হোলসেল ক্লাবকে আরও বহুদূর নিয়ে যেতে হবে
jugantor
বর্ষপূর্তিতে যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান সালমা ইসলাম এমপি
হোলসেল ক্লাবকে আরও বহুদূর নিয়ে যেতে হবে

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১৫ অক্টোবর ২০২০, ২০:৪১:৩১  |  অনলাইন সংস্করণ

যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান এবং সাবেক মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি বলেছেন, মানুষের সেবায় দেশের প্রথম হাইপার মার্কেট হোলসেল ক্লাব প্রতিষ্ঠা করেছিলেন যমুনা গ্রুপের স্বপ্নদ্রষ্টা নুরুল ইসলাম। তিনি আমাদের মাঝে নেই; কিন্তু তার দেখানো পথে, তার আদর্শকে বুকে ধারণ করে হোলসেল ক্লাবকে আরও বহুদূর নিয়ে যেতে হবে। তবেই তার প্রতি যথাযথ সম্মান দেখানো হবে।

বৃহস্পতিবার যমুনা ফিউচার পার্কে হোলসেল ক্লাবের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- যমুনা গ্রুপের পরিচালক শেখ মোহাম্মদ আবদুল ওয়াদুদ, সারীয়াত তাসরীন সোনিয়া, মনিকা নাজনীন ইসলাম, সুমাইয়া রোজালিন ইসলাম, জাকির হোসেন, মেহনাজ ইসলাম তানিয়া, যুগান্তরের সম্পাদক ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাইফুল আলম, হোলসেল ক্লাবের মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন) লোকমান হোসেন প্রমুখ।

সালমা ইসলাম বলেন, আজকের এই দিনে তার (নুরুল ইসলাম) কথা মনে পড়ছে। তিনি সব সময় চেয়েছেন দেশেই বিশ্বমানের হাইপার মার্কেট গড়ে তুলবেন; যার ধারাবাহিকতায় হোলসেল ক্লাব চালু করে যমুনা গ্রুপ। যারা হোলসেল ক্লাবে কেনাকাটা করতে এসেছেন, তারাই ভালো বলতে পারবেন এখানকার পণ্যের মান ও সেবা সম্পর্কে।
হোলসেল ক্লাবের প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারী সর্বদা মানুষের সেবায় নিয়োজিত। তাই নিজস্ব তত্ত্বাবধানে সরাসরি বিদেশ থেকে ভেজালমুক্ত পণ্য আমদানি করে, যা দামেও সাশ্রয়ী। করোনা মহামারীর কারণে সাপ্লাই চেইনে কিছুটা ব্যাঘাত ঘটলেও তা পুষিয়ে নেয়া হয়েছে।

হোলসেল ক্লাবের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, সব সময় ক্রেতাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখবেন, তাদের ভালোবাসবেন। ক্রেতাদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করবেন, হাসিমুখে কথা বলবেন। তাহলে ক্রেতারাই আমাদের সবচেয়ে বড় ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হবেন।

যমুনা গ্রুপের পরিচালক সারীয়াত তাসরীন সোনিয়া বলেন, করোনা মহামারীতেও ক্রেতাদের সীমিত পরিসরে সেবা দিয়েছে হোলসেল ক্লাব। মহামারীতে সঙ্গে থাকা ও পাশে থাকায় ক্রেতাদেরও ধন্যবাদ জানাই। আগামীতে হোলসেল ক্লাব ক্রেতার প্রত্যাশা পূরণে সাধ্যমতো চেষ্টা করবে।

যুগান্তরের সম্পাদক ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাইফুল আলম বলেন, যমুনা গ্রুপকে তিলে তিলে গড়ে তুলেছেন নুরুল ইসলাম। একাগ্র নিষ্ঠায় এই কিংবদন্তি অল্পদিনেই গড়ে তুলেছেন ৪১টি প্রতিষ্ঠান। তার মতো সাহসী উদ্যোক্তা যুগে যুগে জন্মায় না, শতাব্দীতে একজন জন্মায়। তার হাতে গড়া হোলসেল ক্লাব মাত্র ১ বছরেই সারা দেশে আলোড়ন ফেলতে সক্ষম হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে হোলসেল ক্লাব ‘এক ছাদের নিচে এক জীবন।’ একজন মানুষের জীবনযাপনের জন্য যা যা প্রয়োজন তার সবই আছে হোলসেল ক্লাবে, যা সত্যিই অভাবনীয়।

তিনি আরও বলেন, নুরুল ইসলাম চাইতেন মানুষকে মানের দিক থেকে শ্রেষ্ঠ জিনিস দিতে, সাশ্রয়ী মূল্যে। এ রকম দ্বিতীয় নজির বাংলাদেশে আর নেই।

সঞ্চালকের বক্তব্যে যমুনা গ্রুপের পরিচালক ড. আলমগীর আলম বলেন, ২০০৮ সাল থেকে হোলসেল ক্লাব প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করেন নুরুল ইসলাম। এজন্য তিনি বাংলাদেশের আগোরা, মীনাবাজার, বিদেশের মোস্তফা মার্টসহ অনেক চেইন শপে ঘুরেছেন। হাজার হাজার ঘণ্টা ব্যয় করেছেন এই চেইন শপ প্রতিষ্ঠায়। হোলসেল ক্লাবের ডিজাইন থেকে শুরু করে পণ্য আমদানি- প্রতিটি বিষয়ে খেয়াল রাখতেন তিনি। মাত্র এক বছরে এমন অর্জন অন্য কোনো চেইন শপ করতে পারেনি।

হোলসেল ক্লাবের মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন) লোকমান হোসেন বলেন, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে হোলসেল ক্লাবের পক্ষ থেকে ক্রেতাদের সুবিধার্থে নানা ছাড় দেয়া হয়েছে। বাজারে যেখানে মাছ, মাংস, সবজির দাম চড়া- সেখানে হোলসেল সাশ্রয়ী মূল্যে এসব পণ্য বিক্রি করছে। যেমন গরুর মাংস বাজারে ৬০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে, কিন্তু হোলসেল ক্লাবে বিক্রি হচ্ছে ৫৪৯ টাকায়। কাঁচামরিচের কেজি বাইরে ২৩০ টাকা, আর হোলসেল ক্লাবে বিক্রি হচ্ছে ১৮৫ টাকায়। রোস্টের মুরগির পিস বিক্রি হচ্ছে ১২৯ টাকায়, কিন্তু বাজারে এ সাইজের মুরগি বিক্রি হয় ১৬০ টাকায়। তাছাড়া মেম্বারশিপ কার্ডধারীরা তো ডিসকাউন্ট পাচ্ছেনই।

তিনি জানান, এখন পর্যন্ত সাড়ে ৩ হাজারের বেশি মেম্বারশিপ কার্ড নিয়েছেন। সাড়ে ৩ হাজার টাকায় মেম্বারশিপ কার্ডের সঙ্গে ক্রেতাদের দেয়া হচ্ছে আকর্ষণীয় উপহার। আর উপহার ছাড়া মেম্বারশিপ কার্ড দেয়া হচ্ছে ২ হাজার টাকায়। বর্ষপূর্তি উপলক্ষে সর্বোচ্চ কেনাকাটা করা ৫ জন ক্রেতাকে হোলসেল ক্লাবের পক্ষ থেকে আকর্ষণীয় উপহারসামগ্রী দেয়া হয়।

বর্ষপূর্তিতে যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান সালমা ইসলাম এমপি

হোলসেল ক্লাবকে আরও বহুদূর নিয়ে যেতে হবে

 যুগান্তর রিপোর্ট 
১৫ অক্টোবর ২০২০, ০৮:৪১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান এবং সাবেক মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি বলেছেন, মানুষের সেবায় দেশের প্রথম হাইপার মার্কেট হোলসেল ক্লাব প্রতিষ্ঠা করেছিলেন যমুনা গ্রুপের স্বপ্নদ্রষ্টা নুরুল ইসলাম। তিনি আমাদের মাঝে নেই; কিন্তু তার দেখানো পথে, তার আদর্শকে বুকে ধারণ করে হোলসেল ক্লাবকে আরও বহুদূর নিয়ে যেতে হবে। তবেই তার প্রতি যথাযথ সম্মান দেখানো হবে।

বৃহস্পতিবার যমুনা ফিউচার পার্কে হোলসেল ক্লাবের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- যমুনা গ্রুপের পরিচালক শেখ মোহাম্মদ আবদুল ওয়াদুদ, সারীয়াত তাসরীন সোনিয়া, মনিকা নাজনীন ইসলাম, সুমাইয়া রোজালিন ইসলাম, জাকির হোসেন, মেহনাজ ইসলাম তানিয়া, যুগান্তরের সম্পাদক ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাইফুল আলম, হোলসেল ক্লাবের মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন) লোকমান হোসেন প্রমুখ।

সালমা ইসলাম বলেন, আজকের এই দিনে তার (নুরুল ইসলাম) কথা মনে পড়ছে। তিনি সব সময় চেয়েছেন দেশেই বিশ্বমানের হাইপার মার্কেট গড়ে তুলবেন; যার ধারাবাহিকতায় হোলসেল ক্লাব চালু করে যমুনা গ্রুপ। যারা হোলসেল ক্লাবে কেনাকাটা করতে এসেছেন, তারাই ভালো বলতে পারবেন এখানকার পণ্যের মান ও সেবা সম্পর্কে।
হোলসেল ক্লাবের প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারী সর্বদা মানুষের সেবায় নিয়োজিত। তাই নিজস্ব তত্ত্বাবধানে সরাসরি বিদেশ থেকে ভেজালমুক্ত পণ্য আমদানি করে, যা দামেও সাশ্রয়ী। করোনা মহামারীর কারণে সাপ্লাই চেইনে কিছুটা ব্যাঘাত ঘটলেও তা পুষিয়ে নেয়া হয়েছে।

হোলসেল ক্লাবের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, সব সময় ক্রেতাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখবেন, তাদের ভালোবাসবেন। ক্রেতাদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করবেন, হাসিমুখে কথা বলবেন। তাহলে ক্রেতারাই আমাদের সবচেয়ে বড় ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হবেন।

যমুনা গ্রুপের পরিচালক সারীয়াত তাসরীন সোনিয়া বলেন, করোনা মহামারীতেও ক্রেতাদের সীমিত পরিসরে সেবা দিয়েছে হোলসেল ক্লাব। মহামারীতে সঙ্গে থাকা ও পাশে থাকায় ক্রেতাদেরও ধন্যবাদ জানাই। আগামীতে হোলসেল ক্লাব ক্রেতার প্রত্যাশা পূরণে সাধ্যমতো চেষ্টা করবে।

যুগান্তরের সম্পাদক ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাইফুল আলম বলেন, যমুনা গ্রুপকে তিলে তিলে গড়ে তুলেছেন নুরুল ইসলাম। একাগ্র নিষ্ঠায় এই কিংবদন্তি অল্পদিনেই গড়ে তুলেছেন ৪১টি প্রতিষ্ঠান। তার মতো সাহসী উদ্যোক্তা যুগে যুগে জন্মায় না, শতাব্দীতে একজন জন্মায়। তার হাতে গড়া হোলসেল ক্লাব মাত্র ১ বছরেই সারা দেশে আলোড়ন ফেলতে সক্ষম হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে হোলসেল ক্লাব ‘এক ছাদের নিচে এক জীবন।’ একজন মানুষের জীবনযাপনের জন্য যা যা প্রয়োজন তার সবই আছে হোলসেল ক্লাবে, যা সত্যিই অভাবনীয়।

তিনি আরও বলেন, নুরুল ইসলাম চাইতেন মানুষকে মানের দিক থেকে শ্রেষ্ঠ জিনিস দিতে, সাশ্রয়ী মূল্যে। এ রকম দ্বিতীয় নজির বাংলাদেশে আর নেই।

সঞ্চালকের বক্তব্যে যমুনা গ্রুপের পরিচালক ড. আলমগীর আলম বলেন, ২০০৮ সাল থেকে হোলসেল ক্লাব প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করেন নুরুল ইসলাম। এজন্য তিনি বাংলাদেশের আগোরা, মীনাবাজার, বিদেশের মোস্তফা মার্টসহ অনেক চেইন শপে ঘুরেছেন। হাজার হাজার ঘণ্টা ব্যয় করেছেন এই চেইন শপ প্রতিষ্ঠায়। হোলসেল ক্লাবের ডিজাইন থেকে শুরু করে পণ্য আমদানি- প্রতিটি বিষয়ে খেয়াল রাখতেন তিনি। মাত্র এক বছরে এমন অর্জন অন্য কোনো চেইন শপ করতে পারেনি।

হোলসেল ক্লাবের মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন) লোকমান হোসেন বলেন, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে হোলসেল ক্লাবের পক্ষ থেকে ক্রেতাদের সুবিধার্থে নানা ছাড় দেয়া হয়েছে। বাজারে যেখানে মাছ, মাংস, সবজির দাম চড়া- সেখানে হোলসেল সাশ্রয়ী মূল্যে এসব পণ্য বিক্রি করছে। যেমন গরুর মাংস বাজারে ৬০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে, কিন্তু হোলসেল ক্লাবে বিক্রি হচ্ছে ৫৪৯ টাকায়। কাঁচামরিচের কেজি বাইরে ২৩০ টাকা, আর হোলসেল ক্লাবে বিক্রি হচ্ছে ১৮৫ টাকায়। রোস্টের মুরগির পিস বিক্রি হচ্ছে ১২৯ টাকায়, কিন্তু বাজারে এ সাইজের মুরগি বিক্রি হয় ১৬০ টাকায়। তাছাড়া মেম্বারশিপ কার্ডধারীরা তো ডিসকাউন্ট পাচ্ছেনই।

তিনি জানান, এখন পর্যন্ত সাড়ে ৩ হাজারের বেশি মেম্বারশিপ কার্ড নিয়েছেন। সাড়ে ৩ হাজার টাকায় মেম্বারশিপ কার্ডের সঙ্গে ক্রেতাদের দেয়া হচ্ছে আকর্ষণীয় উপহার। আর উপহার ছাড়া মেম্বারশিপ কার্ড দেয়া হচ্ছে ২ হাজার টাকায়। বর্ষপূর্তি উপলক্ষে সর্বোচ্চ কেনাকাটা করা ৫ জন ক্রেতাকে হোলসেল ক্লাবের পক্ষ থেকে আকর্ষণীয় উপহারসামগ্রী দেয়া হয়।