শেয়ারবাজারে ৫৫ হাজার কোটি টাকার বন্ড লেনদেনের উদ্যোগ
jugantor
শেয়ারবাজারে ৫৫ হাজার কোটি টাকার বন্ড লেনদেনের উদ্যোগ

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২৯ নভেম্বর ২০২০, ২০:৫৪:৫১  |  অনলাইন সংস্করণ

শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ বাড়াতে বন্ড লেনদেনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর ফলে দীর্ঘদিন পর্যন্ত পড়ে থাকা ৫৫ হাজার কোটি টাকার বন্ড বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স) হিসাবের মাধ্যমে লেনদেন হবে।

এ লক্ষ্যে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সব ধরনের আইনি জটিলতা নিরসনে করণীয় জানাতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

রোববার রাজধানীর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বোর্ড রুমে আয়োজিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশনার শেখ সামসুদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে সভায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক, ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ, সিডিবিএল, এবং সরকারি বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান আইসিবির প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

সভায় সরকারের ট্রেজারি বন্ডসহ সরকারি সিকিউরিটিজগুলো অতিসত্বর লেনদেনের জন্য সব আইনি জটিলতা দ্রুত নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয় অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক বিভাগ।

বৈঠক শেষে শেখ সামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ সরকারের ট্রেজারি বন্ডসহ সিকিউরিটিজগুলো পুঁজিবাজারে যাতে লেনদেন করা যায়, সেই বিষয়গুলো নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, সভায় বন্ড চালু করে সেকেন্ডারি মার্কেটে তারল্য বাড়াতে সবাই গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

জানা গেছে, শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ২২১টি সরকারি ট্রেজারি বন্ড রয়েছে। ২০০৪ সালে বাজারে সরকারি ট্রেজারি বন্ড তালিকাভুক্ত হয়। বর্তমানে বাজারে মোট ৪ মেয়াদের বন্ড রয়েছে।

এগুলো হল- ৫ বছর, ১০ বছর, ১৫ বছর এবং ২০ বছর মেয়াদী বন্ড। প্রত্যেকটিরই অভিহিত মূল্য এক লাখ টাকা। কিন্তু তালিকাভুক্তির পর থেকে কোনো লেনদেন হয় না।

শেয়ারবাজারে ৫৫ হাজার কোটি টাকার বন্ড লেনদেনের উদ্যোগ

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২৯ নভেম্বর ২০২০, ০৮:৫৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ বাড়াতে বন্ড লেনদেনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর ফলে দীর্ঘদিন পর্যন্ত পড়ে থাকা ৫৫ হাজার কোটি টাকার বন্ড বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স) হিসাবের মাধ্যমে লেনদেন হবে।

এ লক্ষ্যে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সব ধরনের আইনি জটিলতা নিরসনে করণীয় জানাতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

রোববার রাজধানীর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বোর্ড রুমে আয়োজিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। 

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশনার শেখ সামসুদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে সভায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক, ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ, সিডিবিএল, এবং সরকারি বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান আইসিবির প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

সভায় সরকারের ট্রেজারি বন্ডসহ সরকারি সিকিউরিটিজগুলো অতিসত্বর লেনদেনের জন্য সব আইনি জটিলতা দ্রুত নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয় অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক বিভাগ।

বৈঠক শেষে শেখ সামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ সরকারের ট্রেজারি বন্ডসহ সিকিউরিটিজগুলো পুঁজিবাজারে যাতে লেনদেন করা যায়, সেই বিষয়গুলো নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, সভায় বন্ড চালু করে সেকেন্ডারি মার্কেটে তারল্য বাড়াতে সবাই গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

জানা গেছে, শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ২২১টি সরকারি ট্রেজারি বন্ড রয়েছে। ২০০৪ সালে বাজারে সরকারি ট্রেজারি বন্ড তালিকাভুক্ত হয়। বর্তমানে বাজারে মোট ৪ মেয়াদের বন্ড রয়েছে। 

এগুলো হল- ৫ বছর, ১০ বছর, ১৫ বছর এবং ২০ বছর মেয়াদী বন্ড। প্রত্যেকটিরই অভিহিত মূল্য এক লাখ টাকা। কিন্তু তালিকাভুক্তির পর থেকে কোনো লেনদেন হয় না।