বেতন-বোনাস দিতে সরকারের কাছে টাকা চান পোশাকশিল্প মালিকরা
jugantor
বেতন-বোনাস দিতে সরকারের কাছে টাকা চান পোশাকশিল্প মালিকরা

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৫ এপ্রিল ২০২১, ২১:১৫:৩৮  |  অনলাইন সংস্করণ

পোশাকশিল্প কর্মী

গতবারের মতো একই শর্তে শ্রমিকদের এপ্রিল, মে ও জুন—এই তিন মাসের বেতন-ভাতা ও বোনাস দিতে সরকারের কাছে ঋণ চেয়েছেন তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতের ব্যবসায়ীরা।

তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের দুই সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসান, নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সভাপতি এ কে এম সেলিম ওসমান এবং বস্ত্রকল মালিকদের সংগঠন বিটিএমএর সভাপতি মোহাম্মদ আলী খোকন রোববার অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালকে চিঠি দিয়ে ঋণ দেওয়ার অনুরোধ করেছেন।

চিঠির অনুলিপি প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মুখ্য সচিব, অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বরাবরও পাঠানো হয়েছে।

এতে দাবি করা হয়েছে, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে বিশ্বের অনেক দেশই আগের মতো লকডাউনে রয়েছে। ফলে যেসব ক্রেতা অর্থ পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তারাও এখন অপারগতা প্রকাশ করছে। এমন অবস্থায় ঈদের আগে সচল কারখানাগুলোর শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও বোনাস প্রদানের জন্য মালিকদের ওপর প্রচণ্ড চাপ রয়েছে। আর্থিক সংকটের কারণে শ্রমিকের বেতন-ভাতা ও বোনাস পরিশোধে অর্থের জোগান দেওয়া কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে রপ্তানিমুখী পোশাকশিল্পকে সহায়তা করার জন্য শ্রমিক-কর্মচারীদের এপ্রিল, মে ও জুন মাসের বেতন-ভাতা ও বোনাস দেওয়ার জন্য আগের মতো সহজ শর্তে ঋণ দেওয়া প্রয়োজন।

বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বিকেএমইএর সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম।

বেতন-বোনাস দিতে সরকারের কাছে টাকা চান পোশাকশিল্প মালিকরা

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৫ এপ্রিল ২০২১, ০৯:১৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
পোশাকশিল্প কর্মী
ফাইল ছবি

গতবারের মতো একই শর্তে শ্রমিকদের এপ্রিল, মে ও জুন—এই তিন মাসের বেতন-ভাতা ও বোনাস দিতে সরকারের কাছে ঋণ চেয়েছেন তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতের ব্যবসায়ীরা।

তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের দুই সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসান, নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সভাপতি এ কে এম সেলিম ওসমান এবং বস্ত্রকল মালিকদের সংগঠন বিটিএমএর সভাপতি মোহাম্মদ আলী খোকন রোববার অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালকে চিঠি দিয়ে ঋণ দেওয়ার অনুরোধ করেছেন। 

চিঠির অনুলিপি প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মুখ্য সচিব, অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বরাবরও পাঠানো হয়েছে।

এতে দাবি করা হয়েছে, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে বিশ্বের অনেক দেশই আগের মতো লকডাউনে রয়েছে। ফলে যেসব ক্রেতা অর্থ পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তারাও এখন অপারগতা প্রকাশ করছে। এমন অবস্থায় ঈদের আগে সচল কারখানাগুলোর শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও বোনাস প্রদানের জন্য মালিকদের ওপর প্রচণ্ড চাপ রয়েছে। আর্থিক সংকটের কারণে শ্রমিকের বেতন-ভাতা ও বোনাস পরিশোধে অর্থের জোগান দেওয়া কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে রপ্তানিমুখী পোশাকশিল্পকে সহায়তা করার জন্য শ্রমিক-কর্মচারীদের এপ্রিল, মে ও জুন মাসের বেতন-ভাতা ও বোনাস দেওয়ার জন্য আগের মতো সহজ শর্তে ঋণ দেওয়া প্রয়োজন।

বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বিকেএমইএর সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন