সকালে ঢিলেঢালা, দুপুরে কঠোর লকডাউন
jugantor
সকালে ঢিলেঢালা, দুপুরে কঠোর লকডাউন

  যুগান্তর প্রতিবেদন, টাঙ্গাইল  

২৬ জুলাই ২০২১, ২২:৪৪:২৪  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ১৪ দিনের কঠোর লকডাউন সোমবার সকালে টাঙ্গাইলে ঢিলেঢালাভাবে পালন করা হয়েছে। শহরে দোকানপাট, রিকশা, সিএনজি, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, পিকআপ, ইজিবাইক দেদার চলাচল করেছে। এতে করোনা ঝুঁকি আরও বেড়ে যাচ্ছে।

সোমবার দুপুরে জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি, পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর শহরের নিরালা মোড়, পাঁচআনী বাজার, ছয়আনী বাজার, বটতলাসহ বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। তাদের উপস্থিত টের পেয়ে জনসাধারণ কঠোর লকডাউন মানতে শুরু করেন।

এছাড়াও কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, বিজিবি শহরের বিভিন্ন সড়কে শোডাউন করেন। এতে শহরের দোকানপাট, রিকশা, ভ্যান, ইজিবাইক চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

শহরের বটতলা, ডিস্ট্রিক গেট, বাসস্ট্যান্ড, কলেজগেট, নিরালার মোড়, শান্তিকুঞ্জ মোড় ও বিভিন্ন মার্কেটে সকাল ও দুপুরে ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।

টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর বলেন, পৌর এলাকায় কেউ সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুললে তার ট্রেড লাইসেন্স বাতিল করা হবে।

পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় বলেন, সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য পুলিশ মাঠে রয়েছে। কেউ নির্দেশ অমান্য করলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি বলেন, জেলার ১২টি উপজেলার পুলিশ, র্যাব, সেনাবাহিনী, বিজিবি, জনপ্রতিনিধিসহ সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। ৩৯ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছেন। সবার দায়িত্ব পালনের ফলে জেলায় করোনার মৃত্যুর হার কমে গেছে। আর কয়েকটা দিন কঠোর বিধিনিষেধ মানলে টাঙ্গাইল জেলা করোনামুক্ত হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

সকালে ঢিলেঢালা, দুপুরে কঠোর লকডাউন

 যুগান্তর প্রতিবেদন, টাঙ্গাইল 
২৬ জুলাই ২০২১, ১০:৪৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ১৪ দিনের কঠোর লকডাউন সোমবার সকালে টাঙ্গাইলে ঢিলেঢালাভাবে পালন করা হয়েছে। শহরে দোকানপাট, রিকশা, সিএনজি, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, পিকআপ, ইজিবাইক দেদার চলাচল করেছে। এতে করোনা ঝুঁকি আরও বেড়ে যাচ্ছে।

সোমবার দুপুরে জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি, পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর শহরের নিরালা মোড়, পাঁচআনী বাজার, ছয়আনী বাজার, বটতলাসহ বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। তাদের উপস্থিত টের পেয়ে জনসাধারণ কঠোর লকডাউন মানতে শুরু করেন।

এছাড়াও কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, বিজিবি শহরের বিভিন্ন সড়কে শোডাউন করেন। এতে শহরের দোকানপাট, রিকশা, ভ্যান, ইজিবাইক চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। 

শহরের বটতলা, ডিস্ট্রিক গেট, বাসস্ট্যান্ড, কলেজগেট, নিরালার মোড়, শান্তিকুঞ্জ মোড় ও বিভিন্ন মার্কেটে সকাল ও দুপুরে ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।

টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর বলেন, পৌর এলাকায় কেউ সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুললে তার ট্রেড লাইসেন্স বাতিল করা হবে।

পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় বলেন, সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য পুলিশ মাঠে রয়েছে। কেউ নির্দেশ অমান্য করলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি বলেন, জেলার ১২টি উপজেলার পুলিশ, র্যাব, সেনাবাহিনী, বিজিবি, জনপ্রতিনিধিসহ সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। ৩৯ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছেন। সবার দায়িত্ব পালনের ফলে জেলায় করোনার মৃত্যুর হার কমে গেছে। আর কয়েকটা দিন কঠোর বিধিনিষেধ মানলে টাঙ্গাইল জেলা করোনামুক্ত হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১