মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসী অর্থায়ন প্রতিরোধে কাজ করছে বিকাশ

  যুগান্তর ডেস্ক    ২৯ আগস্ট ২০১৮, ১৭:০৮ | অনলাইন সংস্করণ

মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসী অর্থায়ন প্রতিরোধে কাজ করছে বিকাশ
মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ বিষয়ক কর্মশালায় বক্তব্য রাখছেন ২ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ব্যাটালিয়ন, টেকনাফের পরিচালক লেঃ কর্নেল আসাদুজ্জামান চৌধুরী। ছবি: বিকাশ

মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসী অর্থায়ন প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বিকাশ টেকনাফ, উখিয়া এবং কক্সবাজার অঞ্চলের শতাধিক এজেন্টদের জন্য একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করে।

এদিকে মুদ্রা পাচার ও সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন প্রতিরোধ সূচকে গত বছর বাংলাদেশের বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

২০১৭ সালে ২৮টি দেশকে পেছনে ফেলে সূচকের ৫৪ নম্বর ঝুঁকিপূর্ণ দেশ থেকে ৮২ নম্বরে উঠে এসে জায়গা করে নেয় বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, ২০১৭ সালের ‘ব্যাসেল এএমএল’ সূচকে সবচেয়ে দ্রুত উন্নয়নকারী ১০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ।

এ সূচক অনুযায়ী সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশের মধ্যে রয়েছে- ইরান ও আফগানিস্তান। সবচেয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ ফিনল্যান্ড।

মুদ্রাপাচার ও সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন ঝুঁকির নিরিখে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে আফগানিস্তানের অবস্থান দুই নম্বরে, এছাড়া মিয়ানমার ১৩, নেপাল ১৪, শ্রীলঙ্কা ২৫, পাকিস্তান ৪৬, বাংলাদেশ ৮২ এবং ভারত রয়েছে ৮৮ নম্বরে।

সূচকে যথাক্রমে ১১৬ ও ১১৮ নম্বর অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য।

সুইজারল্যান্ড ভিত্তিক দ্য ব্যাসেল ইনস্টিটিউট অন গভর্ননেন্স বিশ্বের ১৪৬টি দেশের মুদ্রা পাচার ও সন্ত্রাসবাদে অর্থায়নের ঝুঁকি নিরূপণ করে গত ১৬ অগাস্ট ২০১৭ সালের ‘ব্যাসেল অ্যান্টি মানি লন্ডারিং (এএমএল) ইনডেক্স’ প্রকাশ করে।

ব্যাসেল এএমএল সূচক অনুযায়ী, দ্রুত উন্নয়নকারী ১০টি দেশের মধ্যে রয়েছে- সুদান, তাইওয়ান, ইসরাইল, বাংলাদেশ, জার্মানি, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, লুক্সেমবার্গ, লাটভিয়া ও গ্রিস।

সূচকে বাংলাদেশের দ্রুত উন্নয়নের কারণ হিসেবে ২০১৬ সালে দেশে মুদ্রা পাচার ও সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন প্রতিরোধ ব্যবস্থার উপর এপিজি পরিচালিত ‘মিউচ্যুয়াল ইভাল্যুয়েশন রিপোর্টে’ উন্নতিকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

এপিজির ‘মিউচ্যুয়াল ইভাল্যুয়েশন রিপোর্ট’ অনুযায়ী, বাংলাদেশ এফএটিএফ’র ৪০টি সুপারিশের বিপরীতে ছয়টিতে ‘কমপ্লায়েন্ট’, ২২টিতে ‘অধিকাংশ কমপ্লায়েন্ট’ এবং ১২টিতে ‘আংশিক কমপ্লায়েন্ট’ রেটিং পেয়েছে।

বাংলাদেশ এফএটিএফ’র ৪০টি সুপারিশের সবকটিই বাস্তবায়ন করেছে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক সংস্থা ব্যাসেল ইনস্টিটিউট কোন একটি দেশের মুদ্রা পাচার ও সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন প্রতিরোধ ব্যবস্থায় ঘাটতি, স্বচ্ছতার ঘাটতি, উচ্চপর্যায়ে দুর্নীতির ধারণা সূচক, আর্থিক মানদণ্ড ও স্বচ্ছতা এবং দুর্বল রাজনৈতিক অধিকার ও আইনের শাসনের উপর ভিত্তি করে ব্যাসেল এএমএল সূচক তৈরি করে থাকে।

২০১২ সাল থেকে এ সূচক তৈরি করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। এরই প্রেক্ষিতে বাংলাদেশে এ খাতে আরও উন্নতির জন্য কাজ শুরু করেছে বিকাশ। সে ধারাবাহিকতায় নিয়মিতভাবে এ কর্মসূচি পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter