ডলারের এক রেট নির্ধারণের সিদ্ধান্ত আসছে
jugantor
ডলারের এক রেট নির্ধারণের সিদ্ধান্ত আসছে

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ২১:৪৫:২০  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রবাসীদের কাছ থেকে রেমিট্যান্স (ডলার) কেনার ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা লক্ষ্য করা যায়। যে ব্যাংক বেশি দাম দিতে পারে তারা রেমিট্যান্স পায়। এ সমস্যা সমাধানে রেমিট্যান্স কেনার ক্ষেত্রে এক দাম নির্ধারণের সুপারিশ করেছে ব্যাংকগুলো।

বৃহস্পতিবারের প্রাথমিক বৈঠকে কোনো সিদ্ধান্ত না হলেও আগামী রোববার এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি) এবং বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বাফেদা) বৃহস্পতিবার বৈঠক হয়।

ডলার সংকট নিরসনে ডাকা বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আহমেদ জামাল। এতে বাফেদার চেয়ারম্যান আফজাল করিম, এবিবির চেয়ারম্যান সেলিম আর এফ হোসেনসহ বিভিন্ন ব্যাংকের এমডিরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে বাফেদার চেয়ারম্যান ও সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আফজাল করিম বলেন, ডলারের দাম যাতে আর না বাড়ে সে ধরনের উদ্যোগ আমরা নিতে যাচ্ছি। বাজারকে স্থিতিশীল করার জন্য যে ধরনের উদ্যোগ নেওয়া দরকার তা নেওয়া হবে। এজন্য আরও সপ্তাহখানেক সময়ের প্রয়োজন। শিগগিরই ডলার সংকট কেটে যাবে বলেও আশা ব্যক্ত করেন তিনি।

সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মাশরুর আরেফিন বলেন, ত্রিপক্ষীয় বৈঠক আরও কয়েক দিন চলবে। বাস্তবে মার্কেটের অবস্থা কী তা বোঝার চেষ্টা করছি।

এবিবির চেয়ারম্যান ও ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সেলিম আর এফ হোসেন বলেন, ডলার মার্কেট নিয়ে আগামীতে কী ধরনের নীতিমালা করা যেতে পারে সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আগামী রোববারের মধ্যে একটা সিদ্ধান্ত আসবে।

তিনি আরও বলেন, দেশের চলতি হিসাব ভারসাম্য (কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স) অনেকটাই ইতিবাচক (পজিটিভ)। পার্থক্যটা অনেকাংশে কমে এসেছে। ভবিষ্যতে এ ঘাটতি আরও কমে আসবে। সুতরাং ডলার সংকট খুব বেশি দিন থাকবে না।

প্রসঙ্গত, ডলার বিক্রি করে অতিরিক্ত মুনাফা করায় কিছু দিন আগে ছয়টি ব্যাংকের কাছে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছিল। নতুন করে আরও ছয়টি ব্যাংককে ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য চিঠি পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কারণ কোনো কোনো ব্যাংক ডলার বিক্রিতে ৭৭০ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফা করেছে।

ডলারের এক রেট নির্ধারণের সিদ্ধান্ত আসছে

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৯:৪৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রবাসীদের কাছ থেকে রেমিট্যান্স (ডলার) কেনার ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা লক্ষ্য করা যায়। যে ব্যাংক বেশি দাম দিতে পারে তারা রেমিট্যান্স পায়। এ সমস্যা সমাধানে রেমিট্যান্স কেনার ক্ষেত্রে এক দাম নির্ধারণের সুপারিশ করেছে ব্যাংকগুলো। 

বৃহস্পতিবারের প্রাথমিক বৈঠকে কোনো সিদ্ধান্ত না হলেও আগামী রোববার এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি) এবং বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বাফেদা) বৃহস্পতিবার বৈঠক হয়। 

ডলার সংকট নিরসনে ডাকা বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আহমেদ জামাল। এতে বাফেদার চেয়ারম্যান আফজাল করিম, এবিবির চেয়ারম্যান সেলিম আর এফ হোসেনসহ বিভিন্ন ব্যাংকের এমডিরা উপস্থিত ছিলেন। 

বৈঠক শেষে বাফেদার চেয়ারম্যান ও সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আফজাল করিম বলেন, ডলারের দাম যাতে আর না বাড়ে সে ধরনের উদ্যোগ আমরা নিতে যাচ্ছি। বাজারকে স্থিতিশীল করার জন্য যে ধরনের উদ্যোগ নেওয়া দরকার তা নেওয়া হবে। এজন্য আরও সপ্তাহখানেক সময়ের প্রয়োজন। শিগগিরই ডলার সংকট কেটে যাবে বলেও আশা ব্যক্ত করেন তিনি। 

সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মাশরুর আরেফিন বলেন, ত্রিপক্ষীয় বৈঠক আরও কয়েক দিন চলবে। বাস্তবে মার্কেটের অবস্থা কী তা বোঝার চেষ্টা করছি। 

এবিবির চেয়ারম্যান ও ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সেলিম আর এফ হোসেন বলেন, ডলার মার্কেট নিয়ে আগামীতে কী ধরনের নীতিমালা করা যেতে পারে সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আগামী রোববারের মধ্যে একটা সিদ্ধান্ত আসবে। 

তিনি আরও বলেন, দেশের চলতি হিসাব ভারসাম্য (কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স) অনেকটাই ইতিবাচক (পজিটিভ)। পার্থক্যটা অনেকাংশে কমে এসেছে। ভবিষ্যতে এ ঘাটতি আরও কমে আসবে। সুতরাং ডলার সংকট খুব বেশি দিন থাকবে না।

প্রসঙ্গত, ডলার বিক্রি করে অতিরিক্ত মুনাফা করায় কিছু দিন আগে ছয়টি ব্যাংকের কাছে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছিল। নতুন করে আরও ছয়টি ব্যাংককে ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য চিঠি পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কারণ কোনো কোনো ব্যাংক ডলার বিক্রিতে ৭৭০ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফা করেছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন