বিএসএমএমইউ প্রতিষ্ঠা ও স্বাস্থ্যক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের অবদান

  অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ, সাবেক প্রো-ভিসি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২৩:০১ | অনলাইন সংস্করণ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৩ সেপ্টেম্বর সেন্টার অব এক্সিলেন্স প্রকল্পের বাস্তবায়িত কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন। ছবি: যুগান্তর
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৩ সেপ্টেম্বর সেন্টার অব এক্সিলেন্স প্রকল্পের বাস্তবায়িত কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন। ছবি: যুগান্তর

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার চলমান উন্নয়নের ধারার অন্যতম অবদান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) প্রতিষ্ঠা। জননেত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ করার পর ১৯৯৮ সনের ৩০ এপ্রিল এই মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করেছিলেন। প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষক, চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা ঐকান্তিক প্রচেষ্টা চালিয়ে আজকে এ বিশ্ববিদ্যালয়কে দেশের মানুষের আকাঙ্ক্ষার জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য হিসেবে অধ্যাপক এম এ কাদেরী স্যার দায়িত্বভার গ্রহণ করে তার সর্বোচ্চ আন্তরিকতা দিয়ে এ প্রতিষ্ঠানকে আন্তর্জাতিক মানে রূপান্তরিত করার প্রয়াস চালিয়েছিলেন। বিভিন্ন বিভাগকে নিজস্ব তহবিল পরিচালনা ও শিক্ষকদের চিকিৎসাসেবা প্রশিক্ষণের সরঞ্জামাবলি সংগ্রহের দায়িত্ব দিয়ে মৌলিক পরিবর্তনের সূচনা করেন। ফলে ওই সময়ে মাত্র দু’বছরেই রোগী সংখ্যা দ্বিগুণ বৃদ্ধি পায়। অস্ত্রোপচারের সংখ্যা দ্বিগুণ বৃদ্ধি পায়। ল্যাবরেটরি সার্ভিসে জটিল ইনভেস্টিগেশনের সংখ্যা কয়েক গুণ বৃদ্ধি পায়। শিক্ষাক্ষেত্রে হাতে কলমে স্নাতকোত্তর ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষাদানের জন্য রেসিডেন্সি প্রোগ্রাম চালু করা হয়। এসব ইতিবাচক পরিবর্তন চিকিৎসা শিক্ষা জগতে আগ্রহের সৃষ্টি করে।

জাতির পিতার নামে প্রতিষ্ঠিত এ বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা অত্যন্ত আন্তরিক ও সহানুভূতিশীল। এ বিশ্ববিদ্যালয়কে সেন্টার অব এক্সিলেন্সে পরিণত করা তার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো, শিক্ষা, চিকিৎসা ও গবেষণাসহ সার্বিক উন্নতিসাধনে তিনি সব সময়ই সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত ও ঐকান্তিক চেষ্টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্পের বিপরীতে ইতিমধ্যেই ৫২৬ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে। প্রকল্পের প্রস্তাব অনুযায়ী ইতিমধ্যেই উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টার, ডরমিটরি ও অনকোলজি বিল্ডিংসহ বেশ কয়েকটি বাস্তবায়িত উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৩ সেপ্টেম্বর তারিখে সেন্টার অব এক্সিলেন্স প্রকল্পের বাস্তবায়িত কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই এ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেবিন ব্লকের উত্তর পার্শ্বের ১২ বিঘা জমি সরকার আমাদের প্রদান করেছেন। সেখানে কোরিয়ান সরকারের সহযোগিতায় ১০০০ শয্যাবিশিষ্ট সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের নির্মাণকাজের উদ্বোধন হয়েছে।

চিকিৎসাসেবার উন্নতির লক্ষ্যে বর্তমানে ২৪টি বিভাগে বৈকালিক স্পেশালাইজড আউটডোর সার্ভিস চালু রয়েছে। দেশের আপামর জনগণের চিকিৎসা সুবিধার কথা চিন্তা করে শতকরা ৫০ ভাগ বেডে ফ্রি চিকিৎসার ব্যবস্থাসহ বর্তমানে কেবিনসহ ১৯০৪ বেডের হাসপাতালে উন্নীত করা হয়েছে। একই সঙ্গে গবেষণার ক্ষেত্রেও প্রভূত উন্নতিসাধিত হয়েছে। পরীক্ষা পদ্ধতিতে পরিবর্তন এনে স্বল্পতম সময়ে পরীক্ষার ফলাফল ছাত্রছাত্রীদের হাতে তুলে দেয়া সম্ভব হয়েছে। এতে ছাত্রছাত্রীদের উদ্বেগ উৎকণ্ঠা দূর হয়েছে এবং মেধাবী শিক্ষার্থীরাই দক্ষ ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে বন্ধ হয়ে যাওয়া রেসিডেন্সি কোর্স বর্তমানে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণস্বরূপ। রেসিডেন্সি কোর্স চালু হওয়ায় ছাত্রছাত্রীরা তাদের অধ্যয়ন ও কর্মক্ষেত্রে অধিকতর সময় দিতে পারছেন। প্রতিটি ডিসিপ্লিনে হাতেকলমে শিক্ষণের সুযোগ পাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। তারা হাসপাতালের রোগীদের সেবা, সেবার সমস্যাবলি চিহ্নিতকরণ ও তার সমাধান-সংক্রান্ত অভিজ্ঞতা অর্জনের ভেতর দিয়ে শিক্ষালাভের সুযোগ পাচ্ছেন। এভাবে তারা হয়ে উঠছে সমাজ সচেতন দরদি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক।

বর্তমানে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৯৫টি পোস্টগ্র্যাজুয়েট কোর্স পরিচালনা করা হচ্ছে এবং ৪১টি মেডিকেল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইতিমধ্যে ৬২টি রেসিডেন্সি প্রোগ্রাম চালু করা হয়েছে। নার্সদের জন্য খোলা হয়েছে এমএসসি নার্সিংসহ পিএইচডি কোর্স। এখন বাংলাদেশের ছাত্র ছাড়াও বাইরের প্রায় সাড়ে তিনশত ছাত্রছাত্রী বিভিন্ন কোর্সে লেখাপড়া করছেন। Rockefeller Foundation-এর সহায়তায় Department of Public Health & Informatics চালু করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সুযোগ্য কন্যা সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুলের ইচ্ছা ও সহযোগিতায় অটিস্টিক শিশুদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও অটিজম বিষয়ে গবেষণার জন্য ইন্সটিটিউট হিসেবে “ ইন্সটিটিউট অব পেডিয়াট্রিক নিউরোডিজঅর্ডার অ্যান্ড অটিজমের (ইপনা) পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

Rotary Club Metropolitan -এর সহায়তা দেশে সর্বপ্রথম Palliative Care বিভাগ চালু করা হয়েছে।

রোগীদের আরও উন্নত চিকিৎসা ও সেবা প্রদান করার লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই চালু করা হয়েছে শিশু নিউরোলজি, শিশু কার্ডিওলজি, প্যালিয়েটিভ কেয়ার মেডিসিন, রেসপিরেটরি মেডিসিন, পেডোডনটিক্স বিভাগ এবং জেরিয়াট্রিক মেডিসিন ইউনিট। এছাড়া কলোরেক্টাল সার্জারি, হেপাটোবিলিয়ারি অ্যান্ড প্যানক্রিয়েটিক সার্জারি, গাইনোকলোজিক্যাল অনকোলজি, রিপ্রোডাকটিভ এন্ডোক্রাইনোলজি এন্ড ইনফার্টিলিটি এবং ফিটোম্যাটার্নাল মেডিসিন নামে আরও ৫টি বিভাগ খোলা হয়েছে। অনুমোদিত হয়েছে নতুন শিশুরোগ অনুষদ।

মেডিকেল শিক্ষাব্যবস্থায় গবেষণাকে জোরদার করার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিকস বিভাগ এবং বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা কেন্দ্র। চালু হয়েছে ২৪ ঘণ্টা ল্যাবরেটরি সার্ভিস।

মুক্তিযোদ্ধা রোগীদের জন্য নেয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। বেসরকারি রেসিডেন্টন্দের জন্য সরকার থেকে মাসিক ২০ হাজার টাকা সম্মানীর ব্যবস্থা করা হয়েছে। চালু করা হয়েছে ছাত্রছাত্রীদের জন্য বিশেষ বাস সার্ভিস। শিক্ষাসেবাসহ সব পর্যায়ের মান উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে চালু করা হয়েছে ইন্সটিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেল আইকিউএসি। বিশ্ববিদ্যালয় জার্নাল নিয়মিতভাবে প্রকাশিত হচ্ছে। প্রত্যেক বছর গবেষণার জন্য শিক্ষক এবং ছাত্রছাত্রীদের গবেষণা অনুদান দেয়া হচ্ছে। এছাড়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে বিশ্বের বিখ্যাত প্রায় অর্ধশত বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সমঝোতা স্মরকসহ ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। স্বাস্থ্যক্ষেত্রে সরকারের আরও কিছু সাফল্য নিম্নরূপ:

১। শিশু মৃত্যুর হার ও মাতৃমৃত্যুর হার হ্রাস পাওযায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক ঝড়হঃয ঝড়ঁঃয অধিৎফ লাভ করেছেন।

২। ১৯৮০ সালের আমাদের গড় আয়ু ৫৪ বছর ছিল এখন তা বেড়ে ৭১.৫ বৎসর এ দাঁড়িয়েছে।

৩।রাতকানা ও পুষ্টিহীনতা দূরীকরণে ভিটামিন এ প্রদানসহ রোগপ্রতিরোধে প্রশংসনীয় উচ্চ কার্যক্রম অব্যাহত আছে।

৪। MDG বাস্তবায়নের সফলতার পরে SDG বাস্তবায়নে আগ্রগতি চলমান।

৫। জাতিসংঘের মহাসচিবের মন্তব্য অনুযায়ী অর্থনীতি, খাদ্য, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বাসস্থান, বিদ্যুৎ, পদ্মা সেতু ও উন্নত যোগাযোগব্যবস্থাসহ সব ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ অবদান উন্নয়নের রোল মডেল হিসাবে আখ্যায়িত হয়েছে।

৬। স্বাস্থ্যখাতে বাংলাদেশের সাফল্য উল্লেখ করার মতো যা জাতিসংঘ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিবেদনে ফুটে উঠেছে। তৃণমূল গ্রামীণ জনগণকে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রতি ৬ হাজার জনগণের জন্য প্রায় ১৮ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন প্রধানমন্ত্রীর উল্লেখযোগ্য সাফল্য।

৭। জাতিসংঘ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১১ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ডিজিটাল হেলথ ফর ডিজিটাল ডেভেলপমেন্ট পুরস্কারে ভূষিত করে।

৮। বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নের সূচক ভারত ও পাকিস্তানকে অতিক্রম করেছে।

১৯৯৮ সালের ৩০ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আনুষ্ঠানিকভাবে যখন যাত্রা শুরু করল তখন তার সামনে মহান জাতীয় সংসদ প্রদত্ত তিনটি লক্ষ্য স্থির করা ছিল। প্রথমত দেশে মানসম্মত উচ্চশিক্ষার বিস্তার, এ ক্ষেত্রে গবেষণার বিস্তৃতি এবং উন্নত স্বাস্থ্যসেবা প্রদান। ফলে জন্মলগ্ন থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় লক্ষ্য অর্জনে এগোতে শুরু করলেও মাঝপথে এ দুরূহ যাত্রার ছন্দপতন ঘটে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক কারণে। তবে যাই হোক সব বাধা পেরিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরাসরি সহযোগিতায় আমরা আজ আধুনিক মেডিকেল শিক্ষাব্যবস্থার অনুরূপ বিশ্বমানের রেসিডেন্সি কোর্স চালুর মাধ্যমে নিজেদের উত্তম মেডিকেল শিক্ষাব্যবস্থায় উন্নত দেশের পর্যায়ে উন্নীত করার চেষ্টায় আমরা ব্রতী হয়েছি।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে এখন সমাজের সর্বস্তরের মানুষ ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করছেন। সাবেক রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রীরা, সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে কর্মকর্তারা, সমাজের বিভিন্ন পর্যারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা এখানে প্রতিনিয়ত চিকিৎসা গ্রহণ করছেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এখন দেশের সব মানুষের কাছে পরিগণিত হয়েছে চিকিৎসার নির্ভরযোগ্য আস্থা ও ভরসার স্থল।

দেশের প্রথম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমানে সারা দেশের সব পোস্টগ্র্যাজুয়েট শিক্ষা সুনামের সঙ্গে নিয়ন্ত্রণ করছে। আশা করছি ভবিষ্যতে সব আন্ডারগ্র্যাজুয়েট এমবিবিএস কোর্সসমূহ এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ন্যস্ত করা হবে।

কর্তৃপক্ষ শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের জন্য আবাসন সংকট নিরসনে সরকার সদয় দৃষ্টি প্রদান করবেন।

যেসব বিভাগ বর্তমানে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু নয় এবং শয্যাসংখ্যা সংকট আছে তা পূরণের জন্য অচিরে উদ্যোগ গ্রহণ করা উচিত।

লেখক: অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ, সাবেক প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ও সাবেক মহাসচিব, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন

 

 

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter