তরুণদের চ্যালেঞ্জ নিতে হবে: মাসুদ খান

প্রকাশ : ৩০ জুন ২০১৮, ১৪:৫৮ | অনলাইন সংস্করণ

  যুগান্তর ডেস্ক   

মাসুদ খান

ক্রাউন সিমেন্ট গ্রুপের চীফ এক্সিকিউটিভ অফিসার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন মাসুদ খান। তিনি তার কর্মস্থল, ক্যারিয়ার ও অন্যান্য বিভিন্ন বিষয় নিয়ে যুগান্তর অনলাইনকে এক সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। 

ক্রাউন সিমেন্ট নিয়ে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ক্রাউন সিমেন্টের জার্নিটা শুরু হয় ১৯৮০ সালে ছোট্ট পরিসরে। ৬০০ টন দিয়ে শুরু হয়ে এখন ১১ হাজার টনে দাঁড়িয়েছে।

প্রতিটি মানুষ তার বাড়িটা বানাতে চায় তার স্বপ্নের মতো করে, ভালো করে মানসম্মত উপকরণ ব্যবহার করে। 

ক্রাউন সিমেন্ট মানুষের মাঝে আস্তাটা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। একটি বড় বিষয় হচ্ছে বাংলাদেশ থেকে যে পরিমাণ সিমেন্ট রপ্তানি হয় তার ৫০% আমরাই রপ্তানি করে থাকি। 

ত্রিপুরা গেলে দেখতে পাওয়া পাবেন সেখানে কী পরিমাণ ক্রাউন সিমেন্ট ব্যবহার করা হয়। তাদের অনেকেই একটা শহরকে ক্রাউন সিটি বলে থাকে। বর্তমানে ইন্ডিয়াতে আমরা রপ্তানি করছি। 

ক্রাউন সিমেন্ট অন্যান্য সিমেন্ট থেকে ব্যতিক্রম। এর দুইটি কারণ- এক. কোয়ালিটি ভালো ও দুই. আমরা সময় মতো ডেলিভারি করে থাকি। আর এসব কারণেই ক্রাউন সিমেন্ট সকলের মাঝে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। 

তিনি বলেন, ক্রেতাদের মাঝে আস্থা অর্জন করতে পেরেছে। আমাদের সিমেন্টের দামটা অন্যান্য সিমেন্টের তুলনায় কিছুটা বেশি। 

তবে ক্রেতারা তা দিতে চায় কারণ আমরা তাদের মাঝে ভালো মানের পণ্য সরবরাহ করছি। তারা চায় তাদের স্বপ্নের বাড়িটা ভালো পণ্য দিয়ে তৈরি করতে। 

তরুণদের ক্যারিয়ার নিয়ে বলতে গিয়ে মাসুদ খান বলেন, ভালো ক্যারিয়ার গঠন করার জন্য অবশ্যই একটা ভিশন ও মিশন থাকতে হবে। 

আমার স্বপ্ন কি? আমি কি করতে চাই, নিজেকে কোথায় দেখতে চাই এসব বিষয়ে সুস্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে।

আমি ইন্ডিয়াতে পড়ালেখা করেছি কারণ আমার বাবা সেখানে ব্যবসা করত। আমাদের সময় ভালো ক্যারিয়ার গঠন করা একটা চ্যালেঞ্জ ছিল। 

এখনো অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে তরুণদেরকে এগিয়ে যেতে হবে। কর্পোরেট লাইফে প্রচুর চ্যালেঞ্জ। প্রতিটা পদে পদেই চ্যালেঞ্জ। প্রতিটা মানুষেরই গোল সুনির্দিষ্ট হওয়া উচিত।

কর্পোরেট সেক্টরে প্রত্যেকেরই চ্যালেঞ্জ নিতে হয়। চ্যালেঞ্জ না নিলে সফল হওয়া যায় না। যতই উপরে উঠবে ততই চ্যালেঞ্জ বাড়বে। 

অনেক বাধা অতিক্রম করতে হয়। বর্তমানে টেকনোলোজির দিক থেকে অনেক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। 

সবাইকে প্রতিটা বিষয় সম্পর্কে আপডেট থাকতে হয়। কর্পোরেট সিইও হওয়ার জন্য ভালো কোয়ালিফিকেশন থাকতে হবে।

ব্যবসা পরিচালনা সংক্রান্ত অভিজ্ঞতাও নিয়মশৃঙ্খলা এক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জ্ঞানের কোন বিকল্প নেই। 

মাসুদ খান বলেন, পজিটিভ চিন্তভাবনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। টিকে থাকার জন্য ধৈর্য্য থাকতে হবে। হতাশ হওয়া যাবে না।