‘ঋণ শোধের মেয়াদ না বাড়ালে খেলাপি হবেন ৫০ ভাগ ব্যবসায়ী’
jugantor
‘ঋণ শোধের মেয়াদ না বাড়ালে খেলাপি হবেন ৫০ ভাগ ব্যবসায়ী’

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২২ জানুয়ারি ২০২২, ২২:৫৯:০৫  |  অনলাইন সংস্করণ

‘ঋণ শোধের মেয়াদ না বাড়ালে খেলাপি হবেন ৫০ ভাগ ব্যবসায়ী’

ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন বলেছেন, করোনা মহামারির মধ্যে এখনো দেশের ব্যবসাবাণিজ্য ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। এর মধ্যে ওমিক্রনের প্রভাবে আবারও ব্যবসাবাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এমন অবস্থায় ঋণের কিস্তি পরিশোধের সময় কমপক্ষে আগামী জুন পর্যন্ত না বাড়ালে ৫০ শতাংশ ব্যবসায়ী খেলাপি হয়ে যাবেন। ব্যবসাবাণিজ্য সচল রাখার স্বার্থে আগামী জুন পর্যন্ত ঋণের কিস্তি পরিশোধের সময় বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার এফবিসিসিআই আয়োজিত কাউন্সিল অব চেম্বার প্রেসিডেন্টস-২০২২ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এফবিসিসিআই কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সভায় বক্তব্য দেন সারা দেশ থেকে আগত জেলা, সিটি ও নারী উদ্যোক্তাদের চেম্বারগুলোর সভাপতি, সহসভাপতিরা। এতে সভাপতিত্ব করেন কাউন্সিল অব চেম্বার প্রেসিডেন্টসের সভাপতি ও এফবিসিসিআই-এর সিনিয়র সহসভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু।

সভায় ব্যবসায়ীরা বলেন, করোনার দ্বিতীয় ধাক্কার পর এখন ওমিক্রনের সংক্রমণে আবারও ব্যবসাবাণিজ্যে নাজুক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এমন অবস্থায় অনেক ব্যবসায়ীর ঋণের কিস্তি পরিশোধের সক্ষমতা নেই। ঋণ পরিশোধের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক সময় না বাড়ালে ঋণগ্রহীতাদের অনেকেই খেলাপি হবেন, যা দীর্ঘমেয়াদে দেশের অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর হবে।

ব্যবসায়ীদের দাবির প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করে এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, ঋণ শ্রেণীকরণ সুবিধার মেয়াদ না বাড়ালে অন্তত ৫০ শতাংশ ব্যবসায়ী খেলাপি হয়ে যাবেন। মহামারিকালীন মন্দা কাটিয়ে উঠতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিসহায়তা এখন আরও বেশি দরকার। তা না হলে ব্যবসাবাণিজ্য ও অর্থনীতি পুনরুদ্ধার কঠিন হয়ে পড়বে।

তিনি আরও বলেন, করোনা মহামারি নিয়ন্ত্রণে সরকারের নির্দেশে যেসব খাতের ব্যবসায়িক কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছিল, ওই খাতগুলোই এখনো প্রণোদনার ঋণ পায়নি। মহামারিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা। অন্যান্য প্রণোদনা তহবিলের অর্থ প্রায় শতভাগ ছাড় হলেও এসএমই প্রণোদনার বড় অংশ বিতরণ করা সম্ভব হয়নি।

ক্ষুদ্র ও মাঝারি খাতে ছোট আকারের ঋণ দিতে ব্যাংকগুলোর অনীহার কথা উল্লেখ করে এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, ব্যাংকগুলো মনে করে, ছোট আকারের ঋণ দেওয়া লাভজনক নয়। বড় ব্যবসা খাতে ঋণ দিলে ব্যাংকের জনবল ও খরচ কম হয়। কিন্তু এ ধারণা ভুল, বরং এতে মন্দ ঋণের ঝুঁকি বাড়ে। এসএমই খাতে খেলাপি ঋণ নেই বললেই চলে।

দেশে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে সরকারের নীতিনির্ধারণী বৈঠকে বেসরকারি খাতকে অন্তর্ভুক্তির আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অর্থনীতিতে ৮২ শতাংশ অবদান রাখছে বেসরকারি খাত। তাই বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিত্বকারী হিসাবে যে কোনো নীতি প্রণয়নে এফবিসিসিআই-এর মতামত থাকা জরুরি।

উল্লেখ্য, করোনার কারণে ঋণ পরিশোধের বিশেষ ছাড় গত ৩১ ডিসেম্বর শেষ হয়েছে। এখন থেকে নিয়মিত কিস্তি দিতে হবে ঋণগ্রহীতাদের। তা না দিলে নিয়ম অনুযায়ী খেলাপি করা হবে। ডিসেম্বর পর্যন্ত ঋণ শোধ না করতে পারলেও খেলাপি করা হয়নি।

অনুষ্ঠানে সভাপতির ভাষণে মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু বলেন, দেশে এখনো শুল্ক-কর ও ভ্যাট আদায়ে হয়রানির শিকার হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। কোম্পানি আইন, আমদানি ও রপ্তানি আইন নতুন করে হচ্ছে। এসব আইন যেন ব্যবসাবান্ধব হয়, সেজন্য এফবিসিসিআই কাজ করে যাচ্ছে।

সভায় ব্যবসায়ীরা স্থানীয় পর্যায়ে চাঁদাবাজিরও শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন। তারা বলেন, করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পরও জেলা পর্যায়ের ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা সরকার ঘোষিত প্রণোদনা পাচ্ছেন না। এ কারণে প্রান্তিক ব্যবসায়ীদের পক্ষে মহামারি-পরবর্তী উত্তরণ কঠিন হয়ে পড়ছে।

তারা বলেন, কারখানা স্থাপনে ৩৩টি লাইসেন্সের দরকার হয়। এসব সনদ নিতে অনেক ভোগান্তির শিকার হতে হয় উদ্যোক্তাদের। এই সমস্যা সমাধানে ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালুর দাবি জানান ব্যবসায়ীরা।

মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন কিশোরগঞ্জ চেম্বারের সভাপতি মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান, রাজশাহী ওমেন চেম্বারের সহসভাপতি তাহেরা হাসেন, সাতক্ষীরা চেম্বারের সভাপতি নাসিম ফারুক খান, রংপুর চেম্বারের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট গোলাম জাকারিয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া চেম্বারের সভাপতি আজিজুল হক, চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বারের সভাপতি এরফান আলী, পটুয়াখালী ওমেন চেম্বারের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ইসমত জেরিন খান, বাগেরহাট চেম্বারের সভাপতি এসকে লিয়াকত হোসেইন, নীলফামারী চেম্বারের ভাইস প্রেসিডেন্ট ফারহানুল হক, লালমনিরহাট চেম্বারের সহসভাপতি মোড়ল হুমায়ুন কবির, খুলনা চেম্বারের ভাইস প্রেসিডেন্ট শরীফ আতিয়ার রহমান, নরসিংদী চেম্বারের সভাপতি আলী হোসেইন শিশির, গোপালগঞ্জ চেম্বারের সহসভাপতি মোশাররফ হোসেন, দিনাজপুর চেম্বারের সভাপতি রেজা হুমায়ুন ফারুক, বান্দরবান চেম্বারের সহসভাপতি লক্ষ্মীপদ রায়, ঝিনাইদহ চেম্বারের সহসভাপতি নাসিম উদ্দিন, দিনাজপুর উইমেন চেম্বারের সভাপতি জান্নাতুস সাফা শাহীনুর, লক্ষ্মীপুর চেম্বারের এমআর মাছুদ ও সিরাজগঞ্জ চেম্বারের সিনিয়র সহসভাপতি মো. ইসহাক।

এফবিসিসিআই-এর পরিচালকদের মধ্যে বক্তব্য দেন রেজউল করিম, তাহমিন আহমেদ, প্রীতি চক্রবর্তী, নিজাম উদ্দিন ও আনোয়ার উল আলম চৌধুরী পারভেজ।

‘ঋণ শোধের মেয়াদ না বাড়ালে খেলাপি হবেন ৫০ ভাগ ব্যবসায়ী’

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২২ জানুয়ারি ২০২২, ১০:৫৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
‘ঋণ শোধের মেয়াদ না বাড়ালে খেলাপি হবেন ৫০ ভাগ ব্যবসায়ী’
ফাইল ছবি

ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন বলেছেন, করোনা মহামারির মধ্যে এখনো দেশের ব্যবসাবাণিজ্য ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। এর মধ্যে ওমিক্রনের প্রভাবে আবারও ব্যবসাবাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এমন অবস্থায় ঋণের কিস্তি পরিশোধের সময় কমপক্ষে আগামী জুন পর্যন্ত না বাড়ালে ৫০ শতাংশ ব্যবসায়ী খেলাপি হয়ে যাবেন। ব্যবসাবাণিজ্য সচল রাখার স্বার্থে আগামী জুন পর্যন্ত ঋণের কিস্তি পরিশোধের সময় বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তিনি। 

শনিবার এফবিসিসিআই আয়োজিত কাউন্সিল অব চেম্বার প্রেসিডেন্টস-২০২২ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

এফবিসিসিআই কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সভায় বক্তব্য দেন সারা দেশ থেকে আগত জেলা, সিটি ও নারী উদ্যোক্তাদের চেম্বারগুলোর সভাপতি, সহসভাপতিরা। এতে সভাপতিত্ব করেন কাউন্সিল অব চেম্বার প্রেসিডেন্টসের সভাপতি ও এফবিসিসিআই-এর সিনিয়র সহসভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু। 

সভায় ব্যবসায়ীরা বলেন, করোনার দ্বিতীয় ধাক্কার পর এখন ওমিক্রনের সংক্রমণে আবারও ব্যবসাবাণিজ্যে নাজুক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এমন অবস্থায় অনেক ব্যবসায়ীর ঋণের কিস্তি পরিশোধের সক্ষমতা নেই। ঋণ পরিশোধের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক সময় না বাড়ালে ঋণগ্রহীতাদের অনেকেই খেলাপি হবেন, যা দীর্ঘমেয়াদে দেশের অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর হবে। 

ব্যবসায়ীদের দাবির প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করে এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, ঋণ শ্রেণীকরণ সুবিধার মেয়াদ না বাড়ালে অন্তত ৫০ শতাংশ ব্যবসায়ী খেলাপি হয়ে যাবেন। মহামারিকালীন মন্দা কাটিয়ে উঠতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিসহায়তা এখন আরও বেশি দরকার। তা না হলে ব্যবসাবাণিজ্য ও অর্থনীতি পুনরুদ্ধার কঠিন হয়ে পড়বে। 

তিনি আরও বলেন, করোনা মহামারি নিয়ন্ত্রণে সরকারের নির্দেশে যেসব খাতের ব্যবসায়িক কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছিল, ওই খাতগুলোই এখনো প্রণোদনার ঋণ পায়নি। মহামারিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা। অন্যান্য প্রণোদনা তহবিলের অর্থ প্রায় শতভাগ ছাড় হলেও এসএমই প্রণোদনার বড় অংশ বিতরণ করা সম্ভব হয়নি। 

ক্ষুদ্র ও মাঝারি খাতে ছোট আকারের ঋণ দিতে ব্যাংকগুলোর অনীহার কথা উল্লেখ করে এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, ব্যাংকগুলো মনে করে, ছোট আকারের ঋণ দেওয়া লাভজনক নয়। বড় ব্যবসা খাতে ঋণ দিলে ব্যাংকের জনবল ও খরচ কম হয়। কিন্তু এ ধারণা ভুল, বরং এতে মন্দ ঋণের ঝুঁকি বাড়ে। এসএমই খাতে খেলাপি ঋণ নেই বললেই চলে। 

দেশে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে সরকারের নীতিনির্ধারণী বৈঠকে বেসরকারি খাতকে অন্তর্ভুক্তির আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অর্থনীতিতে ৮২ শতাংশ অবদান রাখছে বেসরকারি খাত। তাই বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিত্বকারী হিসাবে যে কোনো নীতি প্রণয়নে এফবিসিসিআই-এর মতামত থাকা জরুরি। 

উল্লেখ্য, করোনার কারণে ঋণ পরিশোধের বিশেষ ছাড় গত ৩১ ডিসেম্বর শেষ হয়েছে। এখন থেকে নিয়মিত কিস্তি দিতে হবে ঋণগ্রহীতাদের। তা না দিলে নিয়ম অনুযায়ী খেলাপি করা হবে। ডিসেম্বর পর্যন্ত ঋণ শোধ না করতে পারলেও খেলাপি করা হয়নি। 

অনুষ্ঠানে সভাপতির ভাষণে মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু বলেন, দেশে এখনো শুল্ক-কর ও ভ্যাট আদায়ে হয়রানির শিকার হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। কোম্পানি আইন, আমদানি ও রপ্তানি আইন নতুন করে হচ্ছে। এসব আইন যেন ব্যবসাবান্ধব হয়, সেজন্য এফবিসিসিআই কাজ করে যাচ্ছে। 

সভায় ব্যবসায়ীরা স্থানীয় পর্যায়ে চাঁদাবাজিরও শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন। তারা বলেন, করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পরও জেলা পর্যায়ের ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা সরকার ঘোষিত প্রণোদনা পাচ্ছেন না। এ কারণে প্রান্তিক ব্যবসায়ীদের পক্ষে মহামারি-পরবর্তী উত্তরণ কঠিন হয়ে পড়ছে। 

তারা বলেন, কারখানা স্থাপনে ৩৩টি লাইসেন্সের দরকার হয়। এসব সনদ নিতে অনেক ভোগান্তির শিকার হতে হয় উদ্যোক্তাদের। এই সমস্যা সমাধানে ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালুর দাবি জানান ব্যবসায়ীরা।

মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন কিশোরগঞ্জ চেম্বারের সভাপতি মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান, রাজশাহী ওমেন চেম্বারের সহসভাপতি তাহেরা হাসেন, সাতক্ষীরা চেম্বারের সভাপতি নাসিম ফারুক খান, রংপুর চেম্বারের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট গোলাম জাকারিয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া চেম্বারের সভাপতি আজিজুল হক, চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বারের সভাপতি এরফান আলী, পটুয়াখালী ওমেন চেম্বারের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ইসমত জেরিন খান, বাগেরহাট চেম্বারের সভাপতি এসকে লিয়াকত হোসেইন, নীলফামারী চেম্বারের ভাইস প্রেসিডেন্ট ফারহানুল হক, লালমনিরহাট চেম্বারের সহসভাপতি মোড়ল হুমায়ুন কবির, খুলনা চেম্বারের ভাইস প্রেসিডেন্ট শরীফ আতিয়ার রহমান, নরসিংদী চেম্বারের সভাপতি আলী হোসেইন শিশির, গোপালগঞ্জ চেম্বারের সহসভাপতি মোশাররফ হোসেন, দিনাজপুর চেম্বারের সভাপতি রেজা হুমায়ুন ফারুক, বান্দরবান চেম্বারের সহসভাপতি লক্ষ্মীপদ রায়, ঝিনাইদহ চেম্বারের সহসভাপতি নাসিম উদ্দিন, দিনাজপুর উইমেন চেম্বারের সভাপতি জান্নাতুস সাফা শাহীনুর, লক্ষ্মীপুর চেম্বারের এমআর মাছুদ ও সিরাজগঞ্জ চেম্বারের সিনিয়র সহসভাপতি মো. ইসহাক। 

এফবিসিসিআই-এর পরিচালকদের মধ্যে বক্তব্য দেন রেজউল করিম, তাহমিন আহমেদ, প্রীতি চক্রবর্তী, নিজাম উদ্দিন ও আনোয়ার উল আলম চৌধুরী পারভেজ।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন