বিড়ি শ্রমিকদের চার দফা দাবি এনবিআরে

  যুগান্তর ডেস্ক    ১৬ মে ২০১৮, ১৯:৪৮ | অনলাইন সংস্করণ

বিড়ি শ্রমিকদের চার দফা দাবি এনবিআরে

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাছে চার দফা দাবি নিয়ে স্মারকলিপি প্রদান করেছে বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশন।

কয়েক হাজার শ্রমিক কর্মচারির উপস্থিতিতে আজ বুধবার এনবিআর চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের নেতারা।

ফেডারেশনের সভাপতি আমিন উদ্দিন বিএসসি, সাধারণ সম্পাদক এমকে বাঙালি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান ও সাংগঠনিক সম্পাদক হেরিক হোসেন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সকাল ১০টায় এনবিআর কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করেন বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় নেতারা।

এতে সারাদেশ থেকে আগত কয়েক হাজার শ্রমিক, কর্মচারি ও সংশ্লিষ্টরা অংশ নেন।

এ সময় বক্তারা আসন্ন ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে তাদের ৪ দফা দাবি বিবেচনার জন্য সরকারের নিকট অনুরোধ করেন।

দাবিগুলো হলো: ১. দেশে সিগারেট যতদিন থাকবে, বিড়ি শিল্পও ততদিন থাকবে, ২. ভারতের ন্যায় বিড়ি শিল্পকে 'কুটির শিল্প' হিসেবে ঘোষণা করতে হবে,

৩. ভারতের ন্যায় প্রতি হাজার বিড়িতে শুল্ক ১৪ টাকা করতে হবে, ৪. যে সকল বিড়ি কারখানা ২০ লাখ শলাকার কম উৎপাদন করে তাদের করমুক্ত রাখতে হবে।

মানববন্ধনে আমিন উদ্দিন বিএসসি বলেন, গত ১৫ বছর ধরে বিড়ি শিল্প বৈষম্যের শিকার। এ কারণে এই শিল্পের শ্রমিক, কারখানা প্রতিনিয়ত কমে যাচ্ছে।

অসহায় হয়ে পড়ছে লাখ লাখ শ্রমিক। বিশেষ করে নদী ভাঙন এলাকা, মঙ্গা অধিভুক্ত এলাকা যেখানে বেলে মাটিতে তামাক ছাড়া অন্য ফসল হয় না সেখানকার চাষী, ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা নিদারুন দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছে।

অথচ পাশের দেশ ভারত বিড়ি শিল্পকে কুটির শিল্প ঘোষণা দিয়েছে।

তিনি আরো বলেন, শ্রমজীবী মানুষের একমাত্র আশ্রয়, ভরসা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা এ বিষয়ে সুদৃষ্টি দিবেন বলে আশা করি।

সাধারণ সম্পাদক এমকে বাঙালি বলেন, দেশে বিড়ি বন্ধ করলে পাশের দেশ ভারত ও মিয়ানমার হতে চোরাচালানের মাধ্যমে দেশে বিড়ি ঢুকবে।

এতে সরকার রাজস্ব হারাবে, বিড়ি শ্রমিকরা হারাবে তাদের দুমুঠো ভাতের যোগাড়। অসহায় হয়ে পথে বসবে নিরীহ বিড়ি শ্রমিকরা।

এদিকে ভোটের বছরে বিড়ি শিল্পকে বন্ধ করার ঘোষণা দিয়ে সরকারকে বিতর্কিত করার পায়তারা করা হচ্ছে বলে দাবি করেন বক্তারা।

তারা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার কখনও শ্রমিকের পেটে লাথি দিতে পারে না।

সরকারে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আড়াল করতেই এক শ্রেণীর সুবিধাবাদী লোকজন এই শিল্পকে বন্ধ করতে উঠেপড়ে লেগেছে।

 

 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
.