প্রবাসীদের রেমিটেন্সে ইতিহাস
jugantor
প্রবাসীদের রেমিটেন্সে ইতিহাস

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১১ মে ২০২১, ২১:১২:২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

মহামারি করোনা কারণে অর্থনীতি থেকে শুরু করে সব দিক থেকেই বিপর্যস্ত পুরো বিশ্ব।ঘুরে দাঁড়াতে চাইলেই করোনার দ্বিতীয় ঢেউ, তৃতীয় ঢেউ এসে হানা দিচ্ছে।বাংলাদেশও এখন করোনার দ্বিতীয় আঘাতের শিকার হয়েছে।কিন্তু এরমধ্যেই আশা জাগাচ্ছে দেশের অর্থনীতি।প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সে রেকর্ড গড়েছে, যা স্বাধীন বাংলাদেশে নতুন ইতিহাস।

করোনার মধ্যেও প্রবাসীদের টাকা আসছে বানের ঢেউয়ের মতো।আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রবাসীরা তাদের পরিবারের জন্য চলতি মাসের (মে) মাত্র ৯ দিনে দেশে ৯১ কোটি ৯০ লাখ ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা) পাঠিয়েছেন।এত রেমিটেন্স আর কখনো আসেনি এই সময়ে।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র এই তথ্য জানিয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, দেশে থাকা পরিবার যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে ঈদ উদযাপন করতে পারে সে জন্য এই সময়ে প্রবাসীরা বাড়তি রেমিটেন্স পাঠান।এবারও রেকর্ড রেমিটেন্স এসেছে।

এর আগে গত ৩ মে কর্মদিবস শেষে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৫ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলারের রেকর্ড ছাড়িয়ে নতুন ইতিহাস গড়ে।এই রেকর্ডে বড় ভূমিকা রেখেছে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স।

গেল এপ্রিলে ২০৬ কোটি ৭০ লাখ (২ দশমিক শূন্য ৬ বিলিয়ন) ডলার রেমিটেন্স পাঠান প্রবাসীরা, যা দেশের ইতিহাসে এক মাসে এত রেমিটেন্স আগে কখনই আসেনি।

প্রবাসীদের রেমিটেন্সে ইতিহাস

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১১ মে ২০২১, ০৯:১২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মহামারি করোনা কারণে অর্থনীতি থেকে শুরু করে সব দিক থেকেই বিপর্যস্ত পুরো বিশ্ব।ঘুরে দাঁড়াতে চাইলেই করোনার দ্বিতীয় ঢেউ, তৃতীয় ঢেউ এসে হানা দিচ্ছে।বাংলাদেশও এখন করোনার দ্বিতীয় আঘাতের শিকার হয়েছে।কিন্তু এরমধ্যেই আশা জাগাচ্ছে দেশের অর্থনীতি।প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সে রেকর্ড গড়েছে, যা স্বাধীন বাংলাদেশে নতুন ইতিহাস।

করোনার মধ্যেও প্রবাসীদের টাকা আসছে বানের ঢেউয়ের মতো।আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রবাসীরা তাদের পরিবারের জন্য চলতি মাসের (মে) মাত্র ৯ দিনে দেশে ৯১ কোটি ৯০ লাখ ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা) পাঠিয়েছেন।এত রেমিটেন্স আর কখনো আসেনি এই সময়ে।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র এই তথ্য জানিয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, দেশে থাকা পরিবার যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে ঈদ উদযাপন করতে পারে সে জন্য এই সময়ে প্রবাসীরা বাড়তি রেমিটেন্স পাঠান।এবারও রেকর্ড রেমিটেন্স এসেছে।

এর আগে গত ৩ মে কর্মদিবস শেষে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৫ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলারের রেকর্ড ছাড়িয়ে নতুন ইতিহাস গড়ে।এই রেকর্ডে বড় ভূমিকা রেখেছে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স।

গেল এপ্রিলে ২০৬ কোটি ৭০ লাখ (২ দশমিক শূন্য ৬ বিলিয়ন) ডলার রেমিটেন্স পাঠান প্রবাসীরা, যা দেশের ইতিহাসে এক মাসে এত রেমিটেন্স আগে কখনই আসেনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন