বাংলাদেশে যেভাবে ক্লিনিক্যালি ডেড রোগীর কিডনি প্রতিস্থাপন হবে

  যুগান্তর ডেস্ক    ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৮:২৮ | অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশে যেভাবে ক্লিনিক্যালি ডেড রোগীর কিডনি প্রতিস্থাপন হবে
বাংলাদেশে যেভাবে ক্লিনিক্যালি ডেড রোগীর কিডনি প্রতিস্থাপন হবে। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো ক্লিনিক্যালি ডেড রোগীদের থেকে কিডনি প্রতিস্থাপন প্রক্রিয়া শুরু করতে যাচ্ছে। রোববার কিডনি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে পাঁচ সদস্যের একটি কিডনি বিশেষজ্ঞ দল ঢাকায় এসেছেন।

ওই বিশেষজ্ঞ দল ঢাকার পাঁচটি হাসপাতাল পরিদর্শন করবেন। জানা গেছে কোনো ক্লিনিক্যালি ডেড রোগী পাওয়া গেলে ওই দলটি দেশের কিডনি বিশেষজ্ঞদের নিয়ে তার কিডনি প্রতিস্থাপন করবে।

হাসপাতালগুলো হলো ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ), বারডেম, কিডনি ফাউন্ডেশন ও সিএমএইচ।

উপমহাদেশে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় ক্লিনিক্যালি ডেড রোগীদের থেকে কিডনি প্রতিস্থাপন আগে থেকেই হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা মনে করছেন, নতুন এই প্রক্রিয়া বাংলাদেশে চালু হলে অনেক কিডনি রোগীর জীবন বাঁচানো সম্ভব হবে।

সাধারণত দুইভাবে কিডনি প্রতিস্থাপন করা যায়। জীবিত মানুষের থেকে এবং ক্লিনিক্যালি ডেড বা ব্রেইন ডেড রোগীর থেকে।

তবে কিডনি রোগীর সংখ্যা বেশি থাকায় জীবিত দাতা বা লিভিং ট্রান্সপ্ল্যান্ট থেকে এ ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব নয়। এ কারণে ক্লিনিক্যালি ডেড বা ব্রেইন ডেড রোগীর কিডনি প্রতিস্থাপনের দিকে চিকিৎসকরা। ১৯৮২ সাল থেকে বাংলাদেশে এই লিভিং ট্রান্সপ্ল্যান্ট শুরু হয়।

মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন (সংশোধন) আইন-২০১৭ গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।

এ আইনানুযায়ী যদি চিকিৎসকরা কোনো রোগীকে ক্লিনিক্যালি ডেড ঘোষণা করেন এবং ওই রোগীর নিকটাত্মীয়রা যদি রোগীর অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অন্যকে দেয়ার লিখিত অনুমোদন দেন তাহলে ট্রান্সপ্লান্ট টিম ওই রোগীর শরীর থেকে কিডনি প্রতিস্থাপন করতে পারবে।

ব্রেইন ডেথ ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কোনো দাবিদার না থাকলে ঘোষণাকারী হাসপাতালের প্রশাসনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ প্রদানের অনুমতি দিতে পারবেন।

বাংলাদেশে কোরিয়া-কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট টিমের কো-অর্ডিনেটর ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রেজিস্ট্রার ডা. এএসএম তানিম আনোয়ার গণমাধ্যমকে বলেন, দেশে বছরে ৫০০০ কিডনির চাহিদা থাকলেও কিডনি মেলে মাত্র ১২০টি। এই নগণ্য সংখ্যক কিডনি প্রতিস্থাপন করা হতো জীবিত মানুষের শরীর থেকে। যাদের বেশিরভাগই রোগীর নিকট আত্মীয়।

তিনি বলেন, আর যারা কোনো দাতা পান না তাদের ধুকে ধুকে মরতে হয়। না হলে দেশের বাইরে বিপুল পরিমাণ টাকা খরচ করে চিকিৎসা করাতে হয়। সূত্র: বিবিসি বাংলা

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×