পরিবারের বন্ড নিয়ে আইসিইউতে মায়ের শয্যায় ছেলে, মায়ের মৃত্যু
jugantor
পরিবারের বন্ড নিয়ে আইসিইউতে মায়ের শয্যায় ছেলে, মায়ের মৃত্যু

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৯ জুলাই ২০২১, ১৫:২৬:৩৬  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনা

করোনায় আক্রান্ত মা (৬৫) চিকিৎসাধীন ছিলেন চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ)। করোনায় সংক্রমিত হয়ে তার ছেলের অবস্থাও গুরুতর হয়। তবে শয্যা খালি না থাকায় পরিবারের বন্ড নিয়ে কানন প্রভাকে আইসিইউ থেকে নামিয়ে নিয়ে তার শয্যা দেওয়া হয় ছেলে শিমুলকে। তবে এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মৃত্যু হয় মা কানন প্রভার।

বুধবার ভোরে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।

নগরের দেওয়ানবাজার সিঅ্যান্ডবি কলোনির বাসিন্দা মা কানন প্রভা।

হাসপাতালের কনসালট্যান্ট রাজদ্বীপ বিশ্বাস বলেন, শিমুলের কয়েক দিন আগে করোনায় আক্রান্ত কানন প্রভাকে জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

মা আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত ২২ জুলাই শিমুল করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। একপর্যায়ে শিমুলের আইসিইউ দরকার হয়। তখন শয্যা খালি ছিল না। পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুসারে মায়ের আইসিইউয়ের শয্যায় শিমুলকে তুলে দেওয়া হয়। পরে মা মারা যান।

হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক মো. আবদুর রব বলেন, শিমুলের আইসিইউ দরকার হলেও খালি না থাকায় দেওয়া সম্ভব হচ্ছিল না। আমরা নিরুপায়। পরিবার বন্ড দিয়ে কানন প্রভাকে আইসিইউ থেকে নামানো হয়। হাসপাতালের ১৬টি আইসিইউতে সংকটাপন্ন সবসময় রোগী থাকছে।

পরিবারের বন্ড নিয়ে আইসিইউতে মায়ের শয্যায় ছেলে, মায়ের মৃত্যু

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৯ জুলাই ২০২১, ০৩:২৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
করোনা
ফাইল ছবি

করোনায় আক্রান্ত মা (৬৫) চিকিৎসাধীন ছিলেন চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ)। করোনায় সংক্রমিত হয়ে তার ছেলের অবস্থাও গুরুতর হয়। তবে শয্যা খালি না থাকায় পরিবারের বন্ড নিয়ে কানন প্রভাকে আইসিইউ থেকে নামিয়ে নিয়ে তার শয্যা দেওয়া হয় ছেলে শিমুলকে। তবে এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মৃত্যু হয় মা কানন প্রভার।

বুধবার ভোরে  চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।

নগরের দেওয়ানবাজার সিঅ্যান্ডবি কলোনির বাসিন্দা মা কানন প্রভা।

হাসপাতালের কনসালট্যান্ট রাজদ্বীপ বিশ্বাস বলেন, শিমুলের কয়েক দিন আগে করোনায় আক্রান্ত কানন প্রভাকে জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

মা আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত ২২ জুলাই শিমুল করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। একপর্যায়ে শিমুলের আইসিইউ দরকার হয়। তখন শয্যা খালি ছিল না। পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুসারে মায়ের আইসিইউয়ের শয্যায় শিমুলকে তুলে দেওয়া হয়। পরে মা মারা যান।

হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক মো. আবদুর রব বলেন, শিমুলের আইসিইউ দরকার হলেও খালি না থাকায় দেওয়া সম্ভব হচ্ছিল না। আমরা নিরুপায়। পরিবার বন্ড দিয়ে কানন প্রভাকে আইসিইউ থেকে নামানো হয়। হাসপাতালের ১৬টি আইসিইউতে সংকটাপন্ন সবসময় রোগী থাকছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস