ব্রেন টিউমারের লক্ষণ ও চিকিৎসা
jugantor
ব্রেন টিউমারের লক্ষণ ও চিকিৎসা

  লাইফস্টাইল ডেস্ক  

১৪ অক্টোবর ২০২১, ১৭:০৬:৫৩  |  অনলাইন সংস্করণ

কোনো কোনো ক্ষেত্রে ব্রেন টিউমারের চিকিৎসা করেও কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায় না।

শরীরের যেকোনো জায়গা বা অঙ্গে কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধিকে টিউমার বলে। এটি মস্তিষ্কের ভেতরে সেটিকে ব্রেন টিউমার বলে থাকি। ব্রেন টিউমার দুই রকম হতে পারে। বিনাইন বা শিষ্ট টিউমার এবং ম্যালিগন্যান্ট বা দুষ্টু টিউমার।

এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানিয়েছেন,চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালেরনিউরোসার্জারি বিভাগের সহকারীসহকারী অধ্যাপকডা. রবিউল করিম

যেকোনো বয়সে ব্রেন টিউমার হতে পারে। মস্তিষ্কে কিছু টিউমারের সূত্রপাত বলে তাকে প্রাইমারি ব্রেন টিউমার বলে। কিছু শরীরের অন্য স্থানের টিউমার থেকে হয়, সেটি সেকেন্ডারি বা মেটাস্টাটিক ব্রেন টিউমার।

ব্রেন টিউমার অত্যন্ত জটিল এবং সংযোজনশীল অঙ্গের টিউমার। ফলে রোগটির চিকিৎসা পদ্ধতিও জটিল এবং ক্ষেত্রবিশেষে অনেক ব্যয়বহুল। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ব্রেন টিউমারের চিকিৎসা করেও কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায় না।

ব্রেন টিউমারের লক্ষণ

ব্রেন টিউমারের প্রধান বা স্বাভাবিক লক্ষণ মাথাব্যথা। এ ব্যথা রোগীর কর্মকাণ্ডের সাথে তীব্র হয়। অর্থাৎ রোগী বিশ্রামে থাকলে ব্যথা কম থাকে। কোনো কাজ করলে বাড়ে। অনেক সময় ভোরে মাথাব্যথা হয়। পাশাপাশি বমি বমি ভাব, বমি হয় এবং দৃষ্টিশক্তি কমে যেতে থাকে।

অনেক সময় রোগীর খিঁচুনি হতে পারে। শরীরের যেকোনো একদিকের হাত- পা দুর্বল বা অবশ হয়ে যেতে পারে। আচরণে অস্বাভাবিকতা দেখা দেয়।

ব্রেন টিউমার নির্ণয়

নিউরো মেডিসিন বা নিউরো সার্জন ব্রেনের সিটিস্ক্যান ও এমআরআই, স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারিতা দেখার জন্য ইলেকট্রো এনকেফালোগ্রাফি বা ইইজি, স্নায়ুতন্ত্রের পরিবহন ক্ষমতা বা নার্ভ কন্ডাকশন টেস্ট বা ইলেকট্রোমায়োগ্রাফি, সিটি গাইডেড এফএনএসির মাধ্যমে রোগটি নির্ণয় করে থাকেন। তবে এমআরআই পদ্ধতি সব থেকে আধুনিক এবং ব্রেন টিউমার নির্ণয়ের জন্য উন্নত পরীক্ষা।

ব্রেন টিউমারের চিকিৎসা

ব্রেন টিউমারের চিকিৎসা বেশ জটিল। তবে চিকিৎসা নির্ভর করে টিউমারের ধরন, আকার ও অবস্থানের ওপর। সার্জারি, কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপি দেয়া হয়। খিঁচুনি, বমির মতো লক্ষণ দেখে এগুলো বন্ধে ওষুধ দেয়া হয়।

সূত্র: ডক্টর টিভি

ব্রেন টিউমারের লক্ষণ ও চিকিৎসা

 লাইফস্টাইল ডেস্ক 
১৪ অক্টোবর ২০২১, ০৫:০৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
কোনো কোনো ক্ষেত্রে ব্রেন টিউমারের চিকিৎসা করেও কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায় না।
কোনো কোনো ক্ষেত্রে ব্রেন টিউমারের চিকিৎসা করেও কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায় না। প্রতীকী ছবি

শরীরের যেকোনো জায়গা বা অঙ্গে কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধিকে টিউমার বলে। এটি মস্তিষ্কের ভেতরে সেটিকে ব্রেন টিউমার বলে থাকি। ব্রেন টিউমার দুই রকম হতে পারে। বিনাইন বা শিষ্ট টিউমার এবং ম্যালিগন্যান্ট বা দুষ্টু টিউমার।

এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের সহকারী সহকারী অধ্যাপক ডা. রবিউল করিম

যেকোনো বয়সে ব্রেন টিউমার হতে পারে। মস্তিষ্কে কিছু টিউমারের সূত্রপাত বলে তাকে প্রাইমারি ব্রেন টিউমার বলে। কিছু শরীরের অন্য স্থানের টিউমার থেকে হয়, সেটি সেকেন্ডারি বা মেটাস্টাটিক ব্রেন টিউমার।

ব্রেন টিউমার অত্যন্ত জটিল এবং সংযোজনশীল অঙ্গের টিউমার। ফলে রোগটির চিকিৎসা পদ্ধতিও জটিল এবং ক্ষেত্রবিশেষে অনেক ব্যয়বহুল। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ব্রেন টিউমারের চিকিৎসা করেও কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায় না।

ব্রেন টিউমারের লক্ষণ

ব্রেন টিউমারের প্রধান বা স্বাভাবিক লক্ষণ মাথাব্যথা। এ ব্যথা রোগীর কর্মকাণ্ডের সাথে তীব্র হয়। অর্থাৎ রোগী বিশ্রামে থাকলে ব্যথা কম থাকে। কোনো কাজ করলে বাড়ে। অনেক সময় ভোরে মাথাব্যথা হয়। পাশাপাশি বমি বমি ভাব, বমি হয় এবং দৃষ্টিশক্তি কমে যেতে থাকে।

অনেক সময় রোগীর খিঁচুনি হতে পারে। শরীরের যেকোনো একদিকের হাত- পা দুর্বল বা অবশ হয়ে যেতে পারে। আচরণে অস্বাভাবিকতা দেখা দেয়।

ব্রেন টিউমার নির্ণয়

নিউরো মেডিসিন বা নিউরো সার্জন ব্রেনের সিটিস্ক্যান ও এমআরআই, স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারিতা দেখার জন্য ইলেকট্রো এনকেফালোগ্রাফি বা ইইজি, স্নায়ুতন্ত্রের পরিবহন ক্ষমতা বা নার্ভ কন্ডাকশন টেস্ট বা ইলেকট্রোমায়োগ্রাফি, সিটি গাইডেড এফএনএসির মাধ্যমে রোগটি নির্ণয় করে থাকেন। তবে এমআরআই পদ্ধতি সব থেকে আধুনিক এবং ব্রেন টিউমার নির্ণয়ের জন্য উন্নত পরীক্ষা।

ব্রেন টিউমারের চিকিৎসা

ব্রেন টিউমারের চিকিৎসা বেশ জটিল। তবে চিকিৎসা নির্ভর করে টিউমারের ধরন, আকার ও অবস্থানের ওপর। সার্জারি, কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপি দেয়া হয়। খিঁচুনি, বমির মতো লক্ষণ দেখে এগুলো বন্ধে ওষুধ দেয়া হয়।

সূত্র: ডক্টর টিভি

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন