্রকলায় কয়েকটি সফল প্রজন্মই দাঁড় করিয়েছিলেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস