পদত্যাগ করলেন ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের এমডি
jugantor
পদত্যাগ করলেন ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের এমডি

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২০ জানুয়ারি ২০২১, ২৩:৪৪:০০  |  অনলাইন সংস্করণ

আবদুল খালেক খান

ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডের (আইএলএফএসএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ড. আবদুল খালেক খান পদত্যাগ করেছেন।

বুধবার পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি। আলোচিত প্রশান্ত কুমার (পিকে) হালদারের কারণে প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকদের টাকা ফেরত দিতে পারছে না। আবার টাকা আদায় করতে গিয়ে হুমকির মুখেও পড়েছিলেন আবদুল খালেক খান।

জানতে চাইলে আবদুল খালেক খান যুগান্তরকে বলেন, ‘বুধবার পর্ষদ সভা ছিল। সেখানেই আমি পদত্যাগ করেছি।’

পদত্যাগের কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সবার মত আমিও স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়েছি।’

জানা গেছে, বুধবার পরিচালনা পর্ষদের সভায় চেয়ারম্যানসহ অন্য পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় কয়েকজন পরিচালক অনিয়মে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যে আইনি পদক্ষেপ চলছে, তা বন্ধের জন্য এমডির ওপর চাপ প্রয়োগ করেন। তারা এমডিকে এসব বন্ধ করতে না পারলে বরখাস্ত করার হুমকি দেন। একপর্যায়ে সেই সভাতেই পদত্যাগপত্র জমা দেন আবদুল খালেক খান।

পিকে হালদারের নিয়োগ করা পরিচালকদের সরিয়ে দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক সুপারিশ করলেও তা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। তারাই এখনও প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

সূত্র জানায়, টাকা ফেরত না পেয়ে কয়েকজন গ্রাহক আদালতে গেলে চেয়ারম্যান হিসেবে সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদকে দায়িত্ব দেন। তিনি দায়িত্ব নিয়ে ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগের উদ্যোগ নেন।

ওই সময় কমার্স ব্যাংকের সাবেক এমডি খালেক খান নিয়োগ পান। তবে দায়িত্ব নেয়ার এক মাসের মাথায় ইব্রাহিম খালেদ পদত্যাগ করেন।

পরে আদালত সাবেক সচিব নজরুল ইসলাম খানকে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দেন। আবদুল খালেক খানকে এমডি হিসেবে দায়িত্ব দেন গত বছরের ১৪ জুন। চলতি বছরে আগস্টে তার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল।

পদত্যাগ করলেন ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের এমডি

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২০ জানুয়ারি ২০২১, ১১:৪৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
আবদুল খালেক খান
আবদুল খালেক খান। ফাইল ছবি

ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডের (আইএলএফএসএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ড. আবদুল খালেক খান পদত্যাগ করেছেন। 

বুধবার পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি। আলোচিত প্রশান্ত কুমার (পিকে) হালদারের কারণে প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকদের টাকা ফেরত দিতে পারছে না। আবার টাকা আদায় করতে গিয়ে হুমকির মুখেও পড়েছিলেন আবদুল খালেক খান। 

জানতে চাইলে আবদুল খালেক খান যুগান্তরকে বলেন, ‘বুধবার পর্ষদ সভা ছিল। সেখানেই আমি পদত্যাগ করেছি।’ 

পদত্যাগের কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সবার মত আমিও স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়েছি।’ 

জানা গেছে, বুধবার পরিচালনা পর্ষদের সভায় চেয়ারম্যানসহ অন্য পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় কয়েকজন পরিচালক অনিয়মে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যে আইনি পদক্ষেপ চলছে, তা বন্ধের জন্য এমডির ওপর চাপ প্রয়োগ করেন। তারা এমডিকে এসব বন্ধ করতে না পারলে বরখাস্ত করার হুমকি দেন। একপর্যায়ে সেই সভাতেই পদত্যাগপত্র জমা দেন আবদুল খালেক খান। 

পিকে হালদারের নিয়োগ করা পরিচালকদের সরিয়ে দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক সুপারিশ করলেও তা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। তারাই এখনও প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন। 

সূত্র জানায়, টাকা ফেরত না পেয়ে কয়েকজন গ্রাহক আদালতে গেলে চেয়ারম্যান হিসেবে সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদকে দায়িত্ব দেন। তিনি দায়িত্ব নিয়ে ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগের উদ্যোগ নেন। 

ওই সময় কমার্স ব্যাংকের সাবেক এমডি খালেক খান নিয়োগ পান। তবে দায়িত্ব নেয়ার এক মাসের মাথায় ইব্রাহিম খালেদ পদত্যাগ করেন। 

পরে আদালত সাবেক সচিব নজরুল ইসলাম খানকে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দেন। আবদুল খালেক খানকে এমডি হিসেবে দায়িত্ব দেন গত বছরের ১৪ জুন। চলতি বছরে আগস্টে তার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল।