সর্বাত্মক লকডাউন বাড়ছে কিনা সিদ্ধান্ত আজ 
jugantor
সর্বাত্মক লকডাউন বাড়ছে কিনা সিদ্ধান্ত আজ 

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৩ আগস্ট ২০২১, ০৯:০৭:০৬  |  অনলাইন সংস্করণ

সর্বাত্মক লকডাউন দিয়েও করোনার ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ ঠেকানো যাচ্ছে না। এমতাবস্থায় দেশব্যাপী কঠোর বিধি নিষেধ শেষ হচ্ছে ৫ আগস্ট। লকডাউন আরও বাড়ানোর সুপারিশ করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

লকডাউন বাড়বে কিনা সে বিষয়ে আজ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আজ বেলা ১১ টায় আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় তা চূড়ান্ত হবে বলে জানিয়েছে সরকারি সূত্র। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে অনলাইনে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

সভায় ১২ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী, ১৬ জন সচিব, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, পুলিশ মহাপরিদর্শক, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, আইইডিসিআর পরিচালকসহ সংশ্লিষ্টরা অংশ নেবেন।

সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত চিঠি সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, আজকের সভায় বিদ্যমান করোনা পরিস্থিতি ও স্বাস্থ্য অধিদপ্ততরের সুপারিশগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খ আলাপ আলোচনা করে করণীয় নির্ধারণের বিষয় চূড়ান্ত করে তা অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দফতরে পাঠানো হবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র ইঙ্গিত দিয়েছে, বৈঠক থেকে কিছু শর্ত শিথিল করে আরেক দফা বিধি-নিষিধ বাড়ানো হতে পারে। এর মেয়াদ হতে পারে কমপক্ষে আরও সাত দিন। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলে পরবর্তীতে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, ৫ আগস্টের পর আরও সাত দিনের জন্য লকডাউনের মেয়াদ বাড়লে সেক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি অফিস সীমিত পরিসরে খুলে দেওয়া হতে পারে। সীমিত পরিসরে চালু করা হতে পারে গণপরিবহণ। রপ্তানিমুখী শিল্প-কলকারখানা তো চালু করা হয়েছে, সেটি চালু থাকবে বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, বিদ্যমান পরিস্থিতিতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে চলমান লকডাউন আরও ১০ দিন বাড়ানোর সুপারিশ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

মার্চে দেশের করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়। এতে সংক্রমণ ও মৃত্যু বেড়ে যায়। মার্চের শুরু থেকে প্রথমে গণপরিবহন ও অফিস চালু রেখে লকডাউন দেওয়া হয়। পরে গত ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে ৭ দিনের কঠোর লকডাউন শুরু হয়। পরে ৬ দফা লকডাউন বা বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়ানো হয়। গত ২৩ মে থেকে ৩০ মে রোববার মধ্যরাত পর্যন্ত বিধিনিষেধ বাড়িয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এ সময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে আন্তঃজেলা বাস, লঞ্চ এবং ট্রেনসহ সব ধরনের গণপরিবহন চলার অনুমতি দেওয়া হয়। একইসঙ্গে হোটেল-রেস্তোরাঁগুলো আসন সংখ্যার অর্ধেক মানুষকে বসিয়ে সেবা দেওয়ার অনুমতি পায়।

ঈদে সপ্তাহ খানেক লকডাউন শিথিল ছিল। ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত কঠোর লকডাউন চলছে।

সর্বাত্মক লকডাউন বাড়ছে কিনা সিদ্ধান্ত আজ 

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৩ আগস্ট ২০২১, ০৯:০৭ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সর্বাত্মক লকডাউন দিয়েও করোনার ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ ঠেকানো যাচ্ছে না। এমতাবস্থায় দেশব্যাপী কঠোর বিধি নিষেধ শেষ হচ্ছে ৫ আগস্ট। লকডাউন আরও বাড়ানোর সুপারিশ করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। 

লকডাউন বাড়বে কিনা সে বিষয়ে আজ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আজ বেলা ১১ টায় আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় তা চূড়ান্ত হবে বলে জানিয়েছে সরকারি সূত্র। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে অনলাইনে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

সভায় ১২ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী, ১৬ জন সচিব, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, পুলিশ মহাপরিদর্শক, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, আইইডিসিআর পরিচালকসহ সংশ্লিষ্টরা অংশ নেবেন।

সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত চিঠি সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, আজকের সভায় বিদ্যমান করোনা পরিস্থিতি ও স্বাস্থ্য অধিদপ্ততরের সুপারিশগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খ আলাপ আলোচনা করে করণীয় নির্ধারণের বিষয় চূড়ান্ত করে তা অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দফতরে পাঠানো হবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র ইঙ্গিত দিয়েছে, বৈঠক থেকে কিছু শর্ত শিথিল করে আরেক দফা বিধি-নিষিধ বাড়ানো হতে পারে। এর মেয়াদ হতে পারে কমপক্ষে আরও সাত দিন। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলে পরবর্তীতে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, ৫ আগস্টের পর আরও সাত দিনের জন্য লকডাউনের মেয়াদ বাড়লে সেক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি অফিস সীমিত পরিসরে খুলে দেওয়া হতে পারে। সীমিত পরিসরে চালু করা হতে পারে গণপরিবহণ। রপ্তানিমুখী শিল্প-কলকারখানা তো চালু করা হয়েছে, সেটি চালু থাকবে বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, বিদ্যমান পরিস্থিতিতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে চলমান লকডাউন আরও ১০ দিন বাড়ানোর সুপারিশ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

মার্চে দেশের করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়।  এতে সংক্রমণ ও মৃত্যু বেড়ে যায়।  মার্চের শুরু থেকে প্রথমে গণপরিবহন ও অফিস চালু রেখে লকডাউন দেওয়া হয়।  পরে গত ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে ৭ দিনের কঠোর লকডাউন শুরু হয়। পরে ৬ দফা লকডাউন বা বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়ানো হয়।  গত ২৩ মে থেকে ৩০ মে রোববার মধ্যরাত পর্যন্ত বিধিনিষেধ বাড়িয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।  এ সময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে আন্তঃজেলা বাস, লঞ্চ এবং ট্রেনসহ সব ধরনের গণপরিবহন চলার অনুমতি দেওয়া হয়। একইসঙ্গে হোটেল-রেস্তোরাঁগুলো আসন সংখ্যার অর্ধেক মানুষকে বসিয়ে সেবা দেওয়ার অনুমতি পায়।

ঈদে সপ্তাহ খানেক লকডাউন শিথিল ছিল। ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত কঠোর লকডাউন চলছে।  

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস