বিসিএসের নবীন চিকিৎসকদের জন্য

হাসপাতালে সাপ!

  ডা. সাঈদ এনাম ২৮ আগস্ট ২০১৮, ০২:৩৪ | অনলাইন সংস্করণ

ডা. সাঈদ এনাম
ডা. সাঈদ এনাম

আমার প্রথম কর্মস্থল ছিল উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র মনু, কুলাউড়া, মৌলভীবাজার, সিলেট। সেই জুলাই মাসের দুই তারিখ, ২০০৫ সাল। ২৪তম বিসিএসের পদায়ন। সারা বাংলাদেশে একযোগে প্রায় ১৮০০ ডাক্তারের পদায়ন হয়।

আদেশ ছিল, যাদের পদায়ন একেবারে গ্রামে সাব সেন্টারে তারা যেনো উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মহোদয়ের নিকট যোগদান দিয়ে সোজা যার যার গ্রামের কর্মস্থলে চলে যাবেন। আর সেটা নিশ্চিত করবেন ইউএইচএফপি মহোদয়। আর তিনি ডাইরেক্টর মহোদয়কে অবগত করবেন। এখানে আর দ্বিতীয় কোনো কথা নেই। তাই হেলথ কমপ্লেক্সে যোগদান দিয়েই সাত সকালে একটা সিএনজি রিজার্ভ করে কর্মস্থলে যাই। রাস্তাঘাট কিছুই চিনি না। প্রথম যাত্রা।

নদীর তীর ঘেঁষে ছোট একটা বাজারে সিএনজিওয়ালা নামিয়ে দিয়ে বললেন, স্যার একটু হাঁটলেই পেয়ে যাবেন হাসপাতাল। রিকশাও নিতে পারেন। ভাবলাম রিকশাই নিই। মিনিট পাঁচেক প্যাডেল ঘুরিয়েই রিকশা ড্রাইভার বললেন, এই আমাদের হাসপাতাল।

হাসপাতালের চেহারা দেখেই মনটা ভিজে গেল! দেশের সবচেয়ে সেরা সরকারি মেডিকেল কলেজে ছয় বছর পড়াশোনা করেছি। হাসপাতাল, আউটডোর, চিকিৎসা ব্যবস্থা এসব নিয়ে ধারণা ছিলো অনেক উঁচু। সাব সেন্টারটির একেবারেই জরাজীর্ণ অবস্থা। একটা সাইন বোর্ডও নেই। দেড় ফুট বাই দেড় ফুট সাইজের একটা টিনের টুকরোয় লেখা, 'ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র, মনু কুলাউড়া'। আধা পাকা ঘর। ব্রিটিশ আমলের স্থাপনা। উপরে টিনের চালায় বেইজ অব দ্য স্কালের মতো অসংখ্য ছিদ্র। এসব দিয়ে আলোর ঝিলিক আর বৃষ্টিজল টেবিলে খেলা করতো।

ফ্যান নাই, লাইট নাই, রোগী বসার বেঞ্চ নাই, চেয়ার টেবিল যা আছে সব আধা ভাঙা। টেবিলের চার পায়ার মধ্যে একটা নেই। কোত্থেকে একটা কাঠের টুকরো এনে জোড়া দেয়া। টুকরোটির একপাশ একটু কালো। সম্ভবত কেউ চুলায় দিয়েছিল। সেখান থেকে ছিনতাই করে এনে টেবিলের ভাঙা পায়ের সঙ্গে প্লাস্টার করে দেয়া হয়েছে। চেয়ারটাও নড়বড়ে। একপাশে সরিয়ে রাখা।

সম্ভবত এখানে দীর্ঘদিন মেডিকেল অফিসারের পদ শূন্য ছিল। তাই এই দুরাবস্থা। খুব একটা ঘাবড়াইনি। কারণ ঢাকা মেডিকেলে ইন্টার্ন করার সময় সিনিয়র ভাইয়েরা ব্রিফ করেছিলেন, গ্রামের পোস্টিং খুব খারাপ, কিন্তু অসম্ভব সম্মানের জায়গা, ভালোবাসা পাবার জায়গা। তোমরা যেও। আমরা গিয়েছি, আমাদের স্যারেরাও গিয়েছেন। সারেরা গিয়েছেন সেটা আমরা জানতাম, কারণ প্রায় সব স্যারেরাই তাদের গ্রামের প্রথম পোস্টিংয়ের মজার মজার গল্প মাঝেমধ্যে শোনাতেন আমাদের। মজার মজার আঞ্চলিক ভাষা আর সেগুলো নিয়ে নানান বিপাকে পড়তেন সেটাও বলতেন।

স্টাফ বলতে অফিস সহায়ক ইসমাইল হুসেন, যিনি ক'দিন আগে হঠাৎ কর্মস্থলে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন। আরেকজন ছিলেন চিকিৎসা সহকারী প্রবীণ ডিপ্লোমা চিকিৎসক হোসেন আহমদ। দুজনেই অত্যন্ত ভদ্রগোছের মানুষ ছিলেন। পরিচয় দিতেই পড়িধরি অবস্থা। কারণ, আমি না জানিয়েই গিয়েছিলাম। আমাকে জিজ্ঞেস করলেন স্যার অবস্থা তো খুবই খারাপ। আপনি কি এখানে নিয়মিত আসবেন, থাকবেন?

আমি চমকে গেলাম। বুঝলাম না কিছুই। বললাম, 'আসবো মানে আমার পোস্টিং তো এখানে'। উনারা বললেন, 'না স্যার, বলছিলাম কি, এখানে পোস্টিং হলে কেউ আসেন না। আসলেও থাকেন না। জয়েন করে চলে যান। মাসে মাসে খালি বেতনের জন্যে দু একবার আসেন। হেলথ কমপ্লেক্সে ডিউটি করে চলে যান। আবার কেউ মাস ঘুরতে না ঘুরতেই বদলি নিয়ে ফের ঢাকায় চলে যান'।

শুনে আমি বিব্রতবোধ করলাম। আসলে ঢাকা মেডিকেলে এসব ফাঁকিবাজির সিস্টেমের সঙ্গে খুব একটা পরিচিত ছিলাম না। আমি বললাম, ‘না আমি আসবো। অবশ্যই আসবো এবং কাল থেকে। আপনারা রেডি থাকুন। আশপাশ সবাইকে বলুন।’

আসার সময় অফিস সহায়ক অনেকটা পথ আমাকে এগিয়ে দিলেন। কথাবার্তায় তাঁকে উচ্ছ্বসিত লাগলো। যাক তাদের একজন অভিভাবক পেলেন। ইসমাইল সাহেব জিজ্ঞেস করলাম, কীভাবে সহজে শহর থেকে সাব সেন্টারে আসা যায়, বাসে বা ট্রেনে। তিনি বাতলে দিলেন সদর থেকে আসার সবচেয়ে সহজ একটা উপায়। সেটা হলো লোকাল ট্রেন।

প্রথমে রিকশাযোগে কুলাউড়া উপজেলার রেলওয়ে স্টেশন। রেলযোগে ২০ কিলোমিটার গেলে মনু স্টেশন। সেখান থেকে কিছুটা পথ রিকশা দিয়ে মনু নদীর তীর ঘেঁষে মিনিট পাঁচেক গেলেই সাব সেন্টার। ভাড়া সাকুল্যে পঁচিশ কি তিরিশ টাকা। আর সিএনজিতে গেলে প্রতিদিন আসতে যেতে ৬০০ টাকা। ভাবলাম কী দরকার অযথা পয়সা নষ্ট করার। রেলগাড়িই তো ভালো। ‘রেলগাড়ি ঝুমাঝুম, পা পিছলে আলুর দম’- বেশ মজাই হবে!

সেই যে যাওয়া শুরু করলাম। প্রতিদিন যেতাম। আমি যেতাম কারণ আমার গ্রামীণ পরিবেশ খুব ভালো লাগতো। মানুষগুলো খুব সহজ সরল। আমার যাওয়াতে প্রাণ চঞ্চল হয়ে ওঠে সাব সেন্টারটি। ছোট বাজারটি'তেও আনাগোনা বেড়ে যায়। ওষুধ কোম্পানির রিপ্রেজেন্টরাও যাওয়া আসা শুরু করেন। সাবসেন্টারে প্রথম প্রথম ৪/৫ জন রোগী আসতেন। ভালো ব্যবহার করায় ভিড় বাড়তে থাকে। সপ্তাহ ঘুরতে না ঘুরতেই ২০/২৫ জন অতঃপর ১৫০ থেকে ২০০ জন আসা শুরু হয়।

প্রথম মাসের বেতন দিয়ে টিনের চালা মেরামত করি। একটা সুন্দর চেয়ার কিনি। দুটো বেঞ্চ আর একটা সিলিং ফ্যান কিনি। পুরুষ মহিলা আলাদা আলাদা অপেক্ষা রুম করার জন্য কিছু পর্দার ব্যবস্থা করেন এলাকার গণ্যমান্যরা। সেন্টারে নতুন করে অফ হোয়াইট কালার করে চুনকাম করাই। দরজা জানালাও মেরামত করিয়ে নেই।

প্রতিদিন যেতে কিছুটা দেরি হতো লোকাল ট্রেনের জন্যে। কিন্তু গ্রামের অসহায় মানুষগুলো দেরি করতো না। তারা সকালে এসেই সিরিয়াল নিতো। কেউ কেউ স্টেশনে এসেও উঁকিঝুঁকি দিতো, ট্রেন আসছে কিনা। রন্টু মালাকার করে একটা ছেলে রাখলাম রোগীদের সিরিয়াল মেইনন্টেন করা আর রাতে সেন্টারটি পাহারা দেয়ার জন্য। সেই ছেলেটি এখনো আছে। একটা ভালো দিক ছিল, সাব সেন্টারটি বেশ জায়গা জুড়ে ছিল। সেখানে আম জাম কাঁঠাল লিচু অনেক ধরনের ফলের গাছ লাগানো ছিল।

রোগীদের বেশিরভাগ রোগী গ্রামের হতদরিদ্র পরিবারের। ওরা আমাকে ভালোবাসতে শুরু করে। প্রতিদিন হাসপাতালে কেউ হাতে করে এটা সেটা নিয়ে আসতেন। কেউবা গাছের লাউ, কেউ পাকা পেপে। কেউবা পুকুরের মাছ। আমি অফিস সহায়ক আর ডিপ্লোমা চিকিৎসক তাদের বললাম, সবার দুপুরের খাবার ব্যবস্থা করে ফেলতে। তারাও সানন্দে রাজি হলেন। প্রতিদিন চুড়ুইভাতির মতো অবস্থা আর কি!

ধীরে ধীরে গ্রামের লোকদের ভালোবাসার মায়াজালে বন্দি হয়ে যাই। আর বলা যায় ওদের ভালোবাসার টানেই আমি প্রতিদিন যেতে শুরু করি। আমার ষাটোর্ধ্ব ১০/১৫ জন ছেলেমেয়ে ছিল। আমার ছেলেমেয়ে মানে ওই বৃদ্ধবৃদ্ধারা; তারা আমাকে ‘আব্বাজান’ বা ‘বাজান’ বলে ডাকতেন। ট্রেন আসার হুইসেল শুনলেই তারা বলতেন ‘আমাগো বাজানের ট্রেন আইয়া পড়ছে জলদি লাইনে খাড়াও’। আমি এসে দেখতাম লোকগুলো ধীর স্থিরভাবে বসে আমার জন্য অপেক্ষা করছে। তাদের কারো হাতে পাকা পেঁপে, কারো হাতে নিজের ফলানো সবজি, কেউবা নিজের পুকুরের বড় মাছ। এগুলো সব ভালোবাসার দান।

একবার এক নবজাতক নিয়ে বেশকিছু লোক হাজির। তিন দিন বয়সী শিশুটির চুল ছাঁচছিলেন মা। এ সময় আরেকটি বাচ্চা এসে পড়ে যায় হাতের উপর। ধারালো ব্লেডে নরম মাথার চামড়া এফোঁড়ওফোঁড়। সারা গা রক্তে লাল।

সেই সাত গ্রাম পেরিয়ে এসে বাচ্চা সহ সবাই আমার সাব সেন্টারে। পাশাপাশি আরো পঞ্চাশেক উৎসুক আকাইম্মা।

সদর হাসপাতাল সে তো আরো তিন ঘন্টা। কিন্তু ওরা যাবে না। সবার এক কথা মরলে আমার হাতেই মরবে বাচ্চা। কী আর করা! রন্টুকে বললাম লাগা কেটগাট (এটা দিয়ে পাতলা চামড়া সেলাই করা হয়)। ডাক হোসেন সাহেব আর ইসমাইল সাহেবকে। কিছু সুচার মেটেরিয়েল (চাকু) আমার সঙ্গে রাখতাম।

ঢাকা মেডিকেলে ইন্টার্নি করার সময় স্যাররা উপদেশ দিতেন। উপদেশ কাজে আসে। দপাদপ ১০/১২টা সুচার। ব্লিডিং এরেস্ট ছিল। যাও কিছু ব্যবহৃত ছিল তা-ও বন্ধ।

শিশুর মাকে বললাম ধুমাইয়া বুকের দুধ খাওয়ান। বাচ্চাটি ধীরে ধীরে সেরে উঠে। দশ গ্রামে নাম রটে আমার সাব সেন্টারের। এলকা রটে গেল ‘নতুন ডাক্তার কাটা মাথা জোড়া দিয়ে দেয়’।

সেই শিশু মেয়েটিকে নিয়ে কয়েকদিন আগে তার মা আসে আমার শহরের বাসায়। আমি প্রথমে চিনিনি। বড় হয়ে গেছে বেশ। কাছে টেনে নিয়ে মাথার চুল সরিয়ে নিয়ে তার সেই জায়গাটা হাত বুলালাম। একটা ছবি তুলে রাখলাম।

দুই.

যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ইয়ামিস আলী লাঠি ভর দিয়ে প্রতিদিন আসতেন। আমি জানতে চাইতাম, চাচা আপনি প্রতিদিন কেন আসেন?

তিনি বলতেন, বাবা আপনাকে আর আমাদের হাসপাতালটাকে দেখতে আসি। আমাদের ছোটবেলায় এই হাসপাতালে অনেক নামিদামী ডাক্তার আসতে দেখতাম। অনেক ভিড় থাকত। এখন দেখি দিন দিন সে রকমই হয়ে যাচ্ছে!

ইয়ামিস আলি এখনো সময় পেলে আমার বাসায় আসেন। সেদিন মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের তার একটি কাগজ সত্যায়িত করতে বাসায় আসেন।

তিন.

হঠাৎ একদিন এক পত্রিকাওয়ালা হাজির আমার সাব সেন্টারে। আপনার নামে নিউজ আসছে পত্রিকায়। আমি একটু চমকে গেলাম। আমার নামে নিউজ কেনো। নিয়মিত যাওয়াতে যদিও স্থানীয় কিছু পল্লী চিকিৎসকদের ব্যবসায় ভাটা পড়েছিল। কিন্তু তাদেরতো এমন দুঃসাহস হবে না আমার বিরুদ্ধে পত্রিকায় কিছু উল্টো পাল্টা নিউজ করানোর।

পত্রিকা হাতে নিলাম। একটি জাতীয় দৈনিক। দেশের নিউজের অংশে আমার সাব সেন্টারকে নিয়ে বিশাল নিউজ। নেগেটিভ নয়, পজেটিভ। নিউজটি করেন আমার এক সময়ের শিক্ষক ও উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সুশীল সেনগুপ্ত স্যার।

এটি করার কারণ প্রসঙ্গে তিনি আমাকে বললেন, হাসপাতালের উন্নতি প্রয়োজনে এটি সাহায্য করবে।’

পরে পত্রিকার নিউজ পড়ে ফোন দেন লন্ডনে নিযুক্ত তৎকালীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত। তিনি উৎসাহ দেন। আমি সেন্টারের জমি সংক্রান্ত কিছু সমস্যা তুলে ধরলে তিনি বলেন আগামী মাসে আমি দুেই সপ্তাহের ছুটিতে আসবো, তখন তোমার সেন্টার ভিজিট করবো আর আপাতত আমি ডিসিকে বলে দিচ্ছি। তুমি ওর সঙ্গে দেখা করবা।

আমি অবশ্য আমার সিভিল সার্জন স্যারের অনুমতি নিয়ে ডিসি মহোদয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করি।

কিন্তু সমস্যাটি ছিল সাব সেন্টারের আওতাধীন কিছু জমি নিয়ে। একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি এ দখলের পায়তারা করছিলেন। কিন্তু আমি অনঢ় থাকায় সুবিধা করতে পারছিলেন না তিনি।

প্রায় ১৭ মাস ছিলাম ওখানে। পোস্ট গ্রাজুয়েশনে চান্স পেয়ে যাই। ডেপুটেশনের অর্ডারও হয়। চলে আসি মেডিকেল কলেজে।

চার.

আমার বিদায় ছিল আবেগ মিশ্রিত, কান্নাজড়িত। গ্রামের আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা আমায় আসতে দেবে না। তারা কাঁদতে কাঁদতে আমার টিএইচও স্যারের কাছে যায় বদলি বাতিল করতে। আমার টিএইচও স্যার ওদের বুঝিয়ে বলেন, ওতো বড় ডাক্তার হতে চায়। গ্রামে থেকে বড় ডাক্তার হওয়া যায় না। ও বড় হয়ে,স্পেশালিস্ট ডাক্তার হয়ে আবার ফিরে আসবে।

সেদিন আমিও কেঁদেছিলাম। ফ্রম ঢাকা মেডিকেল টু মনু উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র। আমার একটুও খারাপ লাগেনি দিনগুলো; বরং এনজয় করেছি। ঝড়, বাদল সাপ বিচ্ছু আমার সেন্টারেও ছিল। আমি দমে যাইনি। অসহায় অবহেলিত গ্রামবাসীদের ভালোবাসার কাছে এসবের হার মানতে হয়েছে। আমি এখনো সুযোগ পেলে ওই এলাকায় যাই।

দেখে আসি আমার বুড়ো বুড়ো ছেলেমেয়ে রহিমুদ্দিন, সলিমুদ্দিন, নারায়ণ আর দীপিকাদের। ওরা এখনো আমাকে ‘বাজান’ বলেই ডাকে।

লেখক: ডা. সাঈদ এনাম (ডিএমসি, কে -৫২), সাইকিয়াট্রিস্ট অ্যান্ড ইউ.এইচ.এফ.পি.ও সিলেট।

ঘটনাপ্রবাহ : ডা. সাঈদ এনামের লেখা

 

 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter