কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন ছাড়া ১ লাখ ডলার বিদেশে পাঠানো যাবে
jugantor
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন ছাড়া ১ লাখ ডলার বিদেশে পাঠানো যাবে

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৫ জানুয়ারি ২০২১, ১২:১৬:৫২  |  অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন ছাড়াই এখন থেকে বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান সর্বনিম্ন এক লাখ ডলার বিদেশে পাঠাতে পারবে।

গতকাল সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

প্রজ্ঞাপনে বিগত বছরের বিক্রির ১ শতাংশ অর্থের সঙ্গে এক লাখ ডলারের সীমা রাখা হয়েছে। এ দুটির মধ্যে যেটি বেশি হবে, সেই পরিমাণ অর্থ প্রয়োজনীয় ব্যয়ের জন্য বিদেশে পাঠানো যাবে।

এর আগে গত নভেম্বরে একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আয়কর বিবরণীতে ঘোষিত বিগত বছরের বিক্রির ১ শতাংশ পরিমাণ অর্থ বিদেশি মুদ্রায় পাঠানোর আওতা বাড়ানো হয়।

এতে শুধু প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ ফির মধ্যে সীমিত না রেখে অন্যান্য যৌক্তিক ব্যয় বাবদ অর্থ বিদেশে পাঠানোর অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
ওই নির্দেশনায় অডিট ফি, সার্টিফিকেশন ফি, কমিশনিং ফি, টেস্টিং ফি, মূল্যায়ন ফি বিদেশে পাঠানো যাবে বলে জানানো হয়।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলে কর্মরত যেসব প্রতিষ্ঠান স্থানীয় মুদ্রায় স্থানীয় বাজারে পণ্য বিক্রি করে, তারা বিক্রির ১ শতাংশ অর্থ বিদেশে পাঠাতে পারবে বলে ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে।

তবে যেসব ব্যয় বিদেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের প্রয়োজন হয়, তা ওই প্রজ্ঞাপনের আওতায় থাকবে না।

এ ছাড়া রয়্যালটি, কারিগরি জ্ঞান বা সহায়তা ফি ও ফ্র্যাঞ্চাইজি ফি পাঠানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) অনুমোদনের প্রয়োজন হবে বলে জানানো হয় ওই নির্দেশনায়।

বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ব্যাংক এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন ছাড়া ১ লাখ ডলার বিদেশে পাঠানো যাবে

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৫ জানুয়ারি ২০২১, ১২:১৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন ছাড়াই এখন থেকে বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান সর্বনিম্ন এক লাখ ডলার বিদেশে পাঠাতে পারবে। 

গতকাল সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।   

প্রজ্ঞাপনে বিগত বছরের বিক্রির ১ শতাংশ অর্থের সঙ্গে এক লাখ ডলারের সীমা রাখা হয়েছে। এ দুটির মধ্যে যেটি বেশি হবে, সেই পরিমাণ অর্থ প্রয়োজনীয় ব্যয়ের জন্য বিদেশে পাঠানো যাবে।

এর আগে গত নভেম্বরে একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আয়কর বিবরণীতে ঘোষিত বিগত বছরের বিক্রির ১ শতাংশ পরিমাণ অর্থ বিদেশি মুদ্রায় পাঠানোর আওতা বাড়ানো হয়। 

এতে শুধু প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ ফির মধ্যে সীমিত না রেখে অন্যান্য যৌক্তিক ব্যয় বাবদ অর্থ বিদেশে পাঠানোর অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। 
ওই নির্দেশনায় অডিট ফি, সার্টিফিকেশন ফি, কমিশনিং ফি, টেস্টিং ফি, মূল্যায়ন ফি বিদেশে পাঠানো যাবে বলে জানানো হয়। 

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলে কর্মরত যেসব প্রতিষ্ঠান স্থানীয় মুদ্রায় স্থানীয় বাজারে পণ্য বিক্রি করে, তারা বিক্রির ১ শতাংশ অর্থ বিদেশে পাঠাতে পারবে বলে ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে। 

তবে যেসব ব্যয় বিদেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের প্রয়োজন হয়, তা ওই প্রজ্ঞাপনের আওতায় থাকবে না।

এ ছাড়া রয়্যালটি, কারিগরি জ্ঞান বা সহায়তা ফি ও ফ্র্যাঞ্চাইজি ফি পাঠানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) অনুমোদনের প্রয়োজন হবে বলে জানানো হয় ওই নির্দেশনায়।

বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ব্যাংক এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে।  

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন