কেন করাবেন কোলনস্কোপি
jugantor
কেন করাবেন কোলনস্কোপি

  যুগান্তর ডেস্ক  

৩০ নভেম্বর ২০২১, ০৯:৪২:২৮  |  অনলাইন সংস্করণ

কেন করাবেন কোলনস্কোপি

কোলনস্কোপি এক ধরনের অ্যান্ডোসকপিক পরীক্ষা যার মাধ্যমে কোলন বা বৃহদান্ত্রের যে কোনো ধরনের রোগ শনাক্ত করা হয়। কোলনস্কোপি কোনো কঠিন পরীক্ষা পদ্ধতি নয় তবে সার্জনের এটি করতে পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা প্রয়োজন।

এটি করার আগে বাওয়েলকে প্রস্তুত করতে হয় অর্থাৎ রোগীকে সম্পূর্ণ পায়খানামুক্ত করতে হয়। এতে ল্যাক্সেটিভ ও পারজেটিভ ব্যবহার করতে হয় ও প্রচুর পরিমাণ পানি পান করতে হয়।

কোলনস্কোপি কেন করা হয়, কীভাবে করা যায় সে বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন আরএ হাসপাতালের বৃহদান্ত্র ও পায়ুপথ সার্জারি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. রাকিবুল আনোয়ার।

রোগীদের কোলনস্কোপি করার ব্যাপারে বেশ ভীতি আছে। কোলনস্কোপি দুভাবে করা যায়- একটি হচ্ছে শর্ট জেনারেল অ্যানেসথেসিয়া দিয়ে এবং দ্বিতীয়টি হচ্ছে ব্যথার ওষুধ দিয়ে।

সারা পৃথিবীতে এখন জেনারেল অ্যানেসথেসিয়া দিয়ে কোলনস্কোপি করা হচ্ছে না কারণ বয়স্কদের শারীরিক জটিলতা হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

বর্তমানে পেইন কিলার ও সিডেশন বা ঘুমের ওষুধ দিয়ে এ প্রক্রিয়া করা হয়। রোগীর সঙ্গে গল্প করে কোলনস্কোপি করা হয়।
এতে রোগীর ভয় পাওয়ার কিছু নেই।

প্রায় ৭৬ ভাগ রোগী কোনো ব্যথার অভিযোগ করে না। ২৪ ভাগ রোগী মৃদু ধরনের অস্বস্তির কথা জানান।

কোলনস্কোপি ঠিকমতো করা না হলেই ব্যথা হতে পারে। ঠিকমতো করা না হলে কোলন ছিঁড়ে ফেলার বা ফুটো হওয়ার আশঙ্কা থাকে।


কেন করাবেন কোলনস্কোপি

 যুগান্তর ডেস্ক 
৩০ নভেম্বর ২০২১, ০৯:৪২ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
কেন করাবেন কোলনস্কোপি
ফাইল ছবি

কোলনস্কোপি এক ধরনের অ্যান্ডোসকপিক পরীক্ষা যার মাধ্যমে কোলন বা বৃহদান্ত্রের যে কোনো ধরনের রোগ শনাক্ত করা হয়।  কোলনস্কোপি কোনো কঠিন পরীক্ষা পদ্ধতি নয় তবে সার্জনের এটি করতে পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা প্রয়োজন। 

এটি করার আগে বাওয়েলকে প্রস্তুত করতে হয় অর্থাৎ রোগীকে সম্পূর্ণ পায়খানামুক্ত করতে হয়। এতে ল্যাক্সেটিভ ও পারজেটিভ ব্যবহার করতে হয় ও প্রচুর পরিমাণ পানি পান করতে হয়। 

কোলনস্কোপি কেন করা হয়, কীভাবে করা যায় সে বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন আরএ হাসপাতালের বৃহদান্ত্র ও পায়ুপথ সার্জারি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. রাকিবুল আনোয়ার। 

রোগীদের কোলনস্কোপি করার ব্যাপারে বেশ ভীতি আছে।  কোলনস্কোপি দুভাবে করা যায়- একটি হচ্ছে শর্ট জেনারেল অ্যানেসথেসিয়া দিয়ে এবং দ্বিতীয়টি হচ্ছে ব্যথার ওষুধ দিয়ে। 

সারা পৃথিবীতে এখন জেনারেল অ্যানেসথেসিয়া দিয়ে কোলনস্কোপি করা হচ্ছে না কারণ বয়স্কদের শারীরিক জটিলতা হওয়ার আশঙ্কা থাকে। 

বর্তমানে পেইন কিলার ও সিডেশন বা ঘুমের ওষুধ দিয়ে এ প্রক্রিয়া করা হয়। রোগীর সঙ্গে গল্প করে কোলনস্কোপি করা হয়। 
এতে রোগীর ভয় পাওয়ার কিছু নেই। 

প্রায় ৭৬ ভাগ রোগী কোনো ব্যথার অভিযোগ করে না। ২৪ ভাগ রোগী মৃদু ধরনের অস্বস্তির কথা জানান। 

কোলনস্কোপি ঠিকমতো করা না হলেই ব্যথা হতে পারে। ঠিকমতো করা না হলে কোলন ছিঁড়ে ফেলার বা ফুটো হওয়ার আশঙ্কা থাকে।


 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন