নিরাপত্তাহীনতায় বাসায় বন্দি বিএনপি নেতা হাফিজ ইব্রাহীম
jugantor
নিরাপত্তাহীনতায় বাসায় বন্দি বিএনপি নেতা হাফিজ ইব্রাহীম

  ভোলা ও বোরহানউদ্দিন প্রতিনিধি  

১৯ ডিসেম্বর ২০১৮, ২০:১৫:৪৪  |  অনলাইন সংস্করণ

ভোলা-২: পুলিশি নিরাপত্তা না থাকায় বাসায় বন্দি হাফিজ ইব্রাহীম

ভোলা-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী সাবেক এমপি হাফিজ ইব্রাহিম পুলিশ প্রটেকশান পাচ্ছেন না বিধায় গণসংযোগে নামতে পারছেন না। ফলে তিনি গত রোববার থেকে তার বাসায় বন্দি অবস্থান করছেন। তার নেতাকর্মীরাও নিরাপদ নয় বুধবার বোরহানউদ্দিনে নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলনে এমন দাবি করেন তিনি।

সংবাদ সংগ্রহকালে এনটিভি প্রতিনিধি আফজাল হোসেন, সাংবাদিক নেয়ামতউল্লাহ ওপর হামলার ঘটনায় সংবাদ সম্মেলনে দুঃখ প্রকাশ করেন হাফিজ ইব্রাহীম।

এ ছাড়া বিএনপি ক্ষমতার আমলে দৌলতখানের আওয়ামী লীগ সভাপতি স্কুল প্রধান শিক্ষক নাসির আহমেদের ওপর বিএনপি কর্মীদের হামলা , মারধর করা ও বতর্মান মেয়র রফিকুল ইসলামের বাড়ি ঘর ভাঙচুরের বিষয়েও সাংবাদিকরা প্রশ্ন তোলেন।

হাফিজ ইব্রাহীম অবশ্য জানান নির্বাচন ছেড়ে তিনি যাবেন না। ৩০ ডিসেম্বর বিকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন। পুলিশি নিরাপত্তা না পেলে বাসায় অপেক্ষা করবেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, হাফিজ ইব্রাহিমের সহধর্মিনী ও উপজেলা বিএনপি সম্পাদক মাফরুজা সুলতানা এবং কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাবেক দলের দফতর সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম।

বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য হাফিজ ইব্রাহিম আরো অভিযোগ করেন, তার বাড়িতে নেতাকর্মীরা এলে ফেরার সময় তারা হামলার শিকার হন। বাড়ির সামনে পুলিশ পাহারা দেয়া হলেও তা হচ্ছে আইওয়াশ।

এদিকে এ আসনের আওয়ামী লীগ প্রার্থী আলী আজম মুকুল বলেন, ২০০১ সালের পর এমপি হয়ে হাফিজ ইব্রাহিম যে অত্যাচার নির্যাতন করেছেন, পাহাড়সম অন্যায় কাজের জন্যই লজ্জায় তিনি বাসা থেকে বড় হচ্ছেন না। এ কারণেই বিএনপির প্রার্থী হাফিজ ইব্রাহিম গণসংযোগে বের হচ্ছেন না। ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবেসের দিন সকালে লঞ্চযোগে বহিরাগতদের নিয়ে এলাকায় আসা ঠিক হয়নি তার।

বোরহানউদ্দিন থানার ওসি অসীম সিকদার জানান, ৭ জন পুলিশ হাফিজ ইব্রাহিমের বাড়িতে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি গণসংযোগে গেলে এক দুই জন পুলিশ পাবেন। কিন্তু উনি তো বাড়ি থেকেই বের হন না। তার অভিযোগ সত্য নয়।

পুলিশ সুপার মো. মোকতার হোসেনও জানান একই কথা। এ ছাড়া হাফিজ ইব্রাহিম আরও অভিযোগ করেন তিনি আসার পর দুটি মামলায় তার ৭১৩ জন নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে। তার বাসার কাজের ছেলেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ওসি জানান, উনি ঢাকা থেকে আসার সময় কয়েকশ বহিরাগতদের নিয়ে আসেন। এরা বেশ কয়েকটি আওয়ামী লীগ অফিস ভাঙচুর ও ১৮টি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেয়। এসব ঘটনায় মামলা হয়।

নিরাপত্তাহীনতায় বাসায় বন্দি বিএনপি নেতা হাফিজ ইব্রাহীম

 ভোলা ও বোরহানউদ্দিন প্রতিনিধি 
১৯ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৮:১৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ভোলা-২: পুলিশি নিরাপত্তা না থাকায় বাসায় বন্দি হাফিজ ইব্রাহীম
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন হাফিজ ইব্রাহীম। ছবি: যুগান্তর

ভোলা-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী সাবেক এমপি  হাফিজ ইব্রাহিম পুলিশ প্রটেকশান পাচ্ছেন না বিধায় গণসংযোগে নামতে পারছেন না। ফলে তিনি গত রোববার থেকে তার বাসায় বন্দি অবস্থান করছেন। তার নেতাকর্মীরাও নিরাপদ নয় বুধবার বোরহানউদ্দিনে নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলনে এমন দাবি করেন তিনি।  

সংবাদ সংগ্রহকালে এনটিভি প্রতিনিধি আফজাল হোসেন, সাংবাদিক নেয়ামতউল্লাহ ওপর হামলার ঘটনায় সংবাদ সম্মেলনে দুঃখ প্রকাশ করেন হাফিজ ইব্রাহীম।

এ ছাড়া বিএনপি ক্ষমতার আমলে দৌলতখানের আওয়ামী লীগ সভাপতি স্কুল প্রধান শিক্ষক নাসির আহমেদের ওপর বিএনপি কর্মীদের  হামলা , মারধর করা ও বতর্মান মেয়র রফিকুল ইসলামের বাড়ি ঘর ভাঙচুরের বিষয়েও  সাংবাদিকরা প্রশ্ন তোলেন।

হাফিজ ইব্রাহীম অবশ্য জানান নির্বাচন ছেড়ে তিনি যাবেন না। ৩০ ডিসেম্বর বিকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন। পুলিশি নিরাপত্তা না পেলে বাসায় অপেক্ষা করবেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, হাফিজ ইব্রাহিমের সহধর্মিনী ও উপজেলা বিএনপি সম্পাদক মাফরুজা সুলতানা এবং কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাবেক দলের দফতর সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম।

বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য হাফিজ ইব্রাহিম আরো অভিযোগ করেন, তার বাড়িতে নেতাকর্মীরা এলে ফেরার সময় তারা হামলার শিকার  হন। বাড়ির সামনে পুলিশ পাহারা দেয়া হলেও তা হচ্ছে আইওয়াশ।

এদিকে এ আসনের আওয়ামী লীগ প্রার্থী আলী আজম মুকুল বলেন, ২০০১ সালের পর এমপি হয়ে হাফিজ ইব্রাহিম যে অত্যাচার নির্যাতন করেছেন, পাহাড়সম অন্যায় কাজের জন্যই লজ্জায় তিনি বাসা থেকে বড় হচ্ছেন না। এ কারণেই বিএনপির প্রার্থী হাফিজ ইব্রাহিম গণসংযোগে বের হচ্ছেন না। ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবেসের দিন সকালে লঞ্চযোগে বহিরাগতদের নিয়ে এলাকায় আসা ঠিক হয়নি তার।

বোরহানউদ্দিন থানার ওসি অসীম সিকদার জানান, ৭ জন পুলিশ হাফিজ ইব্রাহিমের বাড়িতে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি গণসংযোগে গেলে এক দুই জন পুলিশ পাবেন। কিন্তু উনি তো বাড়ি থেকেই বের হন না। তার অভিযোগ সত্য নয়।

পুলিশ সুপার মো. মোকতার হোসেনও জানান একই কথা। এ ছাড়া হাফিজ ইব্রাহিম আরও অভিযোগ করেন তিনি আসার পর দুটি মামলায় তার ৭১৩ জন নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে। তার বাসার কাজের ছেলেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ওসি জানান, উনি ঢাকা থেকে আসার সময় কয়েকশ বহিরাগতদের নিয়ে আসেন। এরা বেশ কয়েকটি আওয়ামী লীগ অফিস ভাঙচুর ও ১৮টি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেয়। এসব ঘটনায় মামলা হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন