‘জামায়াতকে বাঁচানোর কৌশল ঐক্যফ্রন্টকে ডুবিয়েছে’

  যুগান্তর রিপোর্ট ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৬:১০ | অনলাইন সংস্করণ

‘জামায়াতকে বাঁচানোর কৌশল ঐক্যফ্রন্টকে ডুবিয়েছে’
ফাইল ছবি

ডুবন্ত জামায়াতকে বাঁচাতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোট রক্ষা করে এগোনোর কৌশল ঐক্যফ্রন্টের সব নতুন ধারণাকে ডুবিয়ে দিয়েছে।

শনিবার সকালে রাজধানীর দি ওয়েস্টিন হোটেল এক গোলটেবিল বৈঠকের ধারণাপত্রে এমন বক্তব্য দেয়া হয়েছে।

ইনস্টিটিউট অফ কনফ্লিক্ট, ল অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের ধারণাপত্রটি লিখেছেন মেজর জেনারেল (অব.) মো. আব্দুর রশীদ।

এতে বলা হয়েছে, দেশি-বিদেশি বন্ধুদের অনেকেই জামায়াত রক্ষার কৌশলকে স্বাগত জানাতে পারেনি। এতে অনেক ডাকসাইটের বিএনপি নেতা নিজস্ব ধ্যান ধারণার বশবর্তী হয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।

‘ভোট যতোই এগিয়ে আসছে, সরকারি দলের নির্বাচনী কৌশল এগিয়ে যাচ্ছে সফলতার দিকে। নিজেদের সুসংহত করতে না পারায় নির্বাচনে পিছিয়ে পড়ছে বিরোধীপক্ষ। নেতা ও নেতৃত্বের গুণগত মানের অভাবেই এমন ঘটছে।’

মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুর রশীদ বলেন, ঐক্যফ্রন্টের বিদেশি সংযোগ খেই হারিয়ে ফেলেছে। সরকারকে তাদের পক্ষ থেকে চাপ সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়নি। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভূমিকা পারস্পরিক ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থে শাসক বদলের চাহিদা কমে গেছে।

তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনকে কারাগারে ও তারেক রহমানকে বিদেশে রেখে নির্বাচনে যাওয়া বিএনপির অনেক নেতা মেনে নিতে পারছে না, ফলে নির্বাচনে বিজয় অর্জনের আশা কমে যাচ্ছে দলটির তৃণমূলে।

এবারের নির্বাচনের গুরুত্বের কারণ বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে একাত্তরের বিজয় ছিনিয়ে নিয়েছিল স্বাধীনতা বিরোধীরা। ২১ বছর ক্ষমতার কাছে ঘেঁষতে দেয়া হয়নি স্বাধীনতার স্বপক্ষ শক্তিকে। মুক্তিযুদ্ধের চিহ্ন মুছে দিতে অবারিত চেষ্টা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বিএনপি যুদ্ধাপরাধী জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে জোট বানিয়ে নির্বাচনের নামে ক্ষমতাকে জায়েজ করেছে এবং পাকিস্তানের সহায়তায় আন্তর্জাতিক সমর্থনকে নিজ পক্ষে নিয়ে এগিয়ে চলছিল।

‘কিন্তু পর পর দুই মেয়াদে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি ক্ষমতায় এলে আবার বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্ভাসিত হতে থাকে। যুদ্ধাপরাধের বিচার তাদের জন্য অস্তিত্বের সংকট তৈরি করে।’

একাত্তর টিভির সাংবাদিক ফারজানা রূপার উপন্থাপনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আই ক্লাডসের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জমির।

উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ, আই ক্লাডসের নির্বাহী পরিচালক মে. জে. (অব.) মো. আবদুর রশীদ, সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরী, পুলিশের সাবেক আইজি নুরুল হুদা, পুলিশের সাবেক আইজি নুরুল আনোয়ার, সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক মেজবাহ কামাল, নিরাপত্তা বিশ্লেষক ইশফাক ইলাহি চৌধুরী, সাবেক রাষ্ট্রদূত এম শফিউল্লাহ, নারী নেত্রী রোকেয়া কবীর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক জিয়াউর রহমান, বাংলাদেশ ইসলামী জোটের সভাপতি মাওলানা জিয়াউল হাসান, ড. এ জে এম শফিউল আলম ভূঁইয়া, অধ্যাপক ড. মামুন আল মাহতাব, অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন, শুভাস চন্দ্র রায় এবং ড. হাসানুজ্জামান চৌধুরী।

ঘটনাপ্রবাহ : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

আরও
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×