ইউনানি বোর্ডে সদস্য নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ
jugantor
ইউনানি বোর্ডে সদস্য নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ

  সংবাদ বিজ্ঞপ্তি  

০১ মার্চ ২০২১, ১৫:০৬:৫৬  |  অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশ ইউনানি আয়ুর্বেদিক বোর্ডের ২০২০ সালের সদস্য নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বাংলাদেশ ইউনানি আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক ঐক্য পরিষদের নেতারা অভিযোগ করে বলেন, সদস্য নির্বাচনে দুর্নীতি-জালিয়াতি এমনকি মৃত ব্যক্তি ও প্রবাসীদের ভোট নেওয়া হয়েছে।
রোববার রাজধানীর সেগুনবাগিচার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে সাত বিভাগের ১২ প্রার্থীর পক্ষে কবিরাজ মোস্তফা নওশাদ জাকীর লিখিত বক্তব্যে এই অভিযোগ করা হয়। হাকিম আব্দুল হাই, হাকিম আক্তার হোসেন, হাকিম মিয়া ফয়েজ, হাকিম রেজাউল করিমসহ বিভাগীয় নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ইউনানি আয়ুর্বেদিক বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্টার অতিরিক্ত সচিব মিজানুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, অভিযোগের বিষয়ে তাদের কাছে তালিকা চাওয়া হয়েছিল। ওই তালিকার ভিত্তিতে তাদের বাতিল করা হয়েছে। আর একাধিক ভোটার যেগুলো ছিল, তাদের দুটি গ্রুপের মধ্যে একটি রেখে অন্যটি বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ ইউনানি আয়ুর্বেদিক বোর্ডের পরিচালনা পর্ষদ প্রতি পাঁচ বছর অন্তর অন্তর রেজিস্ট্রার্ড ইউনানি আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকদের ভোটে নির্বাচিত হয়। প্রতি বিভাগ থেকে একজন ইউনানি ও একজন আয়ুর্বেদিক সদস্য নির্বাচিত হয়। ভোটারদের কাছে ফেরত খামসহ ডাকযোগে ব্যালট পেপার পাঠানো হয়। আর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পোস্ট অফিসের মাধ্যমে পচ্ছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে থাকেন, যা গত ৭-২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলে। আর ২৫ ফেব্রুয়ারি ভোট গণনা করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভোটারদের কাছে ব্যালট পেপার পৌঁছানো এবং ব্যালট পেপারটি ফিরতি খামে বোর্ডে পৌঁছানো শতভাগ সম্ভব হয়নি। এর কারণ ২৫ তারিখের পরও অনেক ভোটার ব্যালট পেপার পায়নি। আবার ২৪ তারিখের আগে অনেকে পেলেও তাদের ব্যালটসহ ফিরতি খাম নির্ধাধিত সময়ে পৌঁছেনি। আবার ভোট গণনায় অস্বচ্ছতার মধ্যে বোর্ডে সিসি ক্যামেরা থাকলেও যেখানে গণনা করা হয়েছে, সেখানে সিসি ক্যামেরা ছিল না। আবার ভ্যালট পেপার বোর্ডের কোনো কর্মচারী বা কোনো কর্মকর্তা রিসিভ করেছেন বা ভোট বাক্সে খামগুলো কে রেখেছেন তার কোনো স্পষ্ট উল্লেখ নেই।
আবার অনেক এলাকায় মৃত ব্যক্তিকে ভোটার দেখানো হয়েছে এবং ভোট সংগ্রহ করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, বিদেশে অবস্থানকারী অনেকের ভোট দেশের ঠিকানা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে, যা জালিয়াতি ও অনিয়ম। তার প্রমাণ হিসেবে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, হাকিম মো. নুরু মুত্তাকিন আমেরিকা প্রবাসী হলেও তার ভোট কাস্ট দেখানো হয়েছে। আর হাকিম কাওসার আহমদ মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসে থাকলেও তার ভোট কাস্ট করা হয়েছে। আবার আটজন মৃত ব্যক্তির ভোট কাস্ট করা হয়েছে।

ইউনানি বোর্ডে সদস্য নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ

 সংবাদ বিজ্ঞপ্তি 
০১ মার্চ ২০২১, ০৩:০৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশ ইউনানি আয়ুর্বেদিক বোর্ডের ২০২০ সালের সদস্য নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বাংলাদেশ ইউনানি আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক ঐক্য পরিষদের নেতারা অভিযোগ করে বলেন, সদস্য নির্বাচনে দুর্নীতি-জালিয়াতি এমনকি মৃত ব্যক্তি ও প্রবাসীদের ভোট নেওয়া হয়েছে।
রোববার রাজধানীর সেগুনবাগিচার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে সাত বিভাগের ১২ প্রার্থীর পক্ষে কবিরাজ মোস্তফা নওশাদ জাকীর লিখিত বক্তব্যে এই অভিযোগ করা হয়। হাকিম আব্দুল হাই, হাকিম আক্তার হোসেন, হাকিম মিয়া ফয়েজ, হাকিম রেজাউল করিমসহ বিভাগীয় নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ইউনানি আয়ুর্বেদিক বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্টার অতিরিক্ত সচিব মিজানুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, অভিযোগের বিষয়ে তাদের কাছে তালিকা চাওয়া হয়েছিল। ওই তালিকার ভিত্তিতে তাদের বাতিল করা হয়েছে। আর একাধিক ভোটার যেগুলো ছিল, তাদের দুটি গ্রুপের মধ্যে একটি রেখে অন্যটি বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ ইউনানি আয়ুর্বেদিক বোর্ডের পরিচালনা পর্ষদ প্রতি পাঁচ বছর অন্তর অন্তর রেজিস্ট্রার্ড ইউনানি আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকদের ভোটে নির্বাচিত হয়। প্রতি বিভাগ থেকে একজন ইউনানি ও একজন আয়ুর্বেদিক সদস্য নির্বাচিত হয়। ভোটারদের কাছে ফেরত খামসহ ডাকযোগে ব্যালট পেপার পাঠানো হয়। আর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পোস্ট অফিসের মাধ্যমে পচ্ছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে থাকেন, যা গত ৭-২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলে। আর ২৫ ফেব্রুয়ারি ভোট গণনা করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভোটারদের কাছে ব্যালট পেপার পৌঁছানো এবং ব্যালট পেপারটি ফিরতি খামে বোর্ডে পৌঁছানো শতভাগ সম্ভব হয়নি। এর কারণ ২৫ তারিখের পরও অনেক ভোটার ব্যালট পেপার পায়নি। আবার ২৪ তারিখের আগে অনেকে পেলেও তাদের ব্যালটসহ ফিরতি খাম নির্ধাধিত সময়ে পৌঁছেনি। আবার ভোট গণনায় অস্বচ্ছতার মধ্যে বোর্ডে সিসি ক্যামেরা থাকলেও যেখানে গণনা করা হয়েছে, সেখানে সিসি ক্যামেরা ছিল না। আবার ভ্যালট পেপার বোর্ডের কোনো কর্মচারী বা কোনো কর্মকর্তা রিসিভ করেছেন বা ভোট বাক্সে খামগুলো কে রেখেছেন তার কোনো স্পষ্ট উল্লেখ নেই।
আবার অনেক এলাকায় মৃত ব্যক্তিকে ভোটার দেখানো হয়েছে এবং ভোট সংগ্রহ করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, বিদেশে অবস্থানকারী অনেকের ভোট দেশের ঠিকানা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে, যা জালিয়াতি ও অনিয়ম। তার প্রমাণ হিসেবে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, হাকিম মো. নুরু মুত্তাকিন আমেরিকা প্রবাসী হলেও তার ভোট কাস্ট দেখানো হয়েছে। আর হাকিম কাওসার আহমদ মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসে থাকলেও তার ভোট কাস্ট করা হয়েছে। আবার আটজন মৃত ব্যক্তির ভোট কাস্ট করা হয়েছে।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন