একীভূত হচ্ছে শিওর ক্যাশ-পাঠাও
jugantor
একীভূত হচ্ছে শিওর ক্যাশ-পাঠাও

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১২ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৪:০১:০৯  |  অনলাইন সংস্করণ

দেশের দুই শীর্ষ তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান শিওর ক্যাশ এবং পাঠাও একীভূত হচ্ছে। দুই প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে এ বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। শিগগির যৌথভাবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়ে এ বিষয়ে বিস্তারিত গণমাধ্যমকে জানানো হবে। 

বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ ও নতুন নতুন সেবা দেওয়ার জন্যই মূলত প্রতিষ্ঠান দুটি এক হওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। শিওর ক্যাশ এবং পাঠাও একীভূত হলেও আলাদাভাবেই চলবে তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম। সংশ্লিষ্ট সূত্র যুগান্তরকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে। 

দেশের মোবাইল ফোনে আর্থিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান শিওর ক্যাশ ২০১৫ সালে বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করে। বর্তমানে তারা রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন রূপালী ব্যাংক, বেসরকারি খাতের ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংক, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক (এনসিসি), যমুনা ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে থাকে। 

প্রতিষ্ঠানটিতে রয়েছে দুই কোটি গ্রাহক, দুই লাখ এজেন্ট ও এক হাজার লেনদেনকারী অংশীদার বা পেমেন্ট পার্টনার। শিওর ক্যাশ ব্যবহার করে গ্রাহকেরা টাকা জমা ও উত্তোলন, বিভিন্ন ধরনের ইউটিলিটি ফি পরিশোধসহ বিভিন্ন ধরনের আর্থিক লেনদেন করতে পারেন। 

এদিকে অ্যাপভিত্তিক রাইড শেয়ারিং, খাবার সরবরাহ ও ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত পাঠাও ২০১৫ সালে কুরিয়ার সার্ভিসের ব্যবসা দিয়ে কার্যক্রম শুরু করে। এরপর একে একে যুক্ত হয় অ্যাপভিত্তিক রাইড শেয়ারিং, খাবার সরবরাহ ও ই-কমার্স ব্যবসা। বাংলাদেশের পাশাপাশি নেপালেও বিভিন্ন ধরনের সেবা প্রদান করছে পাঠাও। 

বর্তমানে পাঠাও এর ৫০ লাখ নিবন্ধিত গ্রাহক রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির রাইড শেয়ারিং সেবার জন্য নিবন্ধিত চালকের সংখ্যা ২ লাখ এবং ১০ হাজার রেস্টুরেন্টের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি চুক্তিবদ্ধ।

পাঠাও বাইক, পাঠাও কার, পাঠাও ফুড, পাঠাও পার্সেল ও পাঠাও কুরিয়ার নামে পাঠাওয়ের পাঁচটি প্ল্যাটফর্ম রয়েছে। ২০১৭ সালে পাঠাওয়ে ২০ লাখ মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করে ইন্দোনেশিয়ার বৃহৎ রাইড শেয়ারিং প্রতিষ্ঠান গো-জ্যাক।  

একীভূত হচ্ছে শিওর ক্যাশ-পাঠাও

 যুগান্তর রিপোর্ট 
১২ ডিসেম্বর ২০১৯, ০২:০১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দেশের দুই শীর্ষ তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান শিওর ক্যাশ এবং পাঠাও একীভূত হচ্ছে। দুই প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে এ বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। শিগগির যৌথভাবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়ে এ বিষয়ে বিস্তারিত গণমাধ্যমকে জানানো হবে।

বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ ও নতুন নতুন সেবা দেওয়ার জন্যই মূলত প্রতিষ্ঠান দুটি এক হওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। শিওর ক্যাশ এবং পাঠাও একীভূত হলেও আলাদাভাবেই চলবে তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম। সংশ্লিষ্ট সূত্র যুগান্তরকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

দেশের মোবাইল ফোনে আর্থিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান শিওর ক্যাশ ২০১৫ সালে বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করে। বর্তমানে তারা রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন রূপালী ব্যাংক, বেসরকারি খাতের ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংক, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক (এনসিসি), যমুনা ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে থাকে।

প্রতিষ্ঠানটিতে রয়েছে দুই কোটি গ্রাহক, দুই লাখ এজেন্ট ও এক হাজার লেনদেনকারী অংশীদার বা পেমেন্ট পার্টনার। শিওর ক্যাশ ব্যবহার করে গ্রাহকেরা টাকা জমা ও উত্তোলন, বিভিন্ন ধরনের ইউটিলিটি ফি পরিশোধসহ বিভিন্ন ধরনের আর্থিক লেনদেন করতে পারেন।

এদিকে অ্যাপভিত্তিক রাইড শেয়ারিং, খাবার সরবরাহ ও ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত পাঠাও ২০১৫ সালে কুরিয়ার সার্ভিসের ব্যবসা দিয়ে কার্যক্রম শুরু করে। এরপর একে একে যুক্ত হয় অ্যাপভিত্তিক রাইড শেয়ারিং, খাবার সরবরাহ ও ই-কমার্স ব্যবসা। বাংলাদেশের পাশাপাশি নেপালেও বিভিন্ন ধরনের সেবা প্রদান করছে পাঠাও।

বর্তমানে পাঠাও এর ৫০ লাখ নিবন্ধিত গ্রাহক রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির রাইড শেয়ারিং সেবার জন্য নিবন্ধিত চালকের সংখ্যা ২ লাখ এবং ১০ হাজার রেস্টুরেন্টের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি চুক্তিবদ্ধ।

পাঠাও বাইক, পাঠাও কার, পাঠাও ফুড, পাঠাও পার্সেল ও পাঠাও কুরিয়ার নামে পাঠাওয়ের পাঁচটি প্ল্যাটফর্ম রয়েছে। ২০১৭ সালে পাঠাওয়ে ২০ লাখ মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করে ইন্দোনেশিয়ার বৃহৎ রাইড শেয়ারিং প্রতিষ্ঠান গো-জ্যাক।