আইসিইউতে রোগীর জন্য বাড়তি কী কী সুবিধা থাকে?
jugantor
আইসিইউতে রোগীর জন্য বাড়তি কী কী সুবিধা থাকে?

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৮ জানুয়ারি ২০২০, ২০:১৪:৫৬  |  অনলাইন সংস্করণ

অনেক সময় রোগীর অবস্থা খুব ঝুঁকিপূর্ণ না হলেও মেজর সার্জারির পর রোগীকে আইসিইউতে রাখা হয়।

গুরুতর অসুস্থ রোগীকে সুস্থ করে তুলতে বেশিরভাগ সময়েই ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ) এ রাখা হয়।

রোগীর অবস্থা সঙ্কটজনক হলে আইসিউতে সবরকমের সাপোর্ট দিয়ে রোগীকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনাই এ ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য।

হাসপাতালের ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে রোগীর যাবতীয় শারীরিক সঙ্কটের মোকাবেলার জন্য নানা জীবনদায়ী ব্যবস্থা থাকে।

ক্রিটিক্যাল কেয়ারের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও নার্স ছাড়াও প্রত্যেক প্যারামেডিক্যাল স্টাফকেও বিশেষভাবে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। এরারোগীর ওপর সর্বক্ষণ নজর রাখেন। দরকার হলেই উপযুক্ত ব্যবস্থা নিয়ে সামাল দেন।

অনবরত হৃৎপিণ্ডের গতিবিধি, শরীরে অক্সিজেনের পরিমাণ, শ্বাস-প্রশ্বাসের অবস্থা, সবকিছু অনবরত পর্যবেক্ষণ করার পাশাপাশি কোনও রকম সমস্যা হলে সঙ্গে সঙ্গে সব রকমের সাপোর্ট দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

সঙ্কটাপন্ন রোগীদের বিপদমুক্ত করতে বিশেষ ব্যবস্থাযুক্ত ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটের নানান ভাগ আছে। যেমন, সদ্যোজাতদের ক্রিটিক্যাল কেয়ার ‘নিকু’ বা ‘এনআইসিইউ’।

সবে জন্মানো বাচ্চাদের অল্প ওজন থেকে শুরু করে নির্ধারিত সময়ের অনেক আগে জন্মানোসহ নানান শারীরিক ত্রুটি, শ্বাসকষ্ট, জন্ডিসসহ নানা সঙ্কটজনক পরিস্থিতি সামলে দেয়া যায়। শিশুদের জিন্যে ‘পিকু’ বা ‘পেডিয়াট্রিক ইনটেনসিভ কেয়ার’, ‘আইটিইউ’ বা ‘ইনটেনসিভ থেরাপি ইউনিট’, ‘সিসিইউ’ বা ‘ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট’, ‘আইসিসিইউ’ বা‘ইনটেনসিভ করোনারি কেয়ার ইউনিট’।

আইসিইউতে রোগীর জন্য বাড়তি কী কী সুবিধা থাকে?

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৮ জানুয়ারি ২০২০, ০৮:১৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

অনেক সময় রোগীর অবস্থা খুব ঝুঁকিপূর্ণ না হলেও মেজর সার্জারির পর রোগীকে আইসিইউতে রাখা হয়।

গুরুতর অসুস্থ রোগীকে সুস্থ করে তুলতে বেশিরভাগ সময়েই ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ) এ রাখা হয়।

রোগীর অবস্থা সঙ্কটজনক হলে আইসিউতে সবরকমের সাপোর্ট দিয়ে রোগীকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনাই এ ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য।

হাসপাতালের ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে রোগীর যাবতীয় শারীরিক সঙ্কটের মোকাবেলার জন্য নানা জীবনদায়ী ব্যবস্থা থাকে।

ক্রিটিক্যাল কেয়ারের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও নার্স ছাড়াও প্রত্যেক প্যারামেডিক্যাল স্টাফকেও বিশেষভাবে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। এরা রোগীর ওপর সর্বক্ষণ নজর রাখেন। দরকার হলেই উপযুক্ত ব্যবস্থা নিয়ে সামাল দেন।

অনবরত হৃৎপিণ্ডের গতিবিধি, শরীরে অক্সিজেনের পরিমাণ, শ্বাস-প্রশ্বাসের অবস্থা, সবকিছু অনবরত পর্যবেক্ষণ করার পাশাপাশি কোনও রকম সমস্যা হলে সঙ্গে সঙ্গে সব রকমের সাপোর্ট দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

সঙ্কটাপন্ন রোগীদের বিপদমুক্ত করতে বিশেষ ব্যবস্থাযুক্ত ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটের নানান ভাগ আছে। যেমন, সদ্যোজাতদের ক্রিটিক্যাল কেয়ার ‘নিকু’ বা ‘এনআইসিইউ’।

সবে জন্মানো বাচ্চাদের অল্প ওজন থেকে শুরু করে নির্ধারিত সময়ের অনেক আগে জন্মানোসহ নানান শারীরিক ত্রুটি, শ্বাসকষ্ট, জন্ডিসসহ নানা সঙ্কটজনক পরিস্থিতি সামলে দেয়া যায়। শিশুদের জিন্যে ‘পিকু’ বা ‘পেডিয়াট্রিক ইনটেনসিভ কেয়ার’, ‘আইটিইউ’ বা ‘ইনটেনসিভ থেরাপি ইউনিট’, ‘সিসিইউ’ বা ‘ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট’, ‘আইসিসিইউ’ বা‘ইনটেনসিভ করোনারি কেয়ার ইউনিট’।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন