‘আজকের পুলিশ নাছোড়বান্দা’
jugantor
‘আজকের পুলিশ নাছোড়বান্দা’

  গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি  

২৫ জুলাই ২০২১, ২১:৩৬:৪৩  |  অনলাইন সংস্করণ

কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে ময়মনসিংহের গৌরীপুরে পুলিশ অবস্থানে রয়েছে। অলি-গলি, বাজার, সড়ক সবখানেই পুলিশের সরব উপস্থিতি। রোববার পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অটোরিকশাচালক আব্দুল মজিদের উক্তি ‘আজকের পুলিশ নাছোড়বান্দা। কারও কথাই শুনছেন না।’

অলিগলিতেও হানা দিয়ে অযথা বেড়িয়ে আসা লোকজন নিয়ন্ত্রণে এসআই মো. সামছুল ইসলাম, মো. রফিজ উদ্দিনের নেতৃত্বে শহরের কালিপুর মধ্যম তরফ থেকে স্টেশন রোড পর্যন্ত সড়কে হানা দেয় পুলিশ। তাদের অভিযানে মুহূর্তেই শহরে অটোরিকশা, ভটভটি ও সিএনজি উধাও হয়ে যায়। নানা অজুহাতে বেরিয়ে আসা মোটরসাইকেলও আটক করা হয়।

করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ধাপের এ কঠোর লকডাউনেও সকাল থেকে আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে বেড়াতে ধুম পড়ে যায়। মিষ্টি দোকানগুলোতে ছিল উপচেপড়া ভিড়।

কোনাপাড়া গ্রামের অটোরিকশা চালক আব্দুল মজিদের সঙ্গে কথা হয় মাছ মহাল মোড়ে। তিনি বলেন, আজকে আর ভাড়া মারবো না, আজকের পুলিশ নাছোড়বান্দা। গাড়ি আটকালে ছাড়ে না। অলিগলিতে গিয়েও শান্তি নাই।

গৌরীপুর থানার এসআই মো. সামছুল ইসলাম বলেন, সরকারের দেয়া নির্দেশনা মোতাবেক কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নের জন্য অভিযান করছি। জরুরি কাজে বের হওয়া লোকজনের সমস্যা নেই। তবে তাদের সঙ্গে ঘুরতে, বেড়াতে আর উৎসব করতে বেরিয়ে আসা লোকজনকে বাসায় পাঠিয়ে দিচ্ছি।

তিনি জানান, পুলিশের অভিযানে আটককৃত মোটরসাইকেল চালকদের তাৎক্ষণিক ভ্রাম্যমাণ আদালতে সোপর্দ করা হয়। ইউএনও ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাসান মারুফের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন।

‘আজকের পুলিশ নাছোড়বান্দা’

 গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি 
২৫ জুলাই ২০২১, ০৯:৩৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে ময়মনসিংহের গৌরীপুরে পুলিশ অবস্থানে রয়েছে। অলি-গলি, বাজার, সড়ক সবখানেই পুলিশের সরব উপস্থিতি। রোববার পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অটোরিকশাচালক আব্দুল মজিদের উক্তি ‘আজকের পুলিশ নাছোড়বান্দা। কারও কথাই শুনছেন না।’

অলিগলিতেও হানা দিয়ে অযথা বেড়িয়ে আসা লোকজন নিয়ন্ত্রণে এসআই মো. সামছুল ইসলাম, মো. রফিজ উদ্দিনের নেতৃত্বে শহরের কালিপুর মধ্যম তরফ থেকে স্টেশন রোড পর্যন্ত সড়কে হানা দেয় পুলিশ। তাদের অভিযানে মুহূর্তেই শহরে অটোরিকশা, ভটভটি ও সিএনজি উধাও হয়ে যায়। নানা অজুহাতে বেরিয়ে আসা মোটরসাইকেলও আটক করা হয়।

করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ধাপের এ কঠোর লকডাউনেও সকাল থেকে আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে বেড়াতে ধুম পড়ে যায়। মিষ্টি দোকানগুলোতে ছিল উপচেপড়া ভিড়।

কোনাপাড়া গ্রামের অটোরিকশা চালক আব্দুল মজিদের সঙ্গে কথা হয় মাছ মহাল মোড়ে। তিনি বলেন, আজকে আর ভাড়া মারবো না, আজকের পুলিশ নাছোড়বান্দা। গাড়ি আটকালে ছাড়ে না। অলিগলিতে গিয়েও শান্তি নাই।

গৌরীপুর থানার এসআই মো. সামছুল ইসলাম বলেন, সরকারের দেয়া নির্দেশনা মোতাবেক কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নের জন্য অভিযান করছি। জরুরি কাজে বের হওয়া লোকজনের সমস্যা নেই। তবে তাদের সঙ্গে ঘুরতে, বেড়াতে আর উৎসব করতে বেরিয়ে আসা লোকজনকে বাসায় পাঠিয়ে দিচ্ছি।

তিনি জানান, পুলিশের অভিযানে আটককৃত মোটরসাইকেল চালকদের তাৎক্ষণিক ভ্রাম্যমাণ আদালতে সোপর্দ করা হয়। ইউএনও ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাসান মারুফের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন