‘আর হাঁটবের পাইনে, পাওত ঠোসা পড়ছে’
jugantor
‘আর হাঁটবের পাইনে, পাওত ঠোসা পড়ছে’

  মদন মোহন ঘোষ, দেওয়ানগঞ্জ (জামালপুর)  

০১ আগস্ট ২০২১, ১৮:০৩:৪৪  |  অনলাইন সংস্করণ

‘ভাই আর হাঁটবের পাইনে পাওত ঠোসা পড়ছে; বাড়িত থিন বেড়ি হাডিয়ে গাইবান্দা ঘাঁটত এপাড়ত আসিয়া আবারও হাঁটপের নাকছি। বেটা-বেটি নিয়ে ঢাকায় যাউন লাগব গার্মেন্টস খুলছে’- কথাগুলো বলছিলেন গাইবান্ধা সাদুল্লাপুর থেকে আসা গার্মেন্টকর্মী আমেনা।

তিনি গাইবান্ধা থেকে কর্মস্থলে ঢাকায় ফিরছিলেন। জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ বাহাদুরাবাদ ঘাট থেকে ট্রাকে গাদাগাদি করে নারী-পুরুষ যাচ্ছে ঢাকায়। এখানে স্বাস্থ্যবিধির কোনো বালাই নেই, কর্মস্থলে ফেরা মানুষের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

রোববার দেওয়ানগঞ্জ বাহাদুরাবাদ ঘাটে সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়. ঢাকায় কর্মস্থলে ফেরার জন্য ইঞ্জিনচালিত ছোট-বড় নৌকায় গাদাগাদি করে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার নারী পুরুষ বাহাদুরাবাদ ঘাটে আসছেন। নৌকাগুলোতে ২-৩শ’ করে যাত্রী রয়েছেন। ওপাড় থেকে এপাড়ে নিয়মিত ভাড়া ২শ’ টাকা করে হলেও ওপাড়ে ঘাট ইজারাদাররা ৩-৪শ’ টাকা করে আদায় করছেন। এপাড় থেকে ছোট পিকআপ ট্রাক মাইক্রোবাস প্রাইভেটকারে ১ হাজার থেকে দেড় হাজার টাকা করে ঢাকায় নেওয়া হচ্ছে যাত্রীদের।

রংপুরের ঘোড়াঘাট থেকে আসা পোশাককর্মী মামুন জানান, সরকার গার্মেন্টস খোলার ঘোষণা আগে করলে আমাদের এত কষ্ট করে ঢাকায় যেতে হত না। ঘাট এলাকায় নৌকা পৌঁছামাত্র যে যার মতো হুমড়ি খেয়ে ট্রাকে উঠে ঢাকায় যাচ্ছে। স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই। ঘাটে পৌঁছে অনেক যাত্রীর টাকা-পয়সা হারিয়ে কান্না করতেও দেখা গেছে।

‘আর হাঁটবের পাইনে, পাওত ঠোসা পড়ছে’

 মদন মোহন ঘোষ, দেওয়ানগঞ্জ (জামালপুর) 
০১ আগস্ট ২০২১, ০৬:০৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

‘ভাই আর হাঁটবের পাইনে পাওত ঠোসা পড়ছে; বাড়িত থিন বেড়ি হাডিয়ে গাইবান্দা ঘাঁটত এপাড়ত আসিয়া আবারও হাঁটপের নাকছি। বেটা-বেটি নিয়ে ঢাকায় যাউন লাগব গার্মেন্টস খুলছে’- কথাগুলো বলছিলেন গাইবান্ধা সাদুল্লাপুর থেকে আসা গার্মেন্টকর্মী আমেনা।

তিনি গাইবান্ধা থেকে কর্মস্থলে ঢাকায় ফিরছিলেন। জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ বাহাদুরাবাদ ঘাট থেকে ট্রাকে গাদাগাদি করে নারী-পুরুষ যাচ্ছে ঢাকায়। এখানে স্বাস্থ্যবিধির কোনো বালাই নেই, কর্মস্থলে ফেরা মানুষের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। 

রোববার দেওয়ানগঞ্জ বাহাদুরাবাদ ঘাটে সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়. ঢাকায় কর্মস্থলে ফেরার জন্য ইঞ্জিনচালিত ছোট-বড় নৌকায় গাদাগাদি করে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার নারী পুরুষ বাহাদুরাবাদ ঘাটে আসছেন। নৌকাগুলোতে ২-৩শ’ করে যাত্রী রয়েছেন। ওপাড় থেকে এপাড়ে নিয়মিত ভাড়া ২শ’ টাকা করে হলেও ওপাড়ে ঘাট ইজারাদাররা ৩-৪শ’ টাকা করে আদায় করছেন। এপাড় থেকে ছোট পিকআপ ট্রাক মাইক্রোবাস প্রাইভেটকারে ১ হাজার থেকে দেড় হাজার টাকা করে ঢাকায় নেওয়া হচ্ছে যাত্রীদের।

রংপুরের ঘোড়াঘাট থেকে আসা পোশাককর্মী মামুন জানান, সরকার গার্মেন্টস খোলার ঘোষণা আগে করলে আমাদের এত কষ্ট করে ঢাকায় যেতে হত না। ঘাট এলাকায় নৌকা পৌঁছামাত্র যে যার মতো হুমড়ি খেয়ে ট্রাকে উঠে ঢাকায় যাচ্ছে। স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই। ঘাটে পৌঁছে অনেক যাত্রীর টাকা-পয়সা হারিয়ে কান্না করতেও দেখা গেছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস