দেশেই তৈরি হলো সাশ্রয়ী মূল্যের করোনা কিট
jugantor
দেশেই তৈরি হলো সাশ্রয়ী মূল্যের করোনা কিট

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৭ আগস্ট ২০২২, ১৪:৪৭:৪৭  |  অনলাইন সংস্করণ

সাশ্রয়ী মূল্যে করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ আরটিপিসিআর কিট তৈরি করছে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর)। এর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো দেশীয় কোনো প্রতিষ্ঠান করোনা শনাক্তে আরটিপিসিআর কিট তৈরি করল।

করোনা শনাক্তকরণে বাজারে প্রচলিত কিটের চেয়ে অধিক সাশ্রয়ী মূল্যে ১০ গুণ বেশি সক্ষমতার নতুন এই কিট। নতুন এই কিটে রোগের উপসর্গ প্রকাশের আগেই ভাইরাসের উপস্থিতি জানা যাবে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা।

রোববার রাজধানীর সায়েন্সল্যাবে প্রতিষ্ঠানটির মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

গবেষকরা জানান, করোনাভাইরাস ঘন ঘন তার জিনগত আচরণ পরিবর্তন ঘটাচ্ছে। ফলে বাজারে প্রচলিত আমদানি করা কিটে সংবেদনশীলতা ও নির্দিষ্টতা কম হচ্ছে, যা অনেক ক্ষেত্রে ভুল ফল দিতে পারে। এ ছাড়া এসব কিটে আমদানি খরচ অনেক বেশি। এ অবস্থায় বাংলাদেশ শিল্প গবেষণা পরিষদের (বিসিএসআইআর) নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় কিউআরটি-পিসিআর কিট আবিষ্কার করা হয়েছে। যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘বিসিএসআইআর-কোভিড কিট।’

তারা জানান, এই কিট আমদানি করা কিটের শনাক্তকরণ ক্ষমতার চেয়ে ১০ গুণ বেশি শক্তিশালী। এমনকি এ কিটে একেবারে ন্যূনতমসংখ্যক ভাইরাসকে শনাক্ত করা যাবে। তাই এই কিটে ভুল ফল দেওয়ার সম্ভাবনা তেমন নেই এবং ফল বিশ্লেষণ করা তুলনামূলক সহজ ও যথাযথ।

গবেষকেরা বলেন, বিসিএসআইআরের কিটে খরচ হবে মাত্র ২৫০ টাকা। যেখানে অন্যান্য আমদানি কিটে ব্যয় ৩০০০ থেকে ৩৫০০ টাকা খরচ হয়।

জানা যায়, বাংলাদেশে এ পর্যন্ত প্রায় ১ কোটি ৩১ লাখ ৫৮ হাজার ৭৬৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এই বিপুলসংখ্যক শনাক্তকরণ কিট সম্পূর্ণই আমদানি করতে হয়।

দেশেই তৈরি হলো সাশ্রয়ী মূল্যের করোনা কিট

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৭ আগস্ট ২০২২, ০২:৪৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সাশ্রয়ী মূল্যে করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ আরটিপিসিআর কিট তৈরি করছে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর)। এর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো দেশীয় কোনো প্রতিষ্ঠান করোনা শনাক্তে আরটিপিসিআর কিট তৈরি করল।

করোনা শনাক্তকরণে বাজারে প্রচলিত কিটের চেয়ে অধিক সাশ্রয়ী মূল্যে ১০ গুণ বেশি সক্ষমতার নতুন এই কিট। নতুন এই কিটে রোগের উপসর্গ প্রকাশের আগেই ভাইরাসের উপস্থিতি জানা যাবে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। 

রোববার রাজধানীর সায়েন্সল্যাবে প্রতিষ্ঠানটির মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

গবেষকরা জানান, করোনাভাইরাস ঘন ঘন তার জিনগত আচরণ পরিবর্তন ঘটাচ্ছে। ফলে বাজারে প্রচলিত আমদানি করা কিটে সংবেদনশীলতা ও নির্দিষ্টতা কম হচ্ছে, যা অনেক ক্ষেত্রে ভুল ফল দিতে পারে। এ ছাড়া এসব কিটে আমদানি খরচ অনেক বেশি। এ অবস্থায় বাংলাদেশ শিল্প গবেষণা পরিষদের (বিসিএসআইআর) নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় কিউআরটি-পিসিআর কিট আবিষ্কার করা হয়েছে। যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘বিসিএসআইআর-কোভিড কিট।’

তারা জানান, এই কিট আমদানি করা কিটের শনাক্তকরণ ক্ষমতার চেয়ে ১০ গুণ বেশি শক্তিশালী। এমনকি এ কিটে একেবারে ন্যূনতমসংখ্যক ভাইরাসকে শনাক্ত করা যাবে। তাই এই কিটে ভুল ফল দেওয়ার সম্ভাবনা তেমন নেই এবং ফল বিশ্লেষণ করা তুলনামূলক সহজ ও যথাযথ। 

গবেষকেরা বলেন, বিসিএসআইআরের কিটে খরচ হবে মাত্র ২৫০ টাকা। যেখানে অন্যান্য আমদানি কিটে ব্যয় ৩০০০ থেকে ৩৫০০ টাকা খরচ হয়। 

জানা যায়, বাংলাদেশে এ পর্যন্ত প্রায় ১ কোটি ৩১ লাখ ৫৮ হাজার ৭৬৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এই বিপুলসংখ্যক শনাক্তকরণ কিট সম্পূর্ণই আমদানি করতে হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন