ব্রেইন টিউমার কী, দেশে চিকিৎসা সুবিধা কেমন?
jugantor
ব্রেইন টিউমার কী, দেশে চিকিৎসা সুবিধা কেমন?

  লাইফস্টাইল ডেস্ক  

২১ জুন ২০২১, ১৬:২০:৫৯  |  অনলাইন সংস্করণ

চোখের পেছনের নার্ভে টিউমার হলে, অন্ধ হয়ে যেতে পারে।

ব্রেইন টিউমার থেকেই সাধারণত ব্রেইন ক্যানসারের সৃষ্টি হয়। যথাসময়ে এই রোগের চিকিৎসা না করা গেলে এর পরিণতি মারাত্মক হতে পারে। শুরুতেই শনাক্ত করা গেলে দেশেই চিকিৎসা নিয়ে এই রোগ থেকে সহজে সেরে ওঠা সম্ভব।

এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানিয়েছেন রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স ও হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. মুহা. আরিফ রেজা।

ব্রেইন টিউমার কী?

ব্রেইন সেল বা কোষগুলো অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে যখন অস্বাভাবিক কাজ করে, তখন সেটাকে ব্রেইন টিউমার বলা হয়। ব্রেইনে অনেক ধরনের টিস্যু বা সেল থাকে। যে টিস্যু থেকে বৃদ্ধি হবে, সে টিউমারকে সেই নামেই বলা হয়। ব্রেইন টিউমার সাধারণত দুই ধরনের হয়ে থাকে- একটি হচ্ছে বিনাইন টিউমার আর অন্যটি ম্যালিগন্যান্ট টিউমার। বিনাইন টিউমার খুব ধীরে বৃদ্ধি পায়। এই টিউমারের পরিণতি তুলনামূলক কম খারাপ।

অন্যদিকে ম্যালিগন্যান্ট টিউমার খুব দ্রুত বৃদ্ধি পায়। এ টিউমারের সাধারণ কিছু উপসর্গ দেখা যায়। এর মধ্যে রয়েছে মাথাব্যথা। মাথাব্যথা হলে আমরা অনেক সময় গুরুত্ব দিই না। অনেক কারণে মাথাব্যথা হয়, তার মধ্যে টিউমার একটি।

ম্যালিগন্যান্ট টিউমারে মাথাব্যথার সঙ্গে বমি হবে। বমি নিয়মিত এবং অনেক বেশি হবে। কখনো রোগী চোখে কম দেখবে। এসব উপসর্গ একসঙ্গে হলে প্রাথমিকভাবে ব্রেইন টিউমার সন্দেহ করতে হবে।

এর বাইরে কারও ব্রেইন টিউমার হলে, অনেক সময় বিচার-বুদ্ধি কমে যায়। কথাবার্তায় অসংলগ্নতা থাকতে পারে বা স্মৃতিশক্তি কমে যেতে পারে।

এছাড়া হাত বা পায়ের কোনো একপাশ অবশ তথা প্যারালাইজড হয়ে যেতে পারে। চোখের পেছনের নার্ভে টিউমার হলে, অন্ধ হয়ে যেতে পারে। কানের ভেতরে থাকা নার্ভে টিউমার হলে কানে কম শুনতে পারে।

টিউমারের চিকিৎসা

অনেকেরই ধারণা, ব্রেইন টিউমারের চিকিৎসায় অনেকবেশি খরচ হয়। কিন্তু বাংলাদেশেই এর অনেক উন্নত এবং কার্যকর চিকিৎসা হয়ে থাকে। তবে এ চিকিৎসার জন্য অনেক উন্নত যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হয়। যেমন- মাইক্রোস্কোপ, নেভিগেশন সিস্টেম, স্টেরয়েড অ্যাকটিভ সিস্টেম। এই যন্ত্রগুলো অনেক বেশি দামি হলেও বাংলাদেশের অনেকগুলো সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে এগুলো স্থাপন করা হয়েছে।

দেশের উপজেলা বা অনেক জেলা পর্যায়েও এই সুযোগ-সুবিধা না থাকলেও বিভাগীয় পর্যায়ে খুব ভালো চিকিৎসা হচ্ছে। কিছুদিন আগেও মানুষ মনে করতো ব্রেইন টিউমারের কোনো চিকিৎসা নেই। কিন্তু এখন যথাযথ চিকিৎসার মাধ্যমে দেশেই চিকিৎসা হয়।

এজন্য ব্রেইন টিউমার হলে বা লক্ষণগুলো দেখা দিলে খুব দ্রুতই চিহ্নিত করতে হবে। দ্রুত শনাক্ত করে যথাযথ চিকিৎসা দিলে ব্রেইন টিউমার খুব সহজেই ভালো হয়।

সূত্র: ডক্টর টিভি

ব্রেইন টিউমার কী, দেশে চিকিৎসা সুবিধা কেমন?

 লাইফস্টাইল ডেস্ক 
২১ জুন ২০২১, ০৪:২০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
চোখের পেছনের নার্ভে টিউমার হলে, অন্ধ হয়ে যেতে পারে।
চোখের পেছনের নার্ভে টিউমার হলে, অন্ধ হয়ে যেতে পারে। ফাইল ছবি

ব্রেইন টিউমার থেকেই সাধারণত ব্রেইন ক্যানসারের সৃষ্টি হয়। যথাসময়ে এই রোগের চিকিৎসা না করা গেলে এর পরিণতি মারাত্মক হতে পারে। শুরুতেই শনাক্ত করা গেলে দেশেই চিকিৎসা নিয়ে এই রোগ থেকে সহজে সেরে ওঠা সম্ভব।

এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানিয়েছেন রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স ও হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. মুহা. আরিফ রেজা।

ব্রেইন টিউমার কী?

ব্রেইন সেল বা কোষগুলো অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে যখন অস্বাভাবিক কাজ করে, তখন সেটাকে ব্রেইন টিউমার বলা হয়। ব্রেইনে অনেক ধরনের টিস্যু বা সেল থাকে। যে টিস্যু থেকে বৃদ্ধি হবে, সে টিউমারকে সেই নামেই বলা হয়। ব্রেইন টিউমার সাধারণত দুই ধরনের হয়ে থাকে- একটি হচ্ছে বিনাইন টিউমার আর অন্যটি ম্যালিগন্যান্ট টিউমার। বিনাইন টিউমার খুব ধীরে বৃদ্ধি পায়। এই টিউমারের পরিণতি তুলনামূলক কম খারাপ।

অন্যদিকে ম্যালিগন্যান্ট টিউমার খুব দ্রুত বৃদ্ধি পায়। এ টিউমারের সাধারণ কিছু উপসর্গ দেখা যায়। এর মধ্যে রয়েছে মাথাব্যথা। মাথাব্যথা হলে আমরা অনেক সময় গুরুত্ব দিই না। অনেক কারণে মাথাব্যথা হয়, তার মধ্যে টিউমার একটি।

ম্যালিগন্যান্ট টিউমারে মাথাব্যথার সঙ্গে বমি হবে। বমি নিয়মিত এবং অনেক বেশি হবে। কখনো রোগী চোখে কম দেখবে। এসব উপসর্গ একসঙ্গে হলে প্রাথমিকভাবে ব্রেইন টিউমার সন্দেহ করতে হবে।

এর বাইরে কারও ব্রেইন টিউমার হলে, অনেক সময় বিচার-বুদ্ধি কমে যায়। কথাবার্তায় অসংলগ্নতা থাকতে পারে বা স্মৃতিশক্তি কমে যেতে পারে।

এছাড়া হাত বা পায়ের কোনো একপাশ অবশ তথা প্যারালাইজড হয়ে যেতে পারে। চোখের পেছনের নার্ভে টিউমার হলে, অন্ধ হয়ে যেতে পারে। কানের ভেতরে থাকা নার্ভে টিউমার হলে কানে কম শুনতে পারে।

টিউমারের চিকিৎসা

অনেকেরই ধারণা, ব্রেইন টিউমারের চিকিৎসায় অনেক বেশি খরচ হয়। কিন্তু বাংলাদেশেই এর অনেক উন্নত এবং কার্যকর চিকিৎসা হয়ে থাকে। তবে এ চিকিৎসার জন্য অনেক উন্নত যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হয়। যেমন- মাইক্রোস্কোপ, নেভিগেশন সিস্টেম, স্টেরয়েড অ্যাকটিভ সিস্টেম। এই যন্ত্রগুলো অনেক বেশি দামি হলেও বাংলাদেশের অনেকগুলো সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে এগুলো স্থাপন করা হয়েছে।

দেশের উপজেলা বা অনেক জেলা পর্যায়েও এই সুযোগ-সুবিধা না থাকলেও বিভাগীয় পর্যায়ে খুব ভালো চিকিৎসা হচ্ছে। কিছুদিন আগেও মানুষ মনে করতো ব্রেইন টিউমারের কোনো চিকিৎসা নেই। কিন্তু এখন যথাযথ চিকিৎসার মাধ্যমে দেশেই চিকিৎসা হয়।

এজন্য ব্রেইন টিউমার হলে বা লক্ষণগুলো দেখা দিলে খুব দ্রুতই চিহ্নিত করতে হবে। দ্রুত শনাক্ত করে যথাযথ চিকিৎসা দিলে ব্রেইন টিউমার খুব সহজেই ভালো হয়।

সূত্র: ডক্টর টিভি

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন