সর্বাত্মক লকডাউনের মধ্যেই সড়কে জনস্রোত 
jugantor
সর্বাত্মক লকডাউনের মধ্যেই সড়কে জনস্রোত 

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৮ জুলাই ২০২১, ১৫:৫০:৫০  |  অনলাইন সংস্করণ

সর্বাত্মক লকডাউনের মধ্যেই সড়কে জনস্রোত 

সরকার ঘোষিত সর্বাত্মক লকডাউনের ষষ্ঠ দিন আজ। বুধবার রাজধানীর সড়কগুলোতে যানবাহন ও মানুষের চলাচল আরও বেড়েছে। সড়কে যেন জনস্রোত সৃষ্টি হয়েছে। অনেকে ঈদের ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছেন। আবার অনেকে ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে ছুটছেন গন্তব্যের দিকে।

রাজধানীর সড়ক ও আশপাশে চলাচলকারীদের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করতে দেখা গেছে। অনেকের মুখে মাস্ক দেখা যায়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অনেককে আটক ও জরিমানা করেছেন।

বুধবার সকালে আজিমপুর ছাপড়া মসজিদ ও আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখা যায়, কেউ চায়ের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে চা খাচ্ছেন, আবার কেউ কাঁচাবাবাজারে ঘোরাঘুরি করে চলে যাচ্ছেন।

আগের দিনের তুলনায় এদিন কাঁচাবাজার, মাছ ও মুদি দোকানে লোকজনের চাপ বেড়েছে। প্রধান সড়কে মানুষের সঙ্গে যানবাহনের সংখ্যাও বেশি।

যৌক্তিক কারণ ছাড়া বের হওয়ায় আজিমপুর মোড়ে তিন যুবককে তিনশ টাকা জরিমানা করা হয়। একই এলাকায় মাস্ক না পরায় বাবা-মেয়েকে আটকে দেন সেনা সদস্যরা। পরে তারা ক্ষমা চেয়ে রক্ষা পান।

বিজয়নগর, ফকিরাপুল, নয়াপল্টন, শাহজাহানপুর, আরামবাগ, ডিআইটি এভিনিউ ঘুরে দেখা গেছে, বড় দোকানপাট বন্ধ থাকলেও, অলিগলিতে দোকান খোলা।

রাজধানীর আদাবর, শেখেরটেক, মোহাম্মদপুর শিয়া মসজিদ এলাকায় আগের চেয়ে মানুষের চলাচল বেশি দেখা গেছে বুধবার। বেড়েছে রিকশা ও ব্যক্তিগত গাড়ির চলাচল। দোকানপাটের শাটার অর্ধেক খোলা রেখে বেচাকেনা চলছে। বিভিন্ন গলিতে আগেরে চেয়ে ফেরিওয়ালাদের আনাগোনা বেড়েছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগের সদস্যরা বলছেন, সড়কে লোকজন ও যানবাহনের চাপ এতটাই যে সবাইকে ধরে ধরে বাইরে বের হওয়ার কারণ জিজ্ঞাসা করাটা কঠিন হয়ে পড়েছে।

তবে ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা বলছেন, তারা যাদের যাদের থামাচ্ছেন, তাদের মধ্যে কেউ বাইরে বের হওয়ার যৌক্তিক কারণ দেখাতে না পারলে অপরাধের মাত্রা বুঝে শাস্তির আওতায় আনা হচ্ছে।

সকালের দিকে রাজধানীর মালিবাগ, শান্তিনগর, কাকরাইল, মগবাজার, রামপুরা, বাড্ডা এলাকার সড়কে তুলনামূলক বেশি ব্যক্তিগত গাড়ি, খাদ্যসামগ্রী বহনকারী যানবাহন, মোটরসাইকেল, রিকশা চলাচল করতে দেখা গেছে। এসব সড়কের বিভিন্ন স্থানে রয়েছে পুলিশের তল্লাশিচৌকি।

সব ধরনের গণপরিবহন বন্ধ থাকায় বেশির ভাগ লোকজন রিকশায় করে যাতায়াত করছে। রিকশা না পেয়ে অনেককে হেঁটেও গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।

এদিকে রিকশাচালকেরা যাত্রীদের কাছ থেকে দুই থেকে তিন গুণ বেশি ভাড়া নিচ্ছেন।

সর্বাত্মক লকডাউনের মধ্যেই সড়কে জনস্রোত 

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৮ জুলাই ২০২১, ০৩:৫০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সর্বাত্মক লকডাউনের মধ্যেই সড়কে জনস্রোত 
ফাইল ছবি

সরকার ঘোষিত সর্বাত্মক লকডাউনের ষষ্ঠ দিন আজ। বুধবার রাজধানীর সড়কগুলোতে যানবাহন ও মানুষের চলাচল আরও বেড়েছে। সড়কে যেন জনস্রোত সৃষ্টি হয়েছে। অনেকে ঈদের ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছেন। আবার অনেকে ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে ছুটছেন গন্তব্যের দিকে।

রাজধানীর সড়ক ও আশপাশে চলাচলকারীদের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করতে দেখা গেছে। অনেকের মুখে মাস্ক দেখা যায়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অনেককে আটক ও জরিমানা করেছেন।

বুধবার সকালে আজিমপুর ছাপড়া মসজিদ ও আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখা যায়, কেউ চায়ের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে চা খাচ্ছেন, আবার কেউ কাঁচাবাবাজারে ঘোরাঘুরি করে চলে যাচ্ছেন।

আগের দিনের তুলনায় এদিন কাঁচাবাজার, মাছ ও মুদি দোকানে লোকজনের চাপ বেড়েছে। প্রধান সড়কে মানুষের সঙ্গে যানবাহনের সংখ্যাও বেশি।

যৌক্তিক কারণ ছাড়া বের হওয়ায় আজিমপুর মোড়ে তিন যুবককে তিনশ টাকা জরিমানা করা হয়। একই এলাকায় মাস্ক না পরায় বাবা-মেয়েকে আটকে দেন সেনা সদস্যরা। পরে তারা ক্ষমা চেয়ে রক্ষা পান।

বিজয়নগর, ফকিরাপুল, নয়াপল্টন, শাহজাহানপুর, আরামবাগ, ডিআইটি এভিনিউ ঘুরে দেখা গেছে, বড় দোকানপাট বন্ধ থাকলেও, অলিগলিতে দোকান খোলা।

রাজধানীর আদাবর, শেখেরটেক, মোহাম্মদপুর শিয়া মসজিদ এলাকায় আগের চেয়ে মানুষের চলাচল বেশি দেখা গেছে বুধবার। বেড়েছে রিকশা ও ব্যক্তিগত গাড়ির চলাচল। দোকানপাটের শাটার অর্ধেক খোলা রেখে বেচাকেনা চলছে। বিভিন্ন গলিতে আগেরে চেয়ে ফেরিওয়ালাদের আনাগোনা বেড়েছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগের সদস্যরা বলছেন, সড়কে লোকজন ও যানবাহনের চাপ এতটাই যে সবাইকে ধরে ধরে বাইরে বের হওয়ার কারণ জিজ্ঞাসা করাটা কঠিন হয়ে পড়েছে।

তবে ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা বলছেন, তারা যাদের যাদের থামাচ্ছেন, তাদের মধ্যে কেউ বাইরে বের হওয়ার যৌক্তিক কারণ দেখাতে না পারলে অপরাধের মাত্রা বুঝে শাস্তির আওতায় আনা হচ্ছে।

সকালের দিকে রাজধানীর মালিবাগ, শান্তিনগর, কাকরাইল, মগবাজার, রামপুরা, বাড্ডা এলাকার সড়কে তুলনামূলক বেশি ব্যক্তিগত গাড়ি, খাদ্যসামগ্রী বহনকারী যানবাহন, মোটরসাইকেল, রিকশা চলাচল করতে দেখা গেছে। এসব সড়কের বিভিন্ন স্থানে রয়েছে পুলিশের তল্লাশিচৌকি।

সব ধরনের গণপরিবহন বন্ধ থাকায় বেশির ভাগ লোকজন রিকশায় করে যাতায়াত করছে। রিকশা না পেয়ে অনেককে হেঁটেও গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে। 

এদিকে রিকশাচালকেরা যাত্রীদের কাছ থেকে দুই থেকে তিন গুণ বেশি ভাড়া নিচ্ছেন।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১