করোনা আমাকে ভিখারি করেছে, কেঁদে কেঁদে বললেন এক বাবা
jugantor
করোনা আমাকে ভিখারি করেছে, কেঁদে কেঁদে বললেন এক বাবা

  অনলাইন ডেস্ক  

২৭ জুলাই ২০২১, ১৫:৩১:১৮  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনায় পথের ভিখারি বানিয়েছে অনেক মানুষকে। তেমনি একজন ভারতের দিল্লির বাসিন্দা অনিল শর্মা।

চোখের সামনে ২৪ বছরের তরতাজা যুবক ছেলের করুণ পরিণতি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছিলেন না তিনি। খবর আলজাজিরার।

তাই একটি বেসরকারি হাসপাতালে ছেলে সৌরভকে ভর্তি করেছেন তিনি। কিন্তু গত দুই মাস ধরে ভ্যান্টিলেশনে থাকা ছেলের চিকিৎসার জন্য সহায় সম্বল সব কিছু বিক্রি করে হাসপাতালে ৫০ হাজার মাকিন ডলারের সমপরিমাণ অর্থ দিয়েছেন।

কেঁদে কেঁদে অনিল শর্মা সাংবাদিকদের বলেন, করোনার কারণে আজ আমি পথে বসে গেছি। আমার তরতাজা যুবক ছেলেটা আজ ভ্যান্টিলেশনে।

আমার যা কিছু ছিল তা দিয়েই গত দুই মাস ধরে ছেলের চিকিৎসার জন্য ব্যয় করেছি। আমার লাখ লাখ টাকা ঋণ হয়ে গেছে ছেলের চিকিৎসার খরচ মেটাতে।

নিজের জমানো টাকার পর বন্ধুবান্ধদের কাছ থেকে বিরাট অঙ্ক ধার নেন। এর পর তিনি ব্যাংক থেকেও ছেলের চিকিৎসার জন্য লোন তোলেন।

এখন তিনি একেবারেই নিঃস্ব। অনলাইনে সাহায্যের হাত পেতেছেন ছেলের চিকিৎসার জন্য। তার পরও এই বাবা চান তার ছেলে বেচে ফিরুক।

বিশাল ঋণের বোঝা আর ভ্যান্টিলেশনে চিকিৎসাধীন ছেলের চিন্তায় অনিল শর্মা ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে আছেন আকাশের দিকে, ঈশ্বর যেন একবার মুখ তুলে তার দিকে তাকান— এ আশায়।

করোনা আমাকে ভিখারি করেছে, কেঁদে কেঁদে বললেন এক বাবা

 অনলাইন ডেস্ক 
২৭ জুলাই ২০২১, ০৩:৩১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনায় পথের ভিখারি বানিয়েছে অনেক মানুষকে। তেমনি একজন ভারতের দিল্লির বাসিন্দা অনিল শর্মা।

চোখের সামনে ২৪ বছরের তরতাজা যুবক ছেলের করুণ পরিণতি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছিলেন না তিনি। খবর আলজাজিরার।

তাই একটি বেসরকারি হাসপাতালে ছেলে সৌরভকে ভর্তি করেছেন তিনি। কিন্তু গত দুই মাস ধরে ভ্যান্টিলেশনে থাকা ছেলের চিকিৎসার জন্য সহায় সম্বল সব কিছু বিক্রি করে হাসপাতালে ৫০ হাজার মাকিন ডলারের সমপরিমাণ অর্থ দিয়েছেন।

কেঁদে কেঁদে অনিল শর্মা সাংবাদিকদের বলেন, করোনার কারণে আজ আমি পথে বসে গেছি। আমার তরতাজা যুবক ছেলেটা আজ ভ্যান্টিলেশনে।

আমার যা কিছু ছিল তা দিয়েই গত দুই মাস ধরে ছেলের চিকিৎসার জন্য ব্যয় করেছি। আমার লাখ লাখ টাকা ঋণ হয়ে গেছে ছেলের চিকিৎসার খরচ মেটাতে।

নিজের জমানো টাকার পর বন্ধুবান্ধদের কাছ থেকে বিরাট অঙ্ক ধার নেন। এর পর তিনি ব্যাংক থেকেও ছেলের চিকিৎসার জন্য লোন তোলেন।

এখন তিনি একেবারেই নিঃস্ব। অনলাইনে সাহায্যের হাত পেতেছেন ছেলের চিকিৎসার জন্য। তার পরও এই বাবা চান তার ছেলে বেচে ফিরুক।

বিশাল ঋণের বোঝা আর ভ্যান্টিলেশনে চিকিৎসাধীন ছেলের চিন্তায় অনিল শর্মা ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে আছেন আকাশের দিকে, ঈশ্বর যেন একবার মুখ তুলে তার দিকে তাকান— এ আশায়।   
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস

২০ অক্টোবর, ২০২১
১৭ অক্টোবর, ২০২১