আমরা মানুষের স্বপ্নের জায়গায় কাজ করি: সামি মাহমুদ খান

প্রকাশ : ২০ মে ২০১৮, ১৭:৪৮ | অনলাইন সংস্করণ

  যুগান্তর ডেস্ক   

যেসমস্ত তরুণরা স্বপ্নবাজ ও ধৈর্য্যশীল, তাদের বিজয় কেউ ঠেকাতে পাররে না। তারা একটি নির্দিষ্ট সময়ে তাদের গন্তব্যে পৌঁছে যায়। 

এরকমই একজন তরুণ সামি মাহমুদ খান যার বয়স মাত্র ২৮ বছর। 

তিনি বর্তমানে রিয়েল এস্টেট কোম্পানি স্ট্রাকচার হোল্ডিংস লিমিটেডের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। 

তিনি সম্প্রতি এক সাক্ষাতকারে বলেছেন, মূলত ২০১৬ সালে স্ট্রাকচার হোল্ডিংস লিমিটেডের যাত্রা শুরু হয়। 

বর্তমানে এই সেক্টরে প্রচুর কোম্পানি রয়েছে যাদের অনেকেই গতানুগতিকভাবে কাজ করে আসছে। 

তবে বর্তমানে বেশিরভাগ ক্রেতাই রুচিশীল তারা ক্রিয়েটিভ কাজ পছন্দ করে। 

রিয়েল এস্টেট সেক্টরে অনেকদিন যাবৎ কাজ করে আসছি, কিছু অভিজ্ঞতাও ঝুলিতে জমা হয়েছে। 

চিন্তা করলাম নতুনভাবে এই অভিজ্ঞতাকে কিভাবে কাজে লাগানো যায়। 

সেই থেকে আমি ও আমার এমডি মোহাম্মদ কামাল হোসেন দুজনে মিলে নতুন স্বপ্ন বাস্তবায়নের কাজ শুরু করি। 

রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় আসা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি রিয়েল এস্টেট কোম্পানিতে অনেকদিন জব করেছি। 

তিনটি কোম্পানির সাথে কাজ করেছি। শুরুর দিকে ফ্রিল্যান্সার হিসেবেও কাজ করেছি। 

আর এই পেশা মানুষের স্বপ্নের সাথে জড়িত। আমি নিজে একজন স্বপ্নবাজ তরুণ।

সেই ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন দেখতাম ব্যবসা করবো, ব্যবসায়ী হবো। ছোটবেলা থেকেই যথাসাধ্য পরিশ্রম করছি। 

সবসময়ই যেকোনো কাজে নিজের সর্বোচ্চটাই দেওয়ার চেষ্টা করি। 

আমি শুরু থেকেই মনে করেছি যে, এই সেক্টরে আসলে আমি ভালো করতে পারবো, আত্মবিশ্বাস আছে, তাই এই ব্যবসা শুরু করি।

এতদূর আসতে আপনার কি কি বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছে? এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এমনি এমনি কিছুই হাতের মুঠোয় আসে না। 

পরিশ্রমের সাথে ধৈর্য্য সহকারে কাজ করলে যেকোনো প্রজেক্টই সাকসেস হয়। বাধা যে আসেনি সেটি বলাও ঠিক হবে না। 

অনেক বাধাই এসেছে, তবে সেগুলো আমরা কৌশলে সমাধান করেছি। অনেক সময় প্রজেক্ট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সমস্যায় পড়েছি। 

তখন অনেক শুভাকাঙ্খীদেরকে সঠিকভাবে বোঝানোর পর তাদেরকে পাশে পেয়েছি। 

এইভাবেই নিজেরাই বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করে নিজেদের সমস্যার সমাধান করেছি। 

ব্যবসায় অনুপ্রেরণা প্রসঙ্গে বলেন, আমাদের কোম্পানির পার্টনার ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ কামাল হোসেন। 

তিনি আমাকে ব্যবসা ক্ষেত্রে সবচাইতে বেশি অনুপ্রেরণা দিয়েছেন। শুরু থেকেই তিনি বিভিন্ন বিষয়ে দিক নির্দেশনা সহ সহযোগিতা করে আসছেন।

তরুণরা যারা এই ব্যবসায় আসতে আগ্রহী তাদের উদ্দ্যেশ্যে বলেন, যেকোনো ব্যবসা শুরু করতে হলে প্রথমেই সেই ব্যবসা সম্পর্কে জানতে হবে। 

পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় যারা আসতে আগ্রহী তাদেরকেও এ ব্যবসা সম্পর্কিত পর্যাপ্ত ধারণা ও অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। 

তাহলে তরুণরা এই পেশায় ভালো করতে পারবে। সর্বশেষে তিনি তার ভবিষ্যত পরিকল্পনা সম্পর্কে বলেন, যেহেতু রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় এসেছি।

এই পেশায়ই সর্বোচ্চ অবস্থানে যেতে চাই। মানুষের স্বপ্নের জায়গায় পৌছতে চাই। 

ক্রেতাদের মাঝে মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে চাই। আমি পরিশ্রম ও কাজে বিশ্বাসী। এ ব্যবসায় যারা টপ লেভেলে আছেন, তাদেরকে সবসময়ই ফলো করি।