ঋণের সুদ হার বেঁধে দেওয়া হলো শেয়ারবাজারেও
jugantor
ঋণের সুদ হার বেঁধে দেওয়া হলো শেয়ারবাজারেও

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৩ জানুয়ারি ২০২১, ১৯:১৮:৩৮  |  অনলাইন সংস্করণ

ব্যাংকের পর এবার শেয়ারবাজারেও ঋণের সুদ হার বেঁধে দেয়া হয়েছে। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) বুধবার ঋণের সুদ হার বেঁধে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো শেয়ারবাজারে শেয়ার কেনার বিপরীতে বিনিয়োগকারীদের দেওয়া ঋণের সর্বোচ্চ সুদহার বেঁধে দেওয়া হলো।

এখন থেকে শেয়ারবাজারের ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো কোনো গ্রাহকের কাছ থেকে ঋণের বিপরীতে ১২ শতাংশের বেশি সুদ নিতে পারবে না বলে জানিয়েছে বিএসইসি।

ব্যাংক ঋণের সুদহার গত বছরের এপ্রিলে এক অঙ্কে নামিয়ে আনার পর থেকে শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীরা মার্জিন ঋণের সুদহার কমানোর দাবি করে আসছিলেন।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা বলছে, ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো যে সুদ হারে টাকা ধার নেবে, তার সঙ্গে সর্বোচ্চ ৩ শতাংশ বাড়তি সুদ যোগ করতে পারবে মার্জিন ঋণের ক্ষেত্রে। সংস্থাটি বলেছে, মার্জিন ঋণের এ সুদহার কোনোভাবেই ১২ শতাংশের বেশি হতে পারবে না।

বর্তমানে শেয়ারবাজারে মার্জিন ঋণের সুদহার সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ। ছুটির দিনে শেয়ারবাজার বন্ধ থাকলেও একই হারে সুদ গণনা হয়।

উল্লেখ্য, শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীরা বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংক থেকে যে ঋণ নিয়ে থাকেন, সেটি মার্জিন ঋণ হিসেবে পরিচিত। ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো সাধারণত বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে টাকা ধারে এনে তা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে মার্জিন ঋণ হিসেবে বিতরণ করে থাকে।

ঋণের সুদ হার বেঁধে দেওয়া হলো শেয়ারবাজারেও

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৩ জানুয়ারি ২০২১, ০৭:১৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ব্যাংকের পর এবার শেয়ারবাজারেও ঋণের সুদ হার বেঁধে দেয়া হয়েছে। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) বুধবার ঋণের সুদ হার বেঁধে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো শেয়ারবাজারে শেয়ার কেনার বিপরীতে বিনিয়োগকারীদের দেওয়া ঋণের সর্বোচ্চ সুদহার বেঁধে দেওয়া হলো।

এখন থেকে শেয়ারবাজারের ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো কোনো গ্রাহকের কাছ থেকে ঋণের বিপরীতে ১২ শতাংশের বেশি সুদ নিতে পারবে না বলে জানিয়েছে বিএসইসি।

ব্যাংক ঋণের সুদহার গত বছরের এপ্রিলে এক অঙ্কে নামিয়ে আনার পর থেকে শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীরা মার্জিন ঋণের সুদহার কমানোর দাবি করে আসছিলেন।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা বলছে, ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো যে সুদ হারে টাকা ধার নেবে, তার সঙ্গে সর্বোচ্চ ৩ শতাংশ বাড়তি সুদ যোগ করতে পারবে মার্জিন ঋণের ক্ষেত্রে। সংস্থাটি বলেছে, মার্জিন ঋণের এ সুদহার কোনোভাবেই ১২ শতাংশের বেশি হতে পারবে না।

বর্তমানে শেয়ারবাজারে মার্জিন ঋণের সুদহার সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ। ছুটির দিনে শেয়ারবাজার বন্ধ থাকলেও একই হারে সুদ গণনা হয়।

উল্লেখ্য, শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীরা বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংক থেকে যে ঋণ নিয়ে থাকেন, সেটি মার্জিন ঋণ হিসেবে পরিচিত। ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো সাধারণত বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে টাকা ধারে এনে তা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে মার্জিন ঋণ হিসেবে বিতরণ করে থাকে।