প্রবাসীদের জন্য নতুন সুযোগ
jugantor
প্রবাসীদের জন্য নতুন সুযোগ

  যুগান্তর রিপোর্ট  

০৯ আগস্ট ২০২০, ২০:১৮:০১  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রবাসীদের জন্য সঞ্চয় স্কিম চালুর সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রবাসীরা এখন মাসিক কিংবা ত্রৈমাসিক কিস্তিভিত্তিক এ সঞ্চয় স্কিম খুলতে পারবেন।

সঞ্চয় স্কিমের মেয়াদ এক বছর অথবা তার চেয়ে বেশি হবে। এ ছাড়া সঞ্চয় স্কিমের স্থিতি জামানত রেখে প্রবাসীরা ঋণ নেয়ারও সুযোগ পাবেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ থেকে রোববার এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করা হয়েছে।

জানা গেছে, বর্তমানে প্রবাসীদের জন্য তিন ধরনের সঞ্চয় বন্ড চালু রয়েছে। এগুলোতে শুধু বৈদেশিক মুদ্রায় বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। তবে নতুন নির্দেশনার ফলে স্থানীয় মুদ্রা টাকায়ও বিনিয়োগ করতে পারবেন প্রবাসীরা।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, বিদেশ থেকে ব্যাংকিং চ্যানেলে কিংবা এক্সচেঞ্জ হাউজের মাধ্যমে পাঠানো রেমিট্যান্স নগদায়নের মাধ্যমে, বাংলাদেশে বেড়াতে আসার সময় প্রবাসীর সঙ্গে আনা বৈদেশিক মুদ্রা দ্বারা এবং প্রবাসীদের নামে পরিচালিত বৈদেশিক মুদ্রা হিসাবের স্থিতি নগদায়নের মাধ্যমে সঞ্চয় স্কিমে অর্থ জমা করা যাবে। বিদেশে যাওয়ার আগে কোনো জমা প্রদান ছাড়াই এ সংক্রান্ত হিসাব খোলা যাবে।

এসব সঞ্চয় স্কিমে প্রতিযোগিতামূলক হারে সুদ প্রদান করতে পারবে ব্যাংক। একই সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রা নগদায়নের মাধ্যমে পরিচালিত হিসাব বিবেচনায় সুদে বিশেষ সহায়তা প্রদান করার কথাও বলা হয়েছে সার্কুলারে।

সার্কুলারে বলা হয়, সঞ্চয় স্কিমের মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার পর প্রবাসী হিসাবধারীর মনোনীত ব্যক্তিকে স্কিমে জমানো অর্থ সুদসহ প্রদান করতে পারবে ব্যাংক। তবে বিকল্প ব্যবস্থায় প্রবাসী ব্যক্তি চাইলে সঞ্চয় স্কিমের স্থিতি দ্বারা নতুন করে তার নামে স্থায়ী আমানত হিসাবও খুলতে পারবে। সেই সুযোগও রাখা হয়েছে।

এতে বলা হয়, হিসাবধারী প্রবাসী স্থায়ীভাবে দেশে চলে আসার পর ওই হিসাবের স্থিতি এককালীন কিংবা পেনশন পদ্ধতিতে মাসিক বা ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে হিসাবধারী গ্রহণ করতে পারবেন। সঞ্চয় স্কিম চলাকালীন হিসাবধারী দেশে প্রত্যাবর্তন করলে এবং স্থানীয় উৎসের আয় দ্বারা ওই স্কিম নিবাসী হিসাবের মতো পরিচালনা করতে পারবেন।

এছাড়াও প্রবাসীদের জন্য আরও সুযোগ রাখা হয়েছে। যদি কোনো প্রবাসীর বিদেশে অবস্থানকালে অর্থের প্রয়োজন হয় তাহলে উপযুক্ত কারণ সাপেক্ষে আবেদন করলে প্রয়োজনীয় অর্থ বিদেশে নিতে পারবেন, অর্থ প্রেরণের বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংক বিবেচনা করবে বলে সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রবাসীদের জন্য নতুন সুযোগ

 যুগান্তর রিপোর্ট 
০৯ আগস্ট ২০২০, ০৮:১৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রবাসীদের জন্য সঞ্চয় স্কিম চালুর সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রবাসীরা এখন মাসিক কিংবা ত্রৈমাসিক কিস্তিভিত্তিক এ সঞ্চয় স্কিম খুলতে পারবেন।

সঞ্চয় স্কিমের মেয়াদ এক বছর অথবা তার চেয়ে বেশি হবে। এ ছাড়া সঞ্চয় স্কিমের স্থিতি জামানত রেখে প্রবাসীরা ঋণ নেয়ারও সুযোগ পাবেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ থেকে রোববার এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করা হয়েছে।

জানা গেছে, বর্তমানে প্রবাসীদের জন্য তিন ধরনের সঞ্চয় বন্ড চালু রয়েছে। এগুলোতে শুধু বৈদেশিক মুদ্রায় বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। তবে নতুন নির্দেশনার ফলে স্থানীয় মুদ্রা টাকায়ও বিনিয়োগ করতে পারবেন প্রবাসীরা।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, বিদেশ থেকে ব্যাংকিং চ্যানেলে কিংবা এক্সচেঞ্জ হাউজের মাধ্যমে পাঠানো রেমিট্যান্স নগদায়নের মাধ্যমে, বাংলাদেশে বেড়াতে আসার সময় প্রবাসীর সঙ্গে আনা বৈদেশিক মুদ্রা দ্বারা এবং প্রবাসীদের নামে পরিচালিত বৈদেশিক মুদ্রা হিসাবের স্থিতি নগদায়নের মাধ্যমে সঞ্চয় স্কিমে অর্থ জমা করা যাবে। বিদেশে যাওয়ার আগে কোনো জমা প্রদান ছাড়াই এ সংক্রান্ত হিসাব খোলা যাবে।

এসব সঞ্চয় স্কিমে প্রতিযোগিতামূলক হারে সুদ প্রদান করতে পারবে ব্যাংক। একই সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রা নগদায়নের মাধ্যমে পরিচালিত হিসাব বিবেচনায় সুদে বিশেষ সহায়তা প্রদান করার কথাও বলা হয়েছে সার্কুলারে।

সার্কুলারে বলা হয়, সঞ্চয় স্কিমের মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার পর প্রবাসী হিসাবধারীর মনোনীত ব্যক্তিকে স্কিমে জমানো অর্থ সুদসহ প্রদান করতে পারবে ব্যাংক। তবে বিকল্প ব্যবস্থায় প্রবাসী ব্যক্তি চাইলে সঞ্চয় স্কিমের স্থিতি দ্বারা নতুন করে তার নামে স্থায়ী আমানত হিসাবও খুলতে পারবে। সেই সুযোগও রাখা হয়েছে।

এতে বলা হয়, হিসাবধারী প্রবাসী স্থায়ীভাবে দেশে চলে আসার পর ওই হিসাবের স্থিতি এককালীন কিংবা পেনশন পদ্ধতিতে মাসিক বা ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে হিসাবধারী গ্রহণ করতে পারবেন। সঞ্চয় স্কিম চলাকালীন হিসাবধারী দেশে প্রত্যাবর্তন করলে এবং স্থানীয় উৎসের আয় দ্বারা ওই স্কিম নিবাসী হিসাবের মতো পরিচালনা করতে পারবেন।

এছাড়াও প্রবাসীদের জন্য আরও সুযোগ রাখা হয়েছে। যদি কোনো প্রবাসীর বিদেশে অবস্থানকালে অর্থের প্রয়োজন হয় তাহলে উপযুক্ত কারণ সাপেক্ষে আবেদন করলে প্রয়োজনীয় অর্থ বিদেশে নিতে পারবেন, অর্থ প্রেরণের বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংক বিবেচনা করবে বলে সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে।