বিজেএমসি বিলুপ্ত করে বন্ধ পাটকল চালুর প্রস্তাব
jugantor
বিজেএমসি বিলুপ্ত করে বন্ধ পাটকল চালুর প্রস্তাব

  যুগান্তর রিপোর্ট  

০৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৯:৪১:০৩  |  অনলাইন সংস্করণ

বিজেএমসি বিলুপ্ত করে বন্ধ পাটকল চালুর প্রস্তাব

পাটকলগুলোর ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ-বিজেএমসি বিলুপ্ত করে বন্ধ পাটকলগুলো সরকারি ব্যবস্থাপনায়ই প্রতিটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে চালু করার প্রস্তাব দিয়েছে শ্রমিক সংগঠন।

বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে পাট-সুতা ও বস্ত্রকল শ্রমিক কর্মচারী সংগ্রাম পরিষদের আলোচনায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এই প্রস্তাব দেন ১৪ দলের শরিক জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু।

লোকসানের কারণ দেখিয়ে গত জুনে রাষ্ট্রায়ত্ত ২৬টি পাটকলের প্রায় ২৫ হাজার শ্রমিককে অবসরে পাঠিয়ে এগুলো বন্ধ করে দেয় সরকার। যদিও লোকসানের জন্য বিজেএমসিকেই দায়ী করেন পাটমন্ত্রী গাজী গোলাম দস্তগীর।

সরকারের উদ্দেশে সাবেক মন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন, প্রত্যেকটা পাটকলকে একটা স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঘোষণা করুন। সেগুলোর ব্যবস্থাপনার একটা আধুনিক পদ্ধতিতে আসুন। এ ব্যবস্থা প্রবর্তনের জন্য যত টাকা লাগে দিন, উৎপাদন এমনিতেই বাড়বে। শ্রমিকদের অবসরে পাঠানোর জন্য যে ৫ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে, সেই টাকা দিয়েই পাটকলগুলো আধুনিকায়নের মাধ্যমে লাভজনক করা সম্ভব বলে মনে করেন ইনু।

ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে ১৪ দলের আরেক শরিক ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেন, পাটকলগুলো বন্ধ করলে আমরা একদিকে যেমন দক্ষ শ্রমিক হারিয়ে ফেলব, তেমনি শ্রমিকদের পক্ষেও মধ্যবয়সে এসে পেশা পরিবর্তন করা সম্ভব হবে না। আমাদের যে আন্তর্জাতিক বাজার, সেটিও আমরা আর ফিরে পাব না। তাই পাটখাতের ব্যাপারটাকে এখন এড়িয়ে যাওয়া যাবে না।

পাট-সুতা ও বস্ত্রকল শ্রমিক কর্মচারী সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ও পাট কমিশনের সাবেক সদস্য সহিদুল্লাহ চৌধুরী জানান, বর্তমানে বিজেএমসি পরিচালিত ২২টি কারখানার হেসিয়ান, সেকিং, সিবিসি- এই তিন ধরনের মোট ১০ হাজার ৮৩৫টি তাঁত রয়েছে। আধুনিক স্বয়ংক্রিয় তাঁতের তুলনায় এগুলোর উৎপাদন ক্ষমতা অত্যন্ত কম। পুরনো হয়ে যাওয়ার কারণে উৎপাদন ক্ষমতা আরও কমে গেছে। তাই চায়নিজ স্বয়ংক্রিয় তাঁত ব্যবহার করলে বছরে ৩৬ টন উৎপাদন করা সম্ভব। আর বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে সরবরাহ চুক্তি করতে পারলে স্বাভাবিকভাবেই পাটশিল্প নতুনভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে সক্ষম হবে বলে মনে করেন এই নেতা।

বিজেএমসি বিলুপ্ত করে বন্ধ পাটকল চালুর প্রস্তাব

 যুগান্তর রিপোর্ট 
০৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৭:৪১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বিজেএমসি বিলুপ্ত করে বন্ধ পাটকল চালুর প্রস্তাব
ফাইল ছবি

পাটকলগুলোর ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ-বিজেএমসি বিলুপ্ত করে বন্ধ পাটকলগুলো সরকারি ব্যবস্থাপনায়ই প্রতিটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে চালু করার প্রস্তাব দিয়েছে শ্রমিক সংগঠন।

বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে পাট-সুতা ও বস্ত্রকল শ্রমিক কর্মচারী সংগ্রাম পরিষদের আলোচনায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এই প্রস্তাব দেন ১৪ দলের শরিক জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু।

লোকসানের কারণ দেখিয়ে গত জুনে রাষ্ট্রায়ত্ত ২৬টি পাটকলের প্রায় ২৫ হাজার শ্রমিককে অবসরে পাঠিয়ে এগুলো বন্ধ করে দেয় সরকার।  যদিও লোকসানের জন্য বিজেএমসিকেই দায়ী করেন পাটমন্ত্রী গাজী গোলাম দস্তগীর।

সরকারের উদ্দেশে সাবেক মন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন, প্রত্যেকটা পাটকলকে একটা স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঘোষণা করুন।  সেগুলোর ব্যবস্থাপনার একটা আধুনিক পদ্ধতিতে আসুন।  এ ব্যবস্থা প্রবর্তনের জন্য যত টাকা লাগে দিন, উৎপাদন এমনিতেই বাড়বে।  শ্রমিকদের অবসরে পাঠানোর জন্য যে ৫ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে, সেই টাকা দিয়েই পাটকলগুলো আধুনিকায়নের মাধ্যমে লাভজনক করা সম্ভব বলে মনে করেন ইনু।

ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে ১৪ দলের আরেক শরিক ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেন, পাটকলগুলো বন্ধ করলে আমরা একদিকে যেমন দক্ষ শ্রমিক হারিয়ে ফেলব, তেমনি শ্রমিকদের পক্ষেও মধ্যবয়সে এসে পেশা পরিবর্তন করা সম্ভব হবে না।  আমাদের যে আন্তর্জাতিক বাজার, সেটিও আমরা আর ফিরে পাব না।  তাই পাটখাতের ব্যাপারটাকে এখন এড়িয়ে যাওয়া যাবে না।

পাট-সুতা ও বস্ত্রকল শ্রমিক কর্মচারী সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ও পাট কমিশনের সাবেক সদস্য সহিদুল্লাহ চৌধুরী জানান, বর্তমানে বিজেএমসি পরিচালিত ২২টি কারখানার হেসিয়ান, সেকিং, সিবিসি- এই তিন ধরনের মোট ১০ হাজার ৮৩৫টি তাঁত রয়েছে।  আধুনিক স্বয়ংক্রিয় তাঁতের তুলনায় এগুলোর উৎপাদন ক্ষমতা অত্যন্ত কম।  পুরনো হয়ে যাওয়ার কারণে উৎপাদন ক্ষমতা আরও কমে গেছে।  তাই চায়নিজ স্বয়ংক্রিয় তাঁত ব্যবহার করলে বছরে ৩৬ টন উৎপাদন করা সম্ভব। আর বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে সরবরাহ চুক্তি করতে পারলে স্বাভাবিকভাবেই পাটশিল্প নতুনভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে সক্ষম হবে বলে মনে করেন এই নেতা।